প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হত্যা মামলার আসামি হিসেবে জেল খেটে বের হয়ে নতুন এক বেশ ধারণ করেছেন গয়াছ মিয়া (৩৫) নামের একজন যুবক। পীর সেজে সম্প্রতি সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারের বাজিতপুর গ্রামের শতবর্ষী পঞ্চায়েতি কবরস্থানে একটি গাছের নিচে বাঁশ-বেত দিয়ে ছোট্ট দোতলা ঘর তৈরি করে বসবাস শুরু করেছেন। তার এই কর্মকাণ্ডে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০২০ সালের ৪ এপ্রিল স্থানীয় একটি বিরোধের কারণে প্রতিপক্ষের দুই যুবককে ছুরিকাঘাত করেছিলেন গয়াছ মিয়া। এই ঘটনায় জাকির হোসেন নামের একজন নিহত হন, এবং জিহান মিয়া গুরুতর আহত হন। ওই হত্যা মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারাভোগ শেষে সম্প্রতি জামিনে বের হন গয়াছ। এরপর তিনি পীরের বেশ ধারণ করে কবরস্থানের শতবর্ষী বটগাছের নিচে আস্তানা তৈরি করেন।
এলাকাবাসীরা অভিযোগ করছেন, সন্ধ্যার পর সেখানে মাদকসেবী ও সমাজবিরোধীদের আনাগোনা বেড়ে যায়। পাশাপাশি স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা তার আচরণে ভীত হয়ে পড়েছে। তারা বলছেন, পবিত্র কবরস্থানে এভাবে কেউ অবস্থান করে সামাজিক পরিবেশ নষ্ট করতে পারেন না।
তবে অভিযুক্ত গয়াছ মিয়া তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, আশ্রয়হীন হয়ে পড়ার কারণে কবরস্থানের ওই অংশে অস্থায়ী স্থাপনা তৈরি করে সেখানে অবস্থান করছেন। তিনি বলেন, “কোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছি না।”
দোয়ারাবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তarikul ইসলাম তালুকদার জানিয়েছেন, অভিযোগ পেয়েছি এবং তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় এলাকাবাসী দোয়ারাবাজার মডেল থানায় বৃহস্পতিবার লিখিত অভিযোগ করেছেন। এই অভিযোগের অনুলিপি জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও উপজেলা প্রশাসনের কাছে পাঠানো হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন