০৯:৪১ পি.এম
দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের উদীয়মান প্রবণতা’ শীর্ষক একটি সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এই সিম্পোজিয়ামে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ৭০ জন শিক্ষক ও টেকনিক্যাল কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।
বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়াম-২ এ হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিলের (বিইপিআরসি) যৌথ উদ্যোগে এ সিম্পোজিয়ামের আয়োজন করা হয়।
আরও পড়ুন: ছুটি ছাড়াই ৪২ শিক্ষককে নিয়ে কক্সবাজার ভ্রমণে দুই সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা
সিম্পোজিয়ামে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিইপিআরসির চেয়ারম্যান (সিনিয়র সচিব) মোহাম্মদ ওয়াহিদ হোসেন এনডিসি বলেন, "দেশের টেকসই উন্নয়ন ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের কোনো বিকল্প নেই। গবেষণাভিত্তিক সমাধানের মাধ্যমে দেশের জ্বালানি খাতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করা সম্ভব।"
তিনি বলেন, "বর্তমান সরকার পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী ও অঞ্চলকে উন্নয়নের মূলধারায় আনতে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং গবেষণালব্ধ জ্ঞানকে বাস্তবে প্রয়োগ করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক ও উদ্ভাবকদের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। বাণিজ্যিক সম্ভাবনাময় গবেষণার ক্ষেত্রে বিইপিআরসি প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।"
সিম্পোজিয়ামের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও हাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এনাম উল্লাহ বলেন, "নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বিদ্যুৎ খাতের আধুনিকায়ন এবং প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন টেকসই উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তি। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে একটি শক্তিশালী গবেষণা উইং গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।"
তিনি উল্লেখ করেন, "প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে হলে প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং সবুজ জ্বালানি উৎপাদনে গবেষণার বিকল্প নেই। হাবিপ্রবিতে গবেষণার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে এ ক্ষেত্রকে আরও সমৃদ্ধ করতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের গবেষণায় সহায়তা প্রদানের জন্য বিইপিআরসির প্রতি আহ্বান জানান তিনি।"
আরও পড়ুন: হামের টিকা বিতরণে অনিয়মের তদন্তে তিন সদস্যের কমিশন গঠন
উপাচার্য আরও বলেন, "এ ধরনের সিম্পোজিয়াম নতুন ধারণা, গবেষণা সহযোগিতা এবং উদ্ভাবনী সমাধান বিনিময়ের কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। জ্ঞানভিত্তিক এই উদ্যোগ গবেষণা, শিল্পখাত ও নীতিনির্ধারণে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এবং স্মার্ট ও সবুজ বাংলাদেশ গঠনে তরুণ গবেষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সহায়তা করবে।"
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাবিপ্রবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম সিকদার এবং বিইপিআরসির সদস্য (ইনোভেশন) অতিরিক্ত সচিব ড. মো. রফিকুল ইসলাম।
সিম্পোজিয়ামে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউএসি পরিচালক অধ্যাপক ড. সাইফুল হুদা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্যাথলজি অ্যান্ড প্যারাসাইটোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. গাউসুর রহমান।
আরও পড়ুন: এইচএসসির খাতা পুনর্মূল্যায়ন আবেদনের সময়সীমা বৃদ্ধি, ২ লাখ ৭৮ হাজার ৮৮২ শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন