০৫:৩৪ পি.এম
কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়ায় ভয়াবহ দুর্যোগ দেখা দিয়েছে। প্রদেশটিতে দ্রুতগতিতে দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে প্রদেশটির কর্তৃপক্ষ। বাসিন্দাদেরকে দুটি শহর ও এর আশেপাশের এলাকা থেকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এরই মধ্যে ২০ হাজার মানুষকে সরে নেওয়া হয়েছে।
রোববার (৯ আগস্ট) মার্কিন বার্তাসংস্থা এপি’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্রিটিশ কলম্বিয়ায় একযোগে ১০০টিরও বেশি সক্রিয় দাবানল চলমান রয়েছে। প্রাণহানি এড়াতে ব্রিটিশ কলম্বিয়ার প্রাদেশিক প্রধান ডেভিড ইবি জরুরি অবস্থার ঘোষণা করেছেন। তীব্র তাপদাহ, শুষ্ক ঝড়ো হাওয়া এবং দীর্ঘস্থায়ী খরার কারণে দাবানল এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।
দাবানলের কারণে ওকানাগান লেক অববাহিকার বিভিন্ন এলাকা থেকে বাসিন্দাদেরকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়া নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এ পর্যন্ত সামারল্যান্ড শহরে বসবাসকারী ১২ হাজার এবং পার্শ্ববর্তী পিচল্যান্ডসহ আশপাশের এলাকা থেকে প্রায় আট হাজার বাসিন্দাকে জরুরি ভিত্তিতে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: এইচএসসির খাতা পুনর্মূল্যায়ন আবেদনের সময়সীমা বৃদ্ধি, ২ লাখ ৭৮ হাজার ৮৮২ শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন
প্রাদেশিক প্রধান ডেভিড ইবি বলেন, বহু পরিবার অকল্পনীয় ও দুঃসহ দিন পার করছে। তারা ঘরবাড়ি হারিয়েছে এবং অনেক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। বহু মানুষ নিজেদের প্রিয়জনদের খবরের জন্য অপেক্ষা করছে।
ফায়ার সার্ভিসের দাবানল অপারেশন পরিচালক ক্লিফ চ্যাপম্যান জানান, সড়কপথ বন্ধ হওয়ায় বহু মানুষ নিরাপদ স্থানে যেতে পারছে না। তাদের উদ্ধারের জন্য আকাশপথে হেলিকপ্টার পাঠানো হয়েছে।
দাবানল মোকাবেলায় নিয়োজিত সংস্থাগুলোর মধ্যে সহযোগিতা না থাকলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারতো বলে জানিয়েছেন চ্যাপম্যান। শনিবার রাতের প্রথম শনাক্ত ‘বল্ড রেঞ্জ’ দাবানলটি কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রায় ৫০ বর্গকিলোমিটার (১৯ বর্গমাইল) এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের আতঙ্কে প্রথমে ফল্ডার নামে একটি জনপদ সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায় এবং পরে দ্রুত দাবানলটি প্রায় ১৫ কিলোমিটার (৯ মাইল) পথ পেরিয়ে সামারল্যান্ড শহরের কাছাকাছি পৌঁছায়।
আরও পড়ুন: টেকনাফে মানবপাচারকারীদের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল যৌথ বাহিনী
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন