১২:৫৯ এম
মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার লতব্দী গ্রামের বাসিন্দা আরমান হোসেন অভির (২১) বিরুদ্ধে এলাকায় নতুন করে বিভিন্ন অপরাধমূলক ও উচ্ছৃঙ্খল কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, কারামুক্তির পর আমির হোসেনের ছেলে অভি ফের নেশাসংক্রান্ত কর্মকাণ্ড, সামাজিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও নানা অপরাধমূলক তৎপরতায় জড়িয়ে পড়েছেন। এর পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সিরাজদিখান উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম হায়দার আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী নূর হোসেন এবং লতব্দী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব ওসমান হারুন ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, অভির বিরুদ্ধে অতীতেও একাধিকবার বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর, মারধর, চাঁদা দাবি, প্রাণনাশের হুমকি ও অস্ত্র দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছিল।
আরও পড়ুন: বিএমপি কমিশনারের উদ্যোগে পুলিশ লাইন্সের পুকুরে মৎস্যপোনা অবমুক্ত, উৎপাদন বৃদ্ধি ও পুষ্টি চাহিদা পূরণের প্রত্যাশা
এলাকাবাসীর অভিযোগ, ২০২২ সালে মোহাম্মদ আবিরের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনা ঘটান তিনি। একই সময়ে আরমান শেখের বাড়িতেও হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। এ ছাড়া খিদিরপুর এলাকার মুক্তারের বাড়িতে থাই গ্লাস ভাঙচুর এবং সাগর খানকে অস্ত্র দেখিয়ে মারধরের অভিযোগও রয়েছে। মো. সিজান খানের বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়ে নগদ অর্থসহ গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ করেন তিনি।
এদিকে মোহাম্মদ নাসিম খান, মো. আশরাফুল শেখ, আপন খান, মো. আলম খান, জবিউল খান ও মো. মজিদ শেখ পৃথকভাবে অভিযোগ করেন—বিভিন্ন সময়ে অভির হাতে তারা মারধর, প্রাণনাশের হুমকি, গালিগালাজ ও নিজেদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুরের শিকার হয়েছেন।
অভিযোগকারীদের ভাষ্যমতে, এসব ঘটনার জেরে এলাকাবাসীর মধ্যে বিরাজ করছে চরম আতঙ্ক। তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি জোর আহ্বান জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত ২৭ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে আরমান হোসেন অভির বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ১৪৩/৪৪৭/৪৪৮/৩২৩/৪২৭/৩৮০/৫০৬/৩৪ ধারায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়
আরও পড়ুন: ৭নং জগদল ইউনিয়ন বিএনপির কর্মীসভা অনুষ্ঠিত, ত্যাগী ও পরীক্ষিত কর্মীদের মূল্যায়নের দাবি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন