প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সংবিধান সংশোধনের উদ্দেশ্যে জাতীয় সংসদে ১২ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সোমবার (১৩ জুলাই) চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মণি যখন সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব সংসদে উত্থাপন করেন, তখন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সেই প্রস্তাব কণ্ঠভোটে গৃহীত হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে গঠিত এ বিশেষ কমিটির মধ্যে বর্তমানে ১২ জন সদস্য রয়েছেন। তবে বিরোধী দলের সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে কমিটিকে ১৭ সদস্যে পুনর্গঠনের সুযোগ রাখা হয়েছে।
কমিটিতে সরকারি দলের সঙ্গে বিএনপির পাশাপাশি বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), গণসংহতি আন্দোলন, গণঅধিকার পরিষদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং একজন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বিএনপি দলীয় সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ (কক্সবাজার-১), চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মণি (বরগুনা-২), আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান (ঝিনাইদহ-১), জয়নুল আবেদীন (বরিশাল-৩), প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন (চট্টগ্রাম-৫), প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন (নাটোর-১), মাহমুদুল হক রুবেল (শেরপুর-৩) এবং সংরক্ষিত মহিলা আসন-৮-এর সদস্য শাকিলা ফারজানা।
অন্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন- গণসংহতি আন্দোলনের প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬), বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালীব রহমান (ভোলা-১), গণঅধিকার পরিষদের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক (পটুয়াখালী-৩) এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. অলি উল্লাহ (বরগুনা-১)।
বিলের ওপর আলোচনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকার পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিলের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছে।
বিরোধী দলের ‘দুই শপথ’ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমান সংসদ বিদ্যমান সংবিধান অনুসারে নির্বাচিত হয়েছে এবং সংসদের অধিবেশনও সেই অনুযায়ী আহ্বান করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, 'যদি কেউ বলে তারা দুইবার শপথ নিয়েছেন, তাহলে আমরা তেমন কোনো দ্বিতীয় শপথ নিইনি। সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার কোনো সাংবিধানিক বা আইনগত ভিত্তি নেই।'
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, গণভোটের মাধ্যমে জনগণ যে রায় দিয়েছে, সরকার সেই রায় সম্মান করতে চায়। তবে সেই রায় কার্যকর করার জন্য আগে সংবিধান সংশোধন প্রয়োজন।
তিনি উল্লেখ করেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদ-সংক্রান্ত যেকোনো বিষয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজন হলে তা সংবিধান সংশোধন বিষয়ক বিশেষ কমিটিতে আলোচনা করা যেতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন