ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

জামালপুরে ৯০ বোতল ভারতীয় মদসহ ২ যুবক আটক


জামালপুরে ৯০ বোতল ভারতীয় মদসহ ২ যুবক আটক

জামালপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে দুই যুবককে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ, এসময় উদ্ধার করা হয়েছে ৯০ বোতল ভারতীয় মদ। রবিবার (২১ জুন) দুপুরে, জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

আটককৃতদ্বয় হলেন জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলার বাট্টাজোড় ইউনিয়নের পশ্চিমপাড়া গ্রামের সোবহান তালুকদারের ছেলে তাবিবুর রহমান তালুকদার (২৬) এবং পলাশতলা গ্রামের মোখলেস তালুকদারের ছেলে রিদুয়ান বারী তালুকদার (৩০)।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জেলা পুলিশের চলমান মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে ডিবি-১-এর একটি দল শনিবার (২০ জুন) বিকেলে জামালপুর-বকশীগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের পাখিমারা এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানের সময় বিদেশি মদ বহনের অভিযোগে আটক করা হয় ওই দুই ব্যক্তিকে।

আরও পড়ুন: কক্সবাজার সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি আশেক উল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান

অভিযানে তাদের কাছ থেকে ৯০ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তারা সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মাদক সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন জেলায় পাচার করতেন।

এই ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পরে আটক দুই ব্যক্তিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। জামালপুরের পুলিশ সুপার মোছা. ফারহানা ইয়াসমিন জানান, ‘মাদকমুক্ত জামালপুর গড়ে তুলতে জেলা পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ব্যবসায়ী, চোরাকারবারি ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। সীমান্ত এলাকা ব্যবহার করে যারা অবৈধভাবে মাদক ও নিষিদ্ধ পণ্য দেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘মাদক নির্মূলে জেলা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। এই বিষয়ে জনগণের সহযোগিতাও প্রয়োজন।

আরও পড়ুন: ফটিকছড়িতে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে যুবক জিসান নিহত, আহত ৪

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারত ও বাংলাদেশজুড়ে ছিল জিয়াউলের কিলিং নেটওয়ার্ক: চিফ প্রসিকিউটর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:২১ পি.এম


ভারত ও বাংলাদেশজুড়ে ছিল জিয়াউলের কিলিং নেটওয়ার্ক: চিফ প্রসিকিউটর

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন, ভারত ও বাংলাদেশজুড়ে মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের একটি কিলিং নেটওয়ার্ক বিদ্যমান ছিল। রবিবার দুপুরে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। 

চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম জানালেন, আওয়ামী লীগের শাসনামলে শতাধিক গুম ও খুনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য দিয়েছেন একজন সেনা কর্মকর্তা। তিনি মন্তব্য করেন, ছবির স্বাক্ষ্যদাতা এখনও উপস্থিত রয়েছেন এবং তার জবানবন্দি চলমান রয়েছে। সাক্ষী ট্রাইব্যুনালের সামনে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর বর্ণনা তুলে ধরেছেন। এর মধ্যে একটি বিশেষ বিবরণ ছিল জিয়াউলের জাফলং অপারেশন। অর্থাৎ, র‍্যাবের টিএফআই সেল থেকে দুজন আসামিকে নিয়ে জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে জাফলংয়ে গিয়েছিলেন সাক্ষীসহ আরও কয়েকজন সেনা কর্মকর্তা। জাফলংয়ে পৌঁছানোর পর, ভারত থেকে আসা সাদা পোশাকের কিছু লোক আরও দুজন আসামিকে নিয়ে আসেন। তারপর এসব আসামিদের বিনিময়ের মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়। 

সাক্ষীর বিবরণে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম উল্লেখ করেন, ভারত থেকে আনা দুজনকে রাস্তায় মাথায় গুলি চালিয়ে হত্যা করেন জিয়াউল আহসান। তিনি এভাবেই একাধিক হত্যাকাণ্ড প্রাণায়িত করেছেন। ভারতীয় লোকজনকে জিয়াউল আহসানের অনুসারীরাই সম্ভবত নিয়ে আসতেন। তাদের দল বা বাহিনী সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য নেই। তবে, জিয়াউলের এই কিলিং নেটওয়ার্ক ভারত ও বাংলাদেশজুড়ে সক্রিয় ছিল। কিন্তু ভারত থেকে সাদা পোশাকে আসা লোকজন যে দুজন ব্যক্তিকে হস্তান্তর করেছিলেন, তারা ভারতের নাগরিক, নাকি বাংলাদেশের নাগরিক, তা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। 

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, বিডিআরের বিভিন্ন সদস্যদের ধরে এনে জিয়াউল আহসান দুটি বিভিন্ন পদ্ধতির মাধ্যমে হত্যা করেছেন। এর মধ্যে কাউকে ইনজেকশন পুশ করে এবং আবার কাউকে মাথায় গুলি করে হত্যার পর নদীতে ফেলে দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটিয়েছেন। সাক্ষীর অভিযোগ অনুযায়ী, এই দুই পদ্ধতিতে প্রায় ১০ থেকে ১২ জন বিডিআর সদস্যকে তিনি হত্যা করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাকচাপায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ী নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:২৩ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাকচাপায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ী নিহত

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে, নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে ট্রাক চাপায় বরিশালের উজিরপুর উপজেলার এক প্রবাসী ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় সময় শনিবার সকাল ৮টার দিকে, এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত কবির হোসেন মৃধা (৫৫) উজিরপুর উপজেলার দক্ষিণ মোড়াকাঠি গ্রামের বাসিন্দা এবং মৃত মেছের উদ্দিন মৃধার সন্তান ছিলেন। তিনি প্রায় ১৫ বছর আগে ডিভি লটারি অর্জন করে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। সেখানে তিনি পেট্রোল পাম্পসহ বিভিন্ন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

হেমায়েত হাওলাদার, যিনি নিহতের স্বজন, জানান যে, কবির হোসেন মৃধা স্ত্রী ও এক ছেলেকে নিয়ে ফ্লোরিডায় বসবাস করতেন। শনিবার সকালে, নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় একটি বেপরোয়া গতির ট্রাক তাকে চাপা দেয় এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।

নিহতের স্ত্রী রুমা আক্তারের বরাত দিয়ে হেমায়েত হাওলাদার আরও জানান, জীবদ্দশায় কবির হোসেন মৃধা ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন যে, মৃত্যুর পর যেন তার মরদেহ দেশে এনে গ্রামের বাড়িতে বাবা-মায়ের কবরের পাশে দাফন করা হয়। সেই অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ বাংলাদেশে আনা হবে এবং পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হবে।

তার মৃত্যুতে স্বজনদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তারা মরদেহ দ্রুত দেশে আনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

এবারের আলোচনায় যেভাবে ভেস্তে যেতে পারে শান্তিচুক্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:২৫ পি.এম


এবারের আলোচনায় যেভাবে ভেস্তে যেতে পারে শান্তিচুক্তি

কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টেতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান মধ্যে আলোচনা হচ্ছে। তবে শান্তিচুক্তি নিয়ে চলমান আলোচনা আগের আলোচনাগুলোর তুলনায় অনেকটাই ভিন্ন।

আলজাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাত্কারে এই মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক চুক্তি আলোচনায় অভিজ্ঞ সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত ম্যাথিউ ব্রাইজা। তিনি ব্যাখ্যা করেছেন, 'এই আলোচনা করার দলটি অতীতে আমি যেসব দলে কাজ করেছি, সেগুলোর মতো নয়। সাধারণত আমরা আগে থেকেই বিষয়ভিত্তিক বিশেষজ্ঞদের একটি শক্তিশালী দল তৈরি করতাম।'

পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ একটি অত্যন্ত জটিল বিষয় উল্লেখ করে ব্রাইজা বলেছেন, 'মার্কিন দলের মধ্যে পারমাণবিক ইস্যুতে উচ্চ পর্যায়ের কারিগরি বিশেষজ্ঞের অভাব রয়েছে। তবুও ইরানি প্রতিনিধিদলের পরিস্থিতি ভিন্ন। আমি মনে করি না মার্কিন দলে সেই ধরনের বিশেষজ্ঞ রয়েছেন, তবে ইরানিদের আছে।'

এছাড়া পারমাণবিক কর্মসূচি সংক্রান্ত খুঁটিনাটি বিষয়গুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদ্ব্যতি আমরা জানি সেগুলো সম্ভবত দ্বিতীয় ধাপের আলোচনায় আসবে বলেও জানান তিনি।

ব্রাইজা মার্কিন আলোচকদলকে 'খুবই ছোট, সীমিত এবং ঘনিষ্ঠ পরিসরের' বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, 'আমাদের সময় ভাইস প্রেসিডেন্টের মতো কোনো উচ্চপর্যায়ের নেতা সাধারণত তখনই আলোচনা করতে যুক্ত হতেন, যখন প্রায় সবকিছু চূড়ান্ত হয়ে আসত।'

তবে আলোচনা চলমান অবস্থায় তাদের অংশগ্রহণ খুবই বিরল। বিশেষ করে, তার মতে, এর কারণ হলো কোনো শীর্ষ রাজনৈতিক ব্যক্তি চাইবেন না যে আলোচনা ব্যর্থ হলে তার ওপর দায় বর্তাক। সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত ম্যাথিউ ব্রাইজা বলেন, 'সাধারণত এমন নেতারা তখনই যুক্ত হন, যখন চুক্তি প্রায় সম্পন্ন। কারণ আলোচনা যদি মাঝপথে ভেস্তেও যায়, তাহলে তার দায় তারা নিতে চান না।'

এদিকে সুইজারল্যান্ডের নিডওয়ালডেনের বিলাসবহুল পাহাড়ি রিসোর্ট বুর্গেনস্টেতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার আলোচনা চলছে। এই বৈঠকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা পালন করছে কাতার ও পাকিস্তান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
বাবা দিবসে এক হতভাগ্য বাবা

‘ছেলে-মেয়ে যেন আমার লাশ না ছোঁয়’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:২৭ পি.এম


‘ছেলে-মেয়ে যেন আমার লাশ না ছোঁয়’

‘আমার ছেলে-মেয়ে, আত্মীয়-স্বজন কাউকেই যেন আমার লাশ ছুঁইতে না দেয়। আমার আত্মায় কষ্ট পাইবে।

আমি মন থেকে, দিল থেকে তাদেরকে অভিশাপ দেই- আমার মত একদিন যেন তারাও এই জায়গায় (বৃদ্ধাশ্রমে) আসে।’ এটি বলছিলেন একজন বৃদ্ধ বাবা, কাঁদতে কাঁদতে। প্রবাসে কঠোর পরিশ্রমে উপার্জন করে যে সন্তানদের নিজ হাতে বড় করেছেন, অভাব বুঝতে দেননি কোনদিন, সেই সন্তানরাই এখন তাকে ফেলে গেছে বৃদ্ধাশ্রমে। ফেলে যাওয়ার পর একদিনও কেউ এসে নেয়নি খোঁজ-খবর।

রবিবার (২১ জুন) সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিও প্রতিবেদনে এমন চিত্রই দেখা গেছে।

চারদেয়ালে ঘেরা বৃদ্ধাশ্রমে বসে তিনি বলছিলেন, ‘এদেরকে (সন্তানদের) সোনার চামিচে করে দুধ খাওয়াইছি। আমার ভাবিরা কইতো- এত বেশি ভালোবাইসো না, তোমারে এরা জীবনে বহুত কষ্ট দিব। আজ তাদের সেই কথাটা আমি অক্ষরে অক্ষরে পাইছি।’

‘আচ্ছা বুঝলাম ছেলেরা এমন হইতে পারে না। এইটা মানি নিলাম। কিন্তু মেয়েরা কেমনে এমন হয়? মেয়েরা কেমনে বাপকে এত অস্বীকার করে? আমার জীবনে এমন এই প্রথম দেখলাম।’ তিনি সাংবাদিককে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘আপনাদের কাছে এবং আইনের কাছে আমি একটা ডায়রি দিয়ে যাব। এই ডায়রিটা আপনারা থানায় পৌঁছাইয়া দিবেন।

এই ডায়রিতে আমার সবকিছু লেখা আছে- তারা আমার সঙ্গে কি করছে। আমার শুধু একটাই অনুরোধ থাকবে, আপনারা এই জিনিসটা মানুষে দেখাইবেন। আমার ছবিটা দেখাইবেন। ছেলে-মেয়ে যেন দেখতে পায় যে, তার বাপ কি অবস্থায় আছে।’

‘এই টাকা-পয়সাটাই হলো আমার জীবনের কাল। ওনাদের ঘাড়ের ওপর (বৃদ্ধাশ্রমে) আমারে উঠাই দিয়ে গেছে। আজ পর্যন্ত দেখতে আসে নাই। খোঁজটাও নেয় না- দেখা তো দূরের কথা। এইটা কি ধরনের ছেলে? এরা অশিক্ষিত হইলেও এক কথা। আমার মেয়েও কি অশিক্ষিত- যে মেয়েরে আমি পুতুলের মত রাখছি? আমি কি তাদের কাছে টাকা পয়সা চাইছি? কিচ্ছু চাইনি, একটু ভালোবাসা চাইছি। যাইক, এইটা আমার ভাগ্য আছে।’

নিজে একজন রেমিট্যান্সযোদ্ধা ছিলেন। সেই বর্ণনা দিয়ে বৃদ্ধ বাবা বলেন, ‘আমার জীবনে আমি বহুত বিদেশ করেছি, বহুত টাকা কামাইছি, বহুত টাকা খরচও করেছি। দুই দেশে ছিলাম। আমি ১৯৯৫ থেকে সৌদি আরবে ছিলাম- ২০১৬ সাল পর্যন্ত। যখন বস্তা ভরি ভরি টাকা দিছিলাম, তখন সব ঠিক আছিল। ছেলে ঠিক আছিল, মেয়ে ঠিক ছিল- সব ঠিক ছিল।’

‘আমার একটা এফডি (ফিক্সড ডিপোজিট) ছিল। আমার ছোট ছেলেটা আমেরিকান এম্বাসিতে চাকরি করে। এ ছিল চোখের মনি। আমি সাদা দিলে- আমার ছেলে আমার টাকা পাইবে না কে পাবেবে, এরে করে দিছি। টাকাগুলা উঠাই নিয়ে যে গেছে, আজ পর্যন্ত সে আমার সাথে কোন যোগাযোগ করে না, কোনো যোগাযোগ নাই। আমার মেয়ের কাছে আমার টাকা ছিল- ২০ লাখ টাকা ছিল। এই টাকাটা আমাকে আর দেয়নাই। আজ পর্যন্ত ফেরত দেয়নাই।’

‘এখন আমি আপনাদের কাছে এবং আইনের কাছে একটা ডায়রি দিয়ে যাব। এ ডায়রিটা আপনারা থানায় পৌঁছায় দিবেন। আপনাদের দায়িত্ব এটা। এই ডায়রিতে আমার সবকিছু লেখা আছে- তারা আমার সাথে কি করছে।’

‘যেই কয়দিন বাঁচি থাকি, এই আমি এইখানে (বৃদ্ধাশ্রমে) থাকমু। আমার ছেলে-মেয়ে, আত্মীয়-স্বজন কাউকেই যেন আমার লাশ ছুঁইতে না দেয়। ছোঁয়ার কারো কোনো অধিকার নেই। একমাত্র এইখানের মানুষেরই আছে- আমার লাশ ছোঁয়ার অধিকার।’

‘আমার সন্তানদেরকে আমি এইটাই বলব যে, আমার সাথে তোমরা যারা যা করছো, এইটার ফল তোমরা পাইবা। আমি দিল থেকে বলি রাখছি- এইটার ফল আল্লাহ তাআলা তোমাগোরে দিবে- একদিন না একদিন দিবে। এইটার ফল তোমরা ভোগ করতে পারবা। আমারে তো উনারা (বৃদ্ধাশ্রম) জায়গা দিছে, চাইট্টা খাবার দিছে, খাকার জায়গা দিছে- এদেরকে (সন্তানদের) আল্লাহ যেন এটাও না দেয়। বিশেষ করে আমার মেয়েকে যেন না দেয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%