ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি মিঠুন চক্রবর্তী


অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি মিঠুন চক্রবর্তী

কিংবদন্তি অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ‘ডিসকো ড্যান্সার’খ্যাত এই তারকা বর্তমানে ভারতের দক্ষিণ কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

ভারতের সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, শারীরিকভাবে অস্বস্তি অনুভব করায় দুই দিন আগে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর বৃহস্পতিবার তার ডান হাতে সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এর আগে মিঠুন চক্রবর্তীর একই হাতে অস্ত্রোপচার হয়েছিল। তবে এবার পুনরায় অস্ত্রোপচার করতে হয়—এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কিংবা অভিনেতার পরিবারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য জানানো হয়নি।

আরও পড়ুন: মঞ্জু: ৫ আগস্টও এনে দিয়েছে ফ্যাসিস্ট শাসন থেকে মুক্তি

অস্ত্রোপচারের পর মিঠুন চক্রবর্তীর শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল আছে। তাকে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। হাসপাতালের অভিজ্ঞ মেডিকেল টিম তার প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পরিচর্যা নিশ্চিত করছে।

অভিনেতার দ্রুত সুস্থতা কামনা করছেন তার ভক্ত-অনুরাগী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘নাটকীয় কূটনীতি’ বাদ দিয়ে বাস্তবতা স্বীকার করুন-ট্রাম্পকে গালিবাফ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২৬ পি.এম


‘নাটকীয় কূটনীতি’ বাদ দিয়ে বাস্তবতা স্বীকার করুন-ট্রাম্পকে গালিবাফ

ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কূটনৈতিক কৌশলের সমালোচনার পর একে তিনি ‘নাটকীয় কূটনীতি’ বলে অভিহিত করেছেন।

ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানাচ্ছে, তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তার মন্তব্য করেছেন।

গালিবাফ বলেন, ট্রাম্প বারবার সামরিক হামলার হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি আলোচনার সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদ প্রকাশের মধ্যে অবস্থান পরিবর্তন করছেন।

ওয়াশিংটনের প্রতি বাস্তবতা স্বীকার করার পাশাপাশি নিজেদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, চাপ প্রয়োগ ও রাজনৈতিক নাটকীয়তার পরিবর্তে যুক্তরাষ্ট্রের উচিত বাস্তব পরিস্থিতি মেনে নেওয়া।

গালিবাফ ব্যঙ্গ করে লেখেন, ‘বড় ধরনের হামলা আসছে... অপেক্ষা করুন, না, তারা আলোচনা করতে চায়’—এটাই ট্রাম্পের নাটকীয় কূটনীতির বারবার চলতে থাকা দৃষ্টান্ত। ভয় দেখানো, প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ এবং ভুয়া খবরকে চাপ প্রয়োগের হাতিয়ার হিসেবে এটি ব্যবহার করা হচ্ছে, যা তার একটি ব্যর্থ কৌশল।

ট্রাম্পকে উদ্দেশ করে পার্লামেন্টের স্পিকার বলেন, বাস্তবতা স্বীকার করুন এবং নিজেদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করুন। আমাদের আর কোনো নাটক দরকার নেই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সন্ত্রাসী ইমনের হুমকির অডিও প্রকাশ, ‘এক কোটি বলতেছি, এক কোটিই নিব’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৩০ পি.এম


সন্ত্রাসী ইমনের হুমকির অডিও প্রকাশ, ‘এক কোটি বলতেছি, এক কোটিই নিব’

চট্টগ্রামের আলোচিত সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ইমন, যিনি ডাকনাম ডেভিড ইমন, গ্রেপ্তার হওয়ার পরেও তার বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীরা মুখ খুলতে পারছেন না। এরই মধ্যে চাঁদা দাবি করে এক ব্যবসায়ীকে দেওয়া ইমনের হুমকির একটি অডিও এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

অডিওতে ইমনকে বলতে শোনা যাচ্ছে, "এক কোটি বলতেছি, এক কোটি নিব। চার আনাও কম হবে না।"

জানা গেছে, প্রায় দুই মাস আগে নগরের এক ইন্টারনেট ব্যবসায়ীর কাছে মোবাইল ফোনে ইমন এক কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেছিলেন। প্রাণনাশের হুমকির কারণে জুলাই মাসের মাঝামাঝি ওই ব্যবসায়ী তাকে ১০ লাখ টাকা দিয়েছিলেন বলে জানা যায়। কিন্তু ভয়ের কারণে তিনি থানায় মামলাও করেননি এবং পুলিশকেও বিষয়টি জানাননি। যোগাযোগ করার পরও এ বিষয়ে কথা বলতে তিনি রাজি হননি।

৪৩ সেকেন্ডের ফাঁস হওয়া অডিওতে ইমনকে বলতে শুনা যাচ্ছে, যদি তিনি লোক পাঠান তাহলে দাবি করা টাকার একটিও কম নেবেন না। এমনকি দেশের একজন শীর্ষ ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে বলেন, "কিছুই হবে না।" এছাড়া ব্যবসায়ীকে সন্ধ্যার আগ পর্যন্ত সময় দিয়ে জানান, "বেঁচে থাকলে ভবিষ্যতে আরও টাকা আয় করার সুযোগ থাকবে, কিন্তু প্রাণ না থাকলে সেই টাকার কোনো মূল্য থাকবে না।"

এ ঘটনার পর ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন আইএসপিএবির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক রাজীব শাহরিয়ার জানান, দীর্ঘদিন ধরেই চট্টগ্রামের অনেক আইএসপি প্রতিষ্ঠান জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় সন্ত্রাসীদের চাঁদা দিয়ে আসছে। ভয়ের কারণে তারা পুলিশ কিংবা সংগঠনের কাছে বিষয়টি জানাতে সাহস পাননি।

তবে বর্তমানে পুলিশ কমিশনার ও জেলা পুলিশ সুপার ব্যবসায়ীদের আশ্বস্ত করেছেন, চাঁদাবাজির শিকার হলে যেন দ্রুত পুলিশকে জানানো হয়। তিনি আরও বলেন, এমন চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা যাতে জামিনে বেরিয়ে এসে আবারও আতঙ্ক সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে কিশোর গ্যাংসহ সব ধরনের সংঘবদ্ধ অপরাধ নিয়ন্ত্রণের দাবি জানান।

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (গণমাধ্যম) আমিনুর রশিদ জানান, চাঁদাবাজি বা হুমকির ঘটনায় ভুক্তভোগীরা পুলিশের কাছে রিপোর্ট করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইমনকে ইতোমধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তার সহযোগীদের ধরতে অভিযান চলছে।

গত ২৯ জুলাই যশোর থেকে ভারতে পালানোর সময় তিন সহযোগীসহ ইমনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ইমন পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলীর অনুসারী হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র ও চাঁদাবাজি সহ অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে। পরে ফটিকছড়ি থানার হত্যা ও অস্ত্র মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালত তার ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে ইমন পুলিশকে জানিয়েছেন, তিনি মাসে গড়ে প্রায় এক কোটি টাকা চাঁদা আদায় করতেন। এর অর্ধেক বিদেশে অবস্থানরত পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলীর কাছে পাঠানো হতো এবং বাকি টাকা তিনি নিজের কাছে রাখতেন।

পুলিশের কাছে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চাঁদাবাজির আগে ব্যবসায়ীদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক তথ্য সংগ্রহ করা হতো। তারপর বিদেশি নম্বর থেকে ফোন করে গুলি ও পরিবারের সদস্যদের ক্ষতির ভয় দেখিয়ে চাঁদা আদায় করা হতো। টাকা না দিলে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বা বাড়িতে গুলি চালানোর ঘটনাও ঘটত বলে ইমন জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুই দফা মেয়াদ পেরোলেও থমকে আছে ঢাকা-শরীয়তপুর চার লেন প্রকল্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৩০ পি.এম


দুই দফা মেয়াদ পেরোলেও থমকে আছে ঢাকা-শরীয়তপুর চার লেন প্রকল্প

দুই দফা মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও বহুল প্রতীক্ষিত ঢাকা-শরীয়তপুর চার লেন সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের কাজ এখনো শেষ হয়নি। প্রকল্প এলাকার অধিকাংশ স্থানে শ্রমিকের অভাব এবং ভারী যন্ত্রপাতি নেই। তিনটি প্যাকেজের মধ্যে দুই প্যাকেজের কাজ প্রায় পুরোপুরি বন্ধ থাকায় প্রতিদিন হাজারো যাত্রী, চালক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যাচ্ছে, নির্মাণাধীন সড়কের বিভিন্ন অংশে ধুলাবালি, খানাখন্দ ও ভাঙাচোরা রাস্তার কারণে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। কোথাও সরু সড়ক রয়েছে, কোথাও অসমাপ্ত নির্মাণকাজ। বর্ষা মৌসুমে কাদা ও পানিতে সড়কের বড় একটি অংশ চলাচলের জন্য অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। এর ফলে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হচ্ছে, সময় নষ্ট হচ্ছে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

প্রকল্পের দ্বিতীয় দফার মেয়াদ শেষ হয়েছে চলতি বছরের ৩০ জুন তারিখে। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ তৃতীয় দফায় প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধির আবেদন করেছে। সংস্থাটির দাবি, জমি অধিগ্রহণে জটিলতা এবং নির্ধারিত সময়ে প্রয়োজনীয় জমি বুঝে না পাওয়ার কারণে কাজ পরিকল্পনা অনুযায়ী করতে পারা সম্ভব হয়নি।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানও একই কারণে উল্লেখ করেছে যে, পর্যাপ্ত জমি না পাওয়ার ফলে নির্মাণকাজে বারবার বিঘ্ন ঘটছে।

শরীয়তপুর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ নাবিল হোসেন জানান, প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর জন্য আবেদন করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় জমি বুঝে পেলে দ্রুত গতিতে কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে এবং ২০২৭ সালের জুন মাসের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।

এদিকে শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগম জমি অধিগ্রহণের জটিলতা স্বীকার করে বলেন, যেসব স্থানে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জমি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে, সেসব অংশের কাজ শেষ করার দায়িত্ব ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের। বাকি জমি বুঝিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে।

অন্যদিকে, প্রতিদিন এই সড়ক ব্যবহারকারী চালক, যাত্রী ও পরিবহন মালিকরা তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বছরের পর বছর ধরে এই নির্মাণকাজের কারণে তাদের দুর্ভোগ বাড়ছে। ধীরগতির কাজের কারণে যাতায়াতে অতিরিক্ত সময় লাগছে এবং যানবাহনের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে, যা দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বাড়াচ্ছে।

প্রায় ২৭ কিলোমিটার দীর্ঘ ঢাকা-শরীয়তপুর চার লেন সড়ক নির্মাণ প্রকল্পটি তিনটি প্যাকেজে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৬৮২ কোটি টাকা। তবে বারবার মেয়াদ বাড়ানোর পরও দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে হতাশা বাড়ছে।

এখন সাধারণ মানুষের একটাই প্রশ্ন, নিরাপদ, আধুনিক ও যানজটমুক্ত ঢাকা-শরীয়তপুর চার লেন সড়ক চালু হতে আর কত দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হবে?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উচ্চশিক্ষায় সার্কভুক্ত দেশগুলোর সহযোগিতা চান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৩২ পি.এম


উচ্চশিক্ষায় সার্কভুক্ত দেশগুলোর সহযোগিতা চান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (সার্ক) মহাসচিব রাষ্ট্রদূত গোলাম সারওয়ারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

বৈঠকে, সার্কভুক্ত দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে যৌথ গবেষণা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময়সহ একাডেমিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অবস্থিত সার্ক সচিবালয়ে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক আমানুল্লাহ বৈঠকে জানান, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে জ্ঞান, গবেষণা ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রকে সমৃদ্ধ করতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে কার্যকর অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা জরুরি।

তিনি বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি আন্তর্জাতিক মানের, গবেষণানির্ভর ও দক্ষতাকেন্দ্রিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের লক্ষ্যে বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রম নেওয়া হচ্ছে। সার্কভুক্ত দেশগুলোর বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথ গবেষণা ও শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময় কর্মসূচি চালু হলে শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবে।

সার্ক মহাসচিব গোলাম সারওয়ার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কার ও মানোন্নয়ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি জানান, সার্কভুক্ত দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে যৌথ একাডেমিক কার্যক্রম ও গবেষণা সহযোগিতা সম্প্রসারণে সার্ক সচিবালয় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত রয়েছে।

আলোচনায় উভয় পক্ষ দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারে সার্কের গুরুত্ব তুলে ধরেন। এতে উল্লেখ করা হয়, সার্ক ধারণার অন্যতম প্রবক্তা ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, যার দূরদর্শী চিন্তার ওপর ভিত্তি করে সংস্থাটি গড়ে উঠেছিল। বৈঠকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং সার্ক সচিবালয়ের মধ্যে ভবিষ্যতে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর, যৌথ গবেষণা উদ্যোগ, আন্তর্জাতিক সেমিনার আয়োজন এবং দক্ষতা উন্নয়নমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%