প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
অর্থবছরের শেষ মাস, জুলাইয়ে দেশের সাধারণ মূল্যস্ফীতির পারদ কিছুটা কমে এসেছে। সদ্য বিদায়ী এ মাসে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৮ দশমিক ৩২ শতাংশ। এর আগের মাস জুনে এটি ছিল ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) কর্তৃক প্রকাশিত ভোক্তা মূল্য সূচকের (সিপিআই) হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৩২ শতাংশের অর্থ এই যে ২০২৫ সালের জুলাই মাসে যে পণ্য কিনতে ১০০ টাকা ব্যয় করা হয়েছিল, সেই একই পণ্য ২০২৬ সালের জুলাই মাসে কিনতে হচ্ছে ১০৮ টাকা ৩২ পয়সা। অর্থাৎ একটি বছরের ব্যবধানে ব্যয় বেড়েছে ৮ টাকা ৩২ পয়সা।
সাধারণ মূল্যস্ফীতির পাশাপাশি এই জুলাই মাসে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতিও কিছুটা কমেছে। জুলাই মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমে এখন দাঁড়িয়ে আছে ৭ দশমিক ১৬ শতাংশে, যা জুনে ছিল ৮ দশমিক ৬০ শতাংশ। আর খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও এখনো তা ৯ শতাংশের ঘরেই অবস্থান করছে। জুলাই মাসে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ২৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, আগের মাসে এটি ছিল ৯ দশমিক ৬১ শতাংশ।
এদিকে, শহরের তুলনায় গ্রামে এখনও মূল্যস্ফীতির পারদ অনেক চড়া। জুলাই মাসে গ্রামাঞ্চলে সাধারণ মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ। অপরদিকে, শহরাঞ্চলে এর হার ছিল ৮ দশমিক ২৪ শতাংশ।
সিপিআই প্রতিবেদনের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গ্রামাঞ্চলে খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার কমে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ১৪ শতাংশে, যেখানে আগের মাসে এই হার ছিল ৮ দশমিক ৫২ শতাংশ। খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি জুলাই মাসে কমে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৫৩ শতাংশে, যা জুনে ছিল ৯ দশমিক ৮৯ শতাংশ।
অন্যদিকে, শহরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ২১ শতাংশে। জুন মাসে এটি ছিল ৮ দশমিক ৭৬ শতাংশ। খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি জুলাই মাসে কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৯০ শতাংশে, যা জুনে ছিল ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ।
মূল্যস্ফীতি কমার পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে জুলাই মাসে স্বস্তি দিয়েছে মজুরি বৃদ্ধির হার। এ মাসে মজুরি সামান্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ২২ শতাংশে, যেখানে জুন মাসে এটি ছিল ৮ দশমিক ১৮ শতাংশ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন