ঢাকা সোমবার, ০৯ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৪শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৮শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০৯ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৪শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

ট্যাংকার হামলার জবাবে কুয়েত ও বাহরাইনের মার্কিন ঘাঁটিকে লক্ষ্যবস্তু করল ইরান


ট্যাংকার হামলার জবাবে কুয়েত ও বাহরাইনের মার্কিন ঘাঁটিকে লক্ষ্যবস্তু করল ইরান

ওমান উপসাগরে তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে এবার মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাল ইরান।

বুধবার, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি দাবি করেছেন, মার্কিন বাহিনী যে সমস্ত ঘাঁটি ব্যবহার করে বেসামরিক জাহাজ চলাচল বিঘ্নিত করছে এবং যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করছে, সেগুলোকে লক্ষ্য করেই এই ‘আত্মরক্ষামূলক’ হামলা চালিয়েছে তেহরানের সশস্ত্র বাহিনী।

এক্স হ্যান্ডেলে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বিবৃতিতে আরাগচি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যেকোনো ধরনের শত্রুতামূলক আচরণের তাৎক্ষণিক ও নিষ্পত্তিমূলক জবাব দেওয়া হবে। নিষেধাজ্ঞা এবং যুদ্ধ যে লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে, নতুন করে যুদ্ধ ডেকে এনে তা কোনোভাবেই হাসিল করা যাবে না।

আরও পড়ুন: দলের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে: আইনমন্ত্রী

ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, বুধবার ভোরের দিকে কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং হরমুজ প্রণালির কাছাকাছি একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজকে লক্ষ্য করে এই ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়।

ইরান এই হামলার পেছনে সুনির্দিষ্ট কারণ হিসেবে মার্কিন উসকানিকে দায়ী করেছে।

আরাগচি জানান, সম্প্রতি মার্কিন সামরিক বাহিনী খার্গ দ্বীপ অভিমুখে যাওয়া বতসোয়ানার পতাকাবাহী একটি তেল ট্যাংকারকে লক্ষ্য করে ‘হেলফায়ার’ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে সেটি অচল করে দেয়। খার্গ দ্বীপ মূলত ইরানের তেল রফতানির প্রধান কেন্দ্র।

এই অর্থনৈতিক ও কৌশলগত লাইফলাইনে মার্কিন আগ্রাসনের জবাবেই তেহরান এই পাল্টা আঘাতের সিদ্ধান্ত নেয়।

আরও পড়ুন: রাজধানীর পান্থপথ, খিলক্ষেত ও ক্যান্টনমেন্টে ককটেল বিস্ফোরণ

বিবৃতিটির সঙ্গে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর একটি সংক্ষিপ্ত ভিডিও ক্লিপও প্রকাশ করেছেন। যেখানে রুবিওকে বলতে শোনা যায়, মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের মিত্ররা অত্যন্ত সহযোগিতাপূর্ণ মনোভাব দেখিয়েছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো কেউ কেউ অত্যন্ত আগ্রাসীভাবে সহযোগিতা করছে, আবার কুয়েতের ভূমিকাও চমৎকার ছিল।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই মন্তব্যকে সামনে এনে ইরান মূলত কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে চালানো তাদের হামলাকে যৌক্তিক প্রমাণ করার চেষ্টা করছে।

তেল ট্যাংকারকে কেন্দ্র করে দুই দেশের এই সরাসরি সামরিক সংঘাতের জেরে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতি ও জ্বালানি বাজারে নতুন করে বড় ধরনের অস্থিরতার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: সরকার ৬৪ জেলায় প্রতিবন্ধী স্কুল প্রতিষ্ঠা করবে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যমুনা নদীতে অভিযান চালিয়ে নৌকাসহ পাঁচ ডাকাত আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:৪০ এম


যমুনা নদীতে অভিযান চালিয়ে নৌকাসহ পাঁচ ডাকাত আটক

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার কুকাদাইর এলাকার যমুনা নদীতে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল এমন সময় নৌকাসহ পাঁচজনকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। পরে তাদের ভূঞাপুর থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করার পর আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

বুধবার ভোরের দিকে উপজেলার কুকাদাইর এলাকার যমুনা নদীর পাশে কালা সড়ক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন গাজীপুর জেলার রুবেল (৩৯), ইব্রাহীম (২১), ছাত্তার (৩০), টাঙ্গাইল সদর উপজেলার হুমায়ুন (৩৫) এবং ভূঞাপুর উপজেলার মিলন (২৮)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে যমুনা নদীতে একটি নৌকায় কিছু লোক সন্দেহজনকভাবে চলাফেরা করতে দেখে এলাকাবাসী তাদের গতিরোধ করে। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তাদের আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে স্থানীয়রা আরো নিশ্চিত হন। সেই সময় তাদের কাছ থেকে কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয়দের ধারণা অনুযায়ী, নদীপথে ডাকাতির উদ্দেশ্যে তারা অবস্থান নিয়েছিল এবং ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর আটক ব্যক্তিদের নিজেদের হেফাজতে নেয়।

কালিহাতী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মঞ্জুরুল ইসলাম জানান, স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার স্থানে গিয়ে পাঁচজনকে থানায় আনা হয়েছে। পরবর্তীতে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

ভূঞাপুর থানার ওসি মোহাম্মদ সাব্বির রহমান জানান, প্রাথমিক তদন্তে আটক ব্যক্তিরা সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্রের সদস্য বলে তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং পরে আদালতের অনুমোদনের মাধ্যমে তাদের টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তরুণদের মাদকমুক্ত রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: আমানউল্লাহ আমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:৪৩ এম


তরুণদের মাদকমুক্ত রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: আমানউল্লাহ আমান

ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য আমানউল্লাহ আমান মন্তব্য করেছেন, তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প কিছুই নেই। খেলাধুলা শুধুমাত্র শরীরচর্চার একটি মাধ্যম নয়, এটি তরুণদের মধ্যে শৃঙ্খলাবোধ, নেতৃত্বগুণ এবং সামাজিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আজ বুধবার বিকেলে ঢাকার কেরানীগঞ্জ মডেল থানার শাক্তা ইউনিয়নে আয়োজিত ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট’-এর ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন।

আমানউল্লাহ আমান আরও বলেন, দেশের তরুণ সমাজকে মাদকাসক্তি থেকে রক্ষা করতে হলে তাদের অবশ্যই খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এবং অন্যান্য সৃজনশীল কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে তিনি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সমাজের সকলের সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি উল্লেখ করেন, একটি সুস্থ ও মাদকমুক্ত প্রজন্ম গড়ে তুলতে মাঠের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং খেলার মাঠগুলো সংরক্ষণে গুরুত্ব প্রদান করতে হবে। যদি তরুণদের জন্য যথেষ্ট ক্রীড়া সুযোগ নিশ্চিত করা যায়, তাহলে তারা বিপথগামী হওয়ার ঝুঁকি থেকে অনেকাংশে মুক্ত থাকতে পারবে।

মাদকদ্রব্যের সামাজিক প্রভাব তুলে ধরে আমানউল্লাহ আমান বলেন, মাদক এটি একটি পরিবার ও সমাজকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়। এ কারণে দেশে মাদক ব্যবসায়ীদের জন্য কোনো স্থান থাকা উচিত নয়। তিনি মাদক নির্মূলে শুধুমাত্র প্রশাসনের ওপর নির্ভর না করে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা বিশদভাবে উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে তিনি মাদক ব্যবসায়ী ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, ঢাকা-২ আসনে কোনো মাদক ব্যবসায়ী বা চাঁদাবাজের স্থান থাকবেনা। যদি কেউ দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে অপকর্মে জড়িত হয়, তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেবে।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, ক্রীড়া সংগঠক এবং বিভিন্ন বয়সী খেলোয়াড়রা উপস্থিত ছিলেন। পরে টুর্নামেন্টের বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের স্টিল মিল মালিকরা বিদ্যুতের দাম ও সঞ্চালন চার্জ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করার দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:৪৮ এম


দেশের স্টিল মিল মালিকরা বিদ্যুতের দাম ও সঞ্চালন চার্জ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করার দাবি

দেশের স্টিল মিল মালিকরা বিদ্যুতের দাম ও সঞ্চালন চার্জ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করার দাবি জানিয়েছেন। বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ স্টিল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএসএমএ) এক বিবৃতিতে জানান, বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা না করে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে, যা শিল্পখাতে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করবে।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বিদ্যুতের গড় দাম ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ এবং সঞ্চালন চার্জ প্রায় ২৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ বাড়িয়েছে। এর ফলে উৎপাদন খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

স্টিল মিল মালিকরা জানান, কোভিড-পরবর্তী সময়ে শিল্পখাত দীর্ঘ দিন ধরে উচ্চ ব্যয় চাপে রয়েছে। ব্যাংক ঋণের সুদহার বৃদ্ধি, টাকার অবমূল্যায়ন, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, নির্মাণ খাতে মন্দা এবং বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার কারণে অনেক কারখানা বর্তমানে লোকসান বহন করে চলছে।

তারা আরও উল্লেখ করেন, গত কয়েক বছরে বিদ্যুতের ট্যারিফ প্রায় ৩৬ শতাংশ এবং ডিমান্ড চার্জ ১২৫ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে। একই সময়ে গ্যাসের দামও কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাওয়ায় উৎপাদন ব্যয় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।

বিবৃতিতে বলেছে, স্টিল শিল্পের বড় কারখানাগুলো ৩৩ কেভি, ১৩২ কেভি ও ২৩০ কেভি লাইনের সরাসরি গ্রাহক হলেও ডিমান্ড চার্জ, ভ্যাট ও অন্যান্য অতিরিক্ত খরচের কারণে বিদ্যুৎ বিল অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাচ্ছে। তারা নিজেদের সাবস্টেশন থাকার পরেও এসব ব্যয় থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না।

স্টিল মিল মালিকরা সতর্ক করে দেন যে, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ফলে উৎপাদন খরচ আরও বৃদ্ধি পাবে, বিনিয়োগ কমে যাবে এবং দেশের শিল্প প্রতিযোগিতার সক্ষমতা দুর্বল হবে। এর ফলে কর্মসংস্থান ও শিল্প স্থিতিশীলতা ঝুঁকিতে পড়ে যেতে পারে।

তারা জানাচ্ছেন যে, বিদ্যুৎ মূল্য বৃদ্ধির বিষয়টি একটি ট্যারিফ নয়, বরং এটি শিল্প টিকে থাকার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। তাই তারা নতুন মূল্যহার অবিলম্বে প্রত্যাহারের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

বুধবার রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বিদ্যুতের নতুন দাম ঘোষণা করে।

বিইআরসি’র চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ জানান, পাইকারিতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৭ টাকা থেকে ১ টাকা ৩৯ পয়সা বাড়িয়ে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। খুচরা পর্যায়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫২ পয়সা বেড়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির (পিজিসিবি) সঞ্চালন ব্যয় বিবেচনায় বিদ্যুতের সঞ্চালন মূল্যহার (হুইলিং চার্জ) ভারিত গড়ে প্রতি ইউনিট ৩১.৩৫ পয়সা থেকে ৩৮.৮৬ পয়সা করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রতি ইউনিটে ৭.৫১ পয়সা বা প্রায় ২৪ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে।

কিন্তু বিভিন্ন গ্রাহক শ্রেণির বিদ্যমান ডিমান্ড চার্জ অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। কমিশনের এই আদেশ ২০২৬ সালের জুন মাসের বিল থেকে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তা বহাল থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামায়াতের বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:৫৬ এম


জামায়াতের বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক

বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে থেমে নেই জামায়াতে ইসলামী। বৃহস্পতিবার ঢাকাসহ দেশের সব মহানগরে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে। দলটি বর্ধিত দাম প্রত্যাহারের এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণের দাবি জানিয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ জুন) এক বিবৃতিতে সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এই কর্মসূচির ঘোষণা করেছেন।

তিনি মন্তব্য করেন, এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ এবং পাইকারি পর্যায়ে ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ বৃদ্ধির সিদ্ধান্তটি জনগণের জন্য ক্ষতিকর।

বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সরকার সাধারণ মানুষের পকেট কাটার চরম নিষ্ঠুর খেলায় প্রবৃত্ত হয়ে পড়েছে। আসন্ন বাজেটকে সামনে রেখে তড়িঘড়ি করে বিদ্যুতের এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি করতে গিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর বড় ধরনের জুলুম করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে সব নিত্যপণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতিতে মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষের দুর্দশা চরমে পৌঁছেছে এবং বিদ্যুতের এই মূল্যবৃদ্ধি সেটাকে আরও খারাপ অবস্থায় নিয়ে যাচ্ছে।

গোলাম পরওয়ার আবার বলেন, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ফলে শিল্প ও কৃষির উৎপাদন খরচ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে। এতে কলকারখানাগুলো, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং কৃষি খাতে স্থবিরতা আসবে। চাল, ডাল, তেলসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দামও আরও বাড়বে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে দুর্বিষহ করে তুলবে।

জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল অভিযোগ করেছেন, বিদ্যুৎ খাতে সীমাহীন দুর্নীতি, অপচয় এবং ক্যাপাসিটি চার্জের নামে জনগণের হাজার হাজার কোটি টাকা লুটের খেসারত দিতেই বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। তিনি বলেন, জনগণের প্রতি সরকারের দায়বদ্ধতা থাকলে এমন অমানবিক সিদ্ধান্ত কখনোই সম্ভব হত না।

বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতি, অপচয় ও লুটপাট বন্ধের দাবি জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জনসাধারণের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে গণবিরোধী ও অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। এ দাবিতে ঢাকা মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে ৪ জুন বিকেল পাঁচটায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে একটি বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৮শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৩৯
মাগরিব ০৫:১৫
ইশা ০৬:২৮
সূর্যোদয় : ০৬:০৯ সূর্যাস্ত : ০৫:১৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%