বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
১১:৪২ পি.এম
বাংলাদেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সুযোগ এবং ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় ২৫টি কোম্পানির প্রতিনিধিরা।
আলোচনায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে উভয় পক্ষের অভিন্ন আগ্রহ জানানো হয়।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ঢাকায় সফররত মার্কিন-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের (ইউএসবিবিসি) প্রতিনিধিদলের সম্মানে শামা ওবায়েদ ইসলাম মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করেন। সেখানে বাংলাদেশি ব্যবসায়ী নেতা ও মার্কিন প্রতিনিধিরা ব্যবসার ক্ষেত্রে বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং বাংলাদেশের ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে নিজেদের মতামত এবং অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
মধ্যাহ্নভোজে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মার্কিন কোম্পানির প্রতিনিধিদের স্বাগত জানান এবং বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের মধ্যে ধারাবাহিক যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
আলোচনার সময় বাংলাদেশের এবং যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীদের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্কের বিস্তৃত ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করা হয়। জ্বালানি ও প্রযুক্তির পাশাপাশি ডিজিটাল অর্থনীতি, স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি এবং আর্থিক সেবার মতো খাতে সহযোগিতার সুযোগ নিয়ে আলোচনা হয়।
এর আগে, আজ মার্কিন ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলটি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দুই ঘণ্টার বৈঠক করে। বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা এবং প্রধানমন্ত্রীর সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টারা उपस्थित ছিলেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি নতুন অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্র খুঁজে বের করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
৪৫ সদস্যের মার্কিন প্রতিনিধিদলটি ১১ থেকে ১৩ আগস্ট ঢাকা সফর করছে। এই প্রতিনিধি দলে জ্বালানি, প্রযুক্তি, আর্থিক সেবা, স্বাস্থ্যসেবা ও কৃষিসহ বিভিন্ন খাতের ২৫টি শীর্ষস্থানীয় মার্কিন কোম্পানির প্রতিনিধিরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা আরো গভীর করার সুযোগ খুঁজে বের করাই তাদের সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য।
মধ্যাহ্নভোজে এক্সিলারেট এনার্জির নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা এবং প্রতিনিধিদলের মিশন লিড অলিভার সিম্পসন এবং ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের সভাপতি ও ইউএস চেম্বার অব কমার্সের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি রাষ্ট্রদূত (অব.) অতুল কেশপসহ ইউএসবিবিসির অন্যান্য প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
বাংলাদেশের সরকারের জ্যেষ্ণর কর্মকর্তা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নেতারাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
মধ্যাহ্নভোজের শেষে এক্সিলারেট এনার্জির কৌশলগত উপদেষ্টা পিটার হাস এবং রাষ্ট্রদূত (অব.) অতুল কেশপ বক্তব্য রাখেন এবং ধন্যবাদ জানান। তারা বাংলাদেশের উষ্ণ আতিথেয়তার প্রশংসা করেন এবং বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট অংশীজনের সঙ্গে অর্থবহ আলোচনার সুযোগ পাওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধা থাকলেও, শিক্ষার্থীরা ধীরগতির ওয়াই-ফাই ও দুর্বল মোবাইল নেটওয়ার্কের কারণে চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন। তাদের অভিযোগ, যদিও সংযোগ রয়েছে, তবুও অনেক সময় যথেষ্ট গতি থাকে না।
ছাত্র-ছাত্রীরা জানান, বিদ্যুৎ চলে গেলে ওয়াই-ফাই ২-৩ ঘণ্টা পর্যন্ত আসতে পারে না। এর ফলে অনলাইন ক্লাস, পরীক্ষা, গবেষণা ও অন্যান্য অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটছে। সামান্য বৃষ্টিতেও অনেক সময় ‘নো ইন্টারনেট’ দেখায় বলেও অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা।
প্রভোস্টদের কাছে এই বিষয়টি জানালেও কোন কার্যকর সমাধান পাওয়া যাচ্ছে না। শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারনেটকে ‘কচ্ছপ গতির’ ইন্টারনেট নামে আখ্যা দিয়েছেন।
এক শিক্ষক বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সবখানে ইন্টারনেট ও পাওয়ার পেয়ে থাকেন তারা। কিন্তু কানেকশন খুব দুর্বল। যার ফলে অনলাইন শিক্ষার কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
অভিযোগ রয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়াইফাইয়ের মাধ্যমে ফেসবুকে ন্যূনতম একটি মেসেজ পাঠাতেও সমস্যা হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা জানান, বিদ্যুৎ চলে গেলে নেট আসতে এসে ৪-৫ ঘণ্টার সময় লেগে যায়।
হলের শিক্ষার্থীরা প্রভোস্টের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন ইন্টারনেট সমস্যার বিষয়ে। এছাড়া, মোবাইল নেটওয়ার্কেও তারা নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। বিশেষ করে জিপি ও এয়ারটেল সিমের নেটওয়ার্ক হলে খুব একটিও কাজ করছে না। সেই সঙ্গে ওয়াই-ফাই ইন্টারনেটের সমস্যা এবং মোবাইল নেটওয়ার্কের ভোগান্তি শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক পড়াশুনার পরিবেশকে বিঘ্নিত করছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেদের ৯টি ও মেয়েদের ৬টি আবাসিক হলে ওয়াইফাই সুবিধা দেওয়া হয়েছে। তবে ওয়াইফাইয়ের গতি অত্যন্ত কম। আবাসিক হলে শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করতে গিয়ে ধীরগতির ইন্টারনেটের কারণে সমস্যায় পড়ছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সম্রাট আল হাসান বলেন, হল ব্লকের ওয়াইফাইয়ের পরিস্থিতি খুবই খারাপ, মাঝে মাঝে স্পিড থাকে আবার কখনো তা সম্পূর্ণ অদৃশ্য হয়ে যায়।
শিক্ষকদের ভাষ্যমতে, নানান সমস্যার মধ্যে তারা নিয়মিত অনলাইন মিটিং পরিচালনা করতে পারেন না, যার কারণে স্বাভাবিক অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমে বাধা আসছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক জানান, ইন্টারনেটের স্পিড অত্যন্ত খারাপ।
তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্কও দুর্বল, বিশেষ করে গ্রামীণফোনের। অনলাইনে কার্যক্রম করতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের অভ্যন্তরীণ ওয়াইফাইও ঠিকঠাক কাজ করে না।
এই সমস্যার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রোস্তম আলী বলেন, সার্ভার রুমের সমস্যাগুলোর কারণে বিদ্যুতের ওঠানামার ফলে একাধিক ডিভাইসে সমস্যা দেখা দিয়েছে। বিদ্যুৎ চলে গেলে ডিভাইসটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হতে পারেনা।
তিনি আরো জানান, সমস্যার সমাধানে ঢাকার সংশ্লিষ্ট টেকনিক্যাল টিমের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। তারা আসবে এবং ডিভাইসটি পরীক্ষা করবে। প্রয়োজনে ডিভাইসটির ব্যাকআপ ব্যবস্থা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ : সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ নির্দেশ দিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ে মানসম্মতভাবে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজ সম্পন্ন করতে হবে।
আজ সেতু বিভাগের সম্মেলন কক্ষে, ‘ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প’-এর সার্বিক অগ্রগতি, বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আয়োজিত একটি উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা সভায় তিনি এই নির্দেশনা প্রদান করেন।
মোহাম্মদ আবদুর রউফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সেতু বিভাগ ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, প্রকল্প পরিচালক, প্রকল্প পরামর্শক এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দেশি-বিদেশি প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় প্রকল্পের নানা প্যাকেজের বর্তমান ভৌত ও আর্থিক অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। মাঠপর্যায়ে কাজের বর্তমান অবস্থা, নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এবং আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে সম্পন্ন করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। নির্মাণ কাজের গতি আরও বৃদ্ধি করতে এবং উদ্ভূত যেকোনো জটিলতা দ্রুত সমাধান করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, বর্তমান সরকারের আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আসছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী দিকনির্দেশনা, ঐকান্তিক প্রচেষ্টা, নিয়মিত তদারকি এবং প্রকল্পের আরডিপিপি অনুমোদনের মাধ্যমেই ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মতো মেগা প্রকল্পগুলো সফলভাবে বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে চলেছে।
তিনি আরও জানান, বিশেষ করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রীর সুদূরপ্রসারী নেতৃত্ব ও বলিষ্ঠ পদক্ষেপে দেশের যোগাযোগ অবকাঠামো খাতে নতুন দিগন্তের উন্মোচন হয়েছে।
পরে, সেতু সচিব প্রকল্পের কিছু নির্দিষ্ট চ্যালেঞ্জ দ্রুত সমাধান এবং নির্ধারিত সময় ২০২৮ সালের জুন মাসের মধ্যে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের সুনির্দিষ্ট রূপরেখা প্রদান করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ : জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের প্রতিষ্ঠাতা যুগ্ম সম্পাদক মিজানুর রহমান চৌধুরী মৃত্যুবরণ করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এ এ এম সালেহ শিবলী আজ রাতে বাসসকে এই তথ্য জানিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘মিজানুর রহমান চৌধুরী ১৯৮১ সালের ২৯ মে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সফরসঙ্গী হিসেবে চট্টগ্রাম গিয়েছিলেন এবং তৎকালীন প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ মুহিবুল হাসানের সঙ্গে এক নম্বর কক্ষে অবস্থান করেছিলেন। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হত্যা করার পর মিজানুর রহমান চৌধুরী একটি কাপড় দিয়ে তাঁর (জিয়াউর রহমান) মরদেহ যত্নসহকারে মুড়িয়ে রেখেছিলেন।’
মুখ্যমন্ত্রীর শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
মিজানুর রহমান চৌধুরী (৭৩) বুধবার ভোরে রাজধানীর ইউনিভার্সাল হাসপাতালে (পূর্বে ইউনাইটেড হাসপাতাল) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
তিনি স্ত্রী, দুটি সন্তান এবং পাঁচ নাতি-নাতনি রেখে গেছেন। আজাদ মসজিদে জানাজা শেষে আজ তাকে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা মেডিকেল কলেজসহ চারটি সরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ছাত্রদল নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করেছে।
বৃহস্পতিবার, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছিরের স্বাক্ষরিত পৃথক পাঁচটি বিজ্ঞপ্তিতে এই কমিটিগুলি ঘোষণা করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ৩০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলোর পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশনা রয়েছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের কমিটিতে মো. আব্দুল্লাহ আর রায়হানকে আহ্বায়ক এবং মেশকাত শরীফ ভূঁইয়াকে সদস্যসচিব করা হয়েছে। এছাড়া, কমিটিতে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে জাকারিয়া আশরাফ আশফি দায়িত্ব পালন করবেন। মিনহাজুল আবির ও আব্দুর রাজ্জাককে যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে।
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের কমিটিতে আহ্বায়ক পদে জহিরুল ইসলাম জহির এবং সদস্যসচিব পদে ইফতেখার আহমেদ শিহাব দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছেন। খোন্দকার সিফাত-উল হক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং মো. মহসিন আলী ও মো. আরাফাত রহমান যুগ্ম আহ্বায়ক হতে যাচ্ছেন।
স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের কমিটিতে রানভীন খানকে আহ্বায়ক এবং মাহাথির মুহাম্মদকে সদস্যসচিব করা হয়েছে। সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পদে আবদুল্লাহ আল কাফি দায়িত্ব পেয়ে রয়েছেন। যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে জাহিদ হাসান, সাদীদ আহনাফ, তানজিম ওয়াসেত, মো. মাসুম, নাদিম আঞ্জুম খান ও মো. নাঈম হোসেন বক্তব্য রাখবেন।
ঢাকা ডেন্টাল কলেজ ছাত্রদলের ১৭ সদস্যের কমিটিতে আলভী ওমায়ের মাহমুদকে সভাপতি এবং আহনাফ ইফতেখার ইরামকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। এতে সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে অমিত পাল এবং সহ-সভাপতি হিসেবে মো. আব্দুল মোকাদ্দেম ফাইদ নিযুক্ত হয়েছেন। সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে সাজিদুল হক এবং সাংগঠনিক সম্পাদক পদে আজিজুল হাকিম জিওন নির্ধারিত হয়েছেন।
ঢাকা ডেন্টাল কলেজ ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক পদে মিজানুর রহমান সিফাত, সহ-দপ্তর সম্পাদক পদে মো. ইসতিয়াক আহমেদ, প্রচার সম্পাদক পদে আব্দুল কাদের রুমি, সহ-প্রচার সম্পাদক পদে মাজিদুল আলম, ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক পদে আজরা মাহমুদা হিলারী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মুঈদ চৌধুরী রাফি, স্বাস্থ্য সম্পাদক পদে রাফসান রেজা বাপ্পি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক পদে রকিবুল হাসান রুমি এবং ক্রীড়া সম্পাদক পদে রিপন মিয়া দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছেন। এছাড়া, কমিটিতে সদস্য হিসেবে এমামুল আহসান রাফিম ও সামিনুর রহমান রয়েছেন।
সর্বশেষ ২০১৮ সালের ১৮ জুলাই ঢাকা মেডিকেল কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও ঢাকা ডেন্টাল কলেজ ছাত্রদলের কমিটি গঠন করা হয়েছিল। ঐ সময় ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি কারা ছিলেন গোলাম মোর্শেদ সজীব এবং সাধারণ সম্পাদক ছিলেন সাইফুল ইসলাম বাদশা। শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি হয়েছিল তাওহীদুল ইসলাম সৈকত এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছিল ইমরান হোসেন। আর ঢাকা ডেন্টাল কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি হয়ে গিয়েছিল মাজহারুল ইসলাম জাহিদ এবং সাধারণ সম্পাদক হয়ে গিয়েছিল মো. নকিবুল হাসান। কেননা পরে, ২০২০ সালের ২৪ জুলাই স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের কমিটি গঠন করা হয় যেখানে আহ্বায়ক হন মেহেদি হাসান সাকিব এবং সদস্যসচিব হন সাদ বিন নেওয়াজ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ