০৬:৩৮ পি.এম
পারস্য উপসাগর ঘিরে উত্তেজনা নতুন করে বেড়েছে। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তরসহ কয়েকটি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, আইআরজিসি বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর, একটি বিমানঘাঁটি এবং একটি আঞ্চলিক দেশের সামরিক হেলিকপ্টার লক্ষ্য করে হামলা চালায়। এই হামলা ছিল পরিকল্পিত পাল্টা জবাব—এমনটাই দাবি করেছে তারা।
আইআরজিসির বক্তব্য অনুযায়ী, কেশম দ্বীপের দক্ষিণে ইরানের একটি যোগাযোগ টাওয়ারে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালায়। সেই ঘটনার পরপরই প্রতিশোধ হিসেবে এ আক্রমণ পরিচালনা করা হয়।
আরও পড়ুন: যবিপ্রবিতে শ্যামাপূজা ও দীপাবলি উৎসব উদযাপন, আনন্দমুখর পরিবেশে বিভিন্ন আয়োজন
এ ছাড়া ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নৌ শাখা ‘পানায়া’ নামের একটি জাহাজেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর কথা জানিয়েছে। ইরান বলছে যে, হরমুজ প্রণালির কাছে একটি ইরানি তেলবাহী জাহাজে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় জাহাজটির ইঞ্জিন কক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। সেই ঘটনার জবাব হিসেবেই এই জাহাজকে লক্ষ্য করা হয়েছে।
ইরানি গণমাধ্যমে প্রচারিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি কঠোর ভাষায় সতর্ক করে বলেছে, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নষ্ট করার যেকোনো প্রচেষ্টার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীকে ‘চড়া মূল্য’ দিতে হবে।
হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ। বিশ্বের তেল ও তরল গ্যাসের বড় একটি অংশ এই পথ দিয়ে পরিবহন হয়। দীর্ঘদিন ধরে প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ রয়েছে।
তবে ইরানের হামলার দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
আরও পড়ুন: নভেম্বরের প্রথম সাত দিনে রেমিট্যান্স ৮৮ কোটি ডলার
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন