১০:৩২ এম
বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়নসহ কোন দল কত টাকা পাবে? স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬ , ১০:২৪ এএম
ছবি: সংগৃহীত একমাস আগে পর্দা উঠেছিল ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের। নানা ঘটনার আর নাটকীয়তার পর্দা নামার অপেক্ষায় দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ। এবার চ্যাম্পিয়নদের জন্য রীতিমতো টাকা বস্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা (ফিফা)।
চলতি বিশ্বকাপে মোট ৮৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা প্রায় ১০ হাজার ৬২৬ কোটি টাকা (১ ডলার ১২২ টাকা ধরে) পুরস্কার অর্থ রাখা হয়েছে, যা একটি রেকর্ড।
আরও পড়ুন: সাভার-আশুলিয়ার শিল্পাঞ্চলে ৮৮ কারখানা কর্মমুখর হয়ে উঠছে
ফিফা প্রথমে ঘোষণা করেছিল, মোট পুরস্কার তহবিল হবে ৭২৭ মিলিয়ন ডলার প্রায় ৮ হাজার ৮৬৯ কোটি টাকা। এটি কাতারে বিশ্বকাপে বিতরণ করা অর্থের তুলনায় ইতোমধ্যেই ৫০ শতাংশ বেশি ছিল।
কিন্তু এপ্রিল মাসে তারা অংশগ্রহণের ভিত্তিমূলক পুরস্কার এবং প্রস্তুতি ভাতা বাড়িয়ে তহবিলে আরও অর্থ যোগ করার অনুমোদন দেয়। ফলে মোট পুরস্কার অর্থ বেড়ে বর্তমানে ৮৭১ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছে গেছে।
আরও পড়ুন দেশে ফিরেই রাজকীয় সংবর্ধনা পেলেন মিশরের ফুটবলাররা। পুরস্কার অর্থকে পারফরম্যান্সভিত্তিক পুরস্কার এবং পারফরম্যান্স-নির্ভর নয়- এমন দুই ক্যাটাগরিতে ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
পারফরম্যান্সভিত্তিক পুরস্কার টুর্নামেন্টে একটি দল যতদূর এগোবে, তারা তত বেশি আর্থিক পুরস্কার পাবে।
আরও পড়ুন: ছাত্রীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জের নিন্দা জানালেন এমপি নূরুন্নিসা
ফিফা প্রতিটি অবস্থানে শেষ করা দলগুলোকে নিম্নরূপ পুরস্কার দেবে—
চ্যাম্পিয়ন: ৫১ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৬২২ কোটি টাকা।
রানার্স-আপ: ৩৪ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৪১৫ কোটি টাকা।
তৃতীয় স্থান: ৩০ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৩৬৬ কোটি টাকা।
আরও পড়ুন: ৬৪ টেস্টে ২২৯ উইকেট, সাদা জার্সিকে বিদায় জানালেন শামি
চতুর্থ স্থান: ২৮ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৩৪২ কোটি টাকা।
৫ম–৮ম স্থান: ২০ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ২৪৪ কোটি টাকা।
৯ম–১৬তম স্থান: ১৬ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১৯৫ কোটি টাকা।
১৭তম–৩২তম স্থান: ১২ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১৪৬ কোটি টাকা।
আরও পড়ুন: ইংলিশ ক্রিকেটার ব্রায়ান ডিভাইন পন্টিংকে মাঠে আঙুল ফুটিয়ে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ
৩৩তম–৪৮তম স্থান: ১০ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১২২ কোটি টাকা।
এই অর্থপ্রদানগুলো মিলিয়ে ৮৭১ মিলিয়ন ডলারের পুরস্কার তহবিলের মধ্যে ৭০৩ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৮ হাজার ৫৭৭ কোটি টাকা বিতরণ করা হবে। বাকি ১৬৮ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ২ হাজার ৫০ কোটি টাকা দলগুলোর পারফরম্যান্স নির্বিশেষে বিতরণ করা হবে।
পারফরম্যান্স-নির্ভর নয় এমন পুরস্কার অবশিষ্ট অর্থ অংশগ্রহণকারী সব দলের মধ্যে সমানভাবে নিম্নরূপ বিতরণ করা হবে—
প্রস্তুতি ভাতা: প্রতি দেশ ২.৫ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৩০.৫ কোটি টাকা।
আরও পড়ুন: জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ
অতিরিক্ত দলীয় অনুদান: ১৬ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি বা প্রায় ১৯৫ কোটিরও বেশি।
এর অর্থ ন্যূনতম ১০ মিলিয়ন ডলার অংশগ্রহণ ফি এবং ২.৫ মিলিয়ন ডলার প্রস্তুতি ভাতা মিলিয়ে প্রতিটি দল শুধু অংশগ্রহণের জন্যই কমপক্ষে ১২.৫ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১৫৩ কোটি টাকা পাবে।
প্রস্তুতি ভাতা টুর্নামেন্টের আগে প্রশিক্ষণ ক্যাম্প, স্কোয়াডের ভ্রমণসহ বিভিন্ন ব্যয় বহনে সহায়তা করার জন্য দেয়া হবে।
ফিফা অতিরিক্ত দলীয় অনুদানকে বর্ণনা করেছে দলীয় প্রতিনিধিদলের ব্যয়ের জন্য ভর্তুকি এবং দলের জন্য বরাদ্দকৃত টিকিটের সংখ্যা বৃদ্ধি হিসেবে। এর উদ্দেশ্য হলো বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ভ্রমণ, লজিস্টিকস ও প্রশাসনিক ব্যয়ের ক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশের মধ্যে আর্থিক বৈষম্য কমিয়ে আনা।
আরও পড়ুন: জামায়াতে ইসলামীর ইসলাম অস্বীকার করলেন হেফাজতের আমির বাবুনগরী
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন