০১:১৬ পি.এম
ইরানের তেল খাতকে লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে নিষেধাজ্ঞা যুক্ত করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় জানাচ্ছে, তেল পরিবহন ব্যবসায়ী মোহাম্মদ হোসেইন শামখানির নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে আরও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার নেওয়া এই পদক্ষেপের আগে, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী টানা চতুর্থ দিন হামলা চালায় এবং পুনরায় নৌ অবরোধ আরোপ করে। এর প্রতিক্রিয়া হিসেবে ইরান হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে বলে আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশন জানাচ্ছে।
এএফপি’র খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর ইরান ফেব্রুয়ারিতে জ্বালানি পরিবহনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয়। এরপর, ওয়াশিংটন এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে জুনের মাঝামাঝি পর্যন্ত ইরানের বন্দরগুলোর ওপর প্রথম দফায় অবরোধ আরোপ করে।
আরও পড়ুন: প্রযুক্তি জায়ান্টদের ইউক্রেনীয়দের রক্তের বিনিময়ে ব্যবসার অভিযোগ
মঙ্গলবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘হরমুজ প্রণালীতে ইরান অস্থিতিশীল হামলা শুরু করার পর দেশটির সরকারের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর প্রচেষ্টার অংশ হিসাবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’
অর্থ মন্ত্রণালয় অভিযোগ করে যে, শামখানি নেটওয়ার্ক ইরানের তেল রপ্তানির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে এবং বৈশ্বিক পণ্য বাণিজ্যেও নিজেদের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করেছে।
নতুন নিষেধাজ্ঞার আওতায় ৫০টির বেশি ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও জাহাজকে টার্গেট করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ইরানি কর্তৃপক্ষকে আর্থিকভাবে লাভবান করতে সহায়তা করেছে।
অর্থ মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে যে, শামখানির পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত ২০০টির বেশি ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও জাহাজের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। মোহাম্মদ হোসেইন শামখানি, ইরানের নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী শামখানির ছেলে এবং আলী শামখানি দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির উপদেষ্টা ছিলেন।
আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক ই-কমার্সে রিমার্কের শক্ত অবস্থান, বিশ্ববাজারে যাচ্ছে হাজারো পণ্য
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার প্রথম দিন এবং মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ শুরুর দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি উভয়েই নিহত হন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন