প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (ডিইএ) প্রধান এবং প্রায় ১০০টি দেশের নিরাপত্তা সংস্থার প্রতিনিধিরা বুধবার আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েনস আয়ার্সে মাদক পাচার মোকাবেলার উপায় নিয়ে আলোচনা করেছেন।
ল্যাটিন আমেরিকার একাধিক যুক্তরাষ্ট্রপন্থী সরকারের মধ্যে আর্জেন্টিনা অন্যতম, যারা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘শিল্ড অব দ্য আমেরিকাস’ মাদকচক্রবিরোধী জোটে যুক্ত হয়েছে। পত্রিকা এএফপি এই বিষয়ে খবর প্রকাশ করেছে।
ডিইএ’র পরিচালক টেরেন্স কোলের সঙ্গে বৈঠকের সহ-আযোজক নিরাপত্তামন্ত্রী আলেহান্দ্রা মনতেওলিভা এক্সে বলেছেন, ‘মাদকচক্রের সঙ্গে আলোচনা করা যায় না। দৃঢ়তা, সহযোগিতা এবং দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর এমন কঠোর নীতির মাধ্যমে তাদের মোকাবিলা করতে হবে।’
আর্জেন্টিনায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার লামেলাস সম্মেলনে উল্লেখ করেছেন, ওয়াশিংটন ‘মাদকচক্র, অপরাধী নেটওয়ার্ক এবং সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনা এবং গণতান্ত্রিক দেশগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কাজ করছে।’ এসময় তিনি স্প্যানিশ ভাষায় বলেন, ‘কোনো দেশই এর ঝুঁকি থেকে মুক্ত নয়। আর কোনো দেশ একা এই লড়াই করতে পারে না।’
১৯৮৩ সালে ডিইএ’র উদ্যোগে শুরু হওয়া বার্ষিক আন্তর্জাতিক মাদক নিয়ন্ত্রণ সম্মেলন এবারই প্রথম আর্জেন্টিনায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সম্মেলনে মেক্সিকোর আলোচিত নিরাপত্তামন্ত্রী ওমর গার্সিয়া হারফুচও উপস্থিত ছিলেন। তিনি উল্লেখ করেন, প্রেসিডেন্ট ক্লদিওয়া শেইনবাউমের সরকারের কার্যক্রমের ফলে শক্তিশালী মাদকচক্রগুলোর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রে কয়েক ডজন মাদকচক্রের শীর্ষ নেতাকে প্রত্যর্পণের বিষয়টিও উত্থাপন করেন।
মাদক পাচার দমনে কঠোর অবস্থানের কারণে ‘ব্যাটম্যান’ নামে পরিচিত হারফুচ এক্সে উল্লেখ করেছেন, ‘সমন্বয়, দৃঢ়তা এবং প্রতিটি দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধার সঙ্গে কাজ করলে কোনো অপরাধী সংগঠনই রাষ্ট্রগুলোর চেয়ে শক্তিশালী হতে পারে না।’ তিনি সার্বভৌমত্ব নিয়ে মন্তব্য করে বলেন, এটি বামপন্থী শেইনবাউমের মাদকবিরোধী যুদ্ধে মার্কিন হস্তক্ষেপের বিষয়ে সতর্কবার্তার প্রতিধ্বনি।
মেক্সিকো গত মাসে জানিয়েছে, ২০২৪ সালে মাদকসম্রাট ইসমায়েল ‘এল মায়ো’ সাম্বাদাকে গ্রেফতারের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে কি না, তা তদন্ত করা হচ্ছে। তাঁকে অপহরণ করে যুক্তরাষ্ট্রে নেয়া হয়েছিল। বর্তমানে তিনি সেখানকার কারাগারে রয়েছেন।
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে ট্রাম্প বারবার অভিযোগ করেছেন, মাদকচক্রগুলো মেক্সিকোকে নিয়ন্ত্রণ করছে। শেইনবাউম মাদকচক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নিলে সীমান্তের দক্ষিণে মার্কিন সেনা মোতায়েনের হুমকি দিয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন