০৪:৫২ পি.এম
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নে সরকার অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে, এই কথা জানিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি। তিনি উল্লেখ করেছেন, অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে এবং উন্নতি সঞ্চারে এডিপি একটি বড় ভূমিকা রাখে। যদি এটি সঠিকভাবে করা হয়, তাহলে দেশি এবং বিদেশি নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্র তৈরি হবে।
বুধবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের সাথে ব্রিফিংয়ে এ মন্তব্য করেছেন। উক্ত সভা অনুষ্ঠিত হয় প্রধানমন্ত্রী এবং একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে।
সভায় ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকা ব্যয় সংবলিত মোট ৮টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে নতুন প্রকল্প রয়েছে ৩টি এবং সংশোধিত প্রকল্পের সংখ্যা ৫টি।
আরও পড়ুন: দলের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে: আইনমন্ত্রী
পরে ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বেশ কিছু প্রকল্পের বিষয়ে সরাসরি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) তদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, আইএমইডি’র সাম্প্রতিক রিপোর্ট বর্তমানে পরীক্ষা করা হচ্ছে এবং প্রকল্প পরিচালক (পিডি) নিয়োগের নীতিমালার খসড়া নিয়ে আলোচনা চলছে। এগুলো সম্পন্ন হলে একটি পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন নির্দেশিকা তৈরি হবে, যা ভবিষ্যতে প্রকল্পগুলোর সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় সাহায্য করবে। নতুন সরকারের বর্তমান মেয়াদে অল্প সময়ের মধ্যে পুরনো কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ইতিবাচক পরিবর্তনের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। তবে আইনি বা নীতিগত পরিবর্তন রাতারাতি সম্ভব নয়; সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি ভালো পরিবেশ তৈরির কাজ চলছে।
রেট শিডিউল বা দর তালিকা পর্যালোচনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বা সংস্থার (যেমন-এলজিইডি, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়) আলাদা আলাদা রেট শিডিউল রয়েছে, যা প্রকল্পের ব্যয় নির্ধারণে ব্যবহার করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, যেটি ইতিমধ্যে একাধিক বৈঠক করেছে।
খুব অল্প সময়ের মধ্যে এই রেট শিডিউলগুলো পর্যালোচনা করে সাধারণ এবং বিশেষ কাজের জন্য নতুন রেট শিডিউল তৈরি করা হবে, যেন সে অনুযায়ী প্রাক্কলন তৈরি করা যায়।
আরও পড়ুন: রাজধানীর পান্থপথ, খিলক্ষেত ও ক্যান্টনমেন্টে ককটেল বিস্ফোরণ
প্রকল্পে দীর্ঘসূত্রতা ও গাফিলতি প্রসঙ্গে সাকি বলেন, প্রকল্পের দীর্ঘসূত্রতার কারণে বাড়তি অপচয় ঘটে। এর পেছনে সমন্বয় ও জবাবদিহির অভাব এবং দায়িত্বহীনতা কাজ করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন