বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৮:১৬ এম
কুয়েতে মানগাফ এলাকার একটি সড়ক দুর্ঘটনায় আবদুর রউফ মোল্লা নামে একজন প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু ঘটেছে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাত ১০টা আন্তর্জাতিক সময়ের পর মানগাফ এলাকায় ফায়ার সার্ভিসের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আবদুর রউফ কুয়েতের আল তুয়েক কোম্পানির পরিচ্ছন্নতা কর্মচারী হিসেবে কাজ করছিলেন। তার জন্মস্থান মাগুরা জেলার মোহাম্মদপুর থানার রাজাপুর ইউনিয়নে।
নিহতের মেয়ের জামাই মনিরুল ইসলাম জানায়, আবদুর রউফ দীর্ঘ সময় ধরে আল তুয়েক কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে বাসায় ফেরার পথে একটি দ্রুতগতির গাড়ি তাকে ধাক্কা দেয়, যার ফলে তিনি গুরুতরভাবে আহত হন। পরে তাকে হাসপাতালে প্রবেশ করানো হলে, সেখানে তার মৃত্যু ঘটে।
বর্তমানে নিহতের মরদেহ একটি মর্গে রাখা হয়েছে। সোবাহান হাসপাতালের মর্গে রয়েছে তার মরদেহ। আইনি প্রক্রিয়ার কাজ চলমান রয়েছে এবং দ্রুততার সঙ্গে মরদেহ দেশে পাঠানোর কাজ করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার আশুলিয়ায় এক প্রবাসীর স্ত্রীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার পর একই ঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে আশুলিয়া ইউনিয়নের শ্রীখণ্ডীয়া এলাকার একটি বাড়ি থেকে নারী ও পুরুষের মরদেহ উদ্ধারের পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছেন আশুলিয়ার শ্রীখণ্ডীয়া এলাকার মাদানী মণ্ডলের ছেলে বাড়ির মালিক নজরুল ইসলাম (৪৭)। নিহত জামাল মোল্লার মেয়ে রেখা আক্তার (৩২)। স্থানীয়দের মতে, রেখা আক্তারের স্বামী দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে থাকেন। পুলিশ জানায়, বুধবার দুপুরে গলায় রশি প্যাঁচানো অবস্থায় নজরুল ইসলাম (৪৭) এবং ছুরিকাঘাতে নিহত রেখা আক্তারের (৩২) লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকার সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে এ পর্যন্ত এ জোড়া খুনের রহস্য উন্মোচিত হয়নি। আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, একই ঘরের ভেতর দরজায় খিল আটকানো অবস্থায় লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি বলেন, নিহত রেখা আক্তারের স্বামী প্রবাসে থাকায় বাড়িওয়ালা নজরুল ইসলামের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন। তবে হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে পুলিশ কোনো ক্লু বের করতে পারেনি। তরিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। স্বজনরা এলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এতদিন দেশের গ্রাম বা মফস্বল এলাকার উপর ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের খবর পাওয়া যাচ্ছিল। কিন্তু এখন সেই চিরচেনা লোডশেডিং সমস্যা ঢাকায়ও আক্রমণ করেছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) দিবাগত রাতে, ঢাকার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারা গেছে, আজ কয়েকবার বিদ্যুৎ বিভ্রাট হয়েছে।
কিছু স্থানে একটানা এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ ছিল না, আবার কিছু কিছু এলাকায় একাধিকবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে করে তীব্র গরমের মধ্যে নগরবাসী গুরুতর ভোগান্তিতে পড়েন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ভুক্তভোগীদের স্ট্যাটাসে এই যন্ত্রণার চিত্র পরিষ্কারভাবে ফুটে উঠেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাবরিনা আফরিন নামে এক ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন, "গ্রাম ছেড়ে লোডশেডিং এখন ঢাকায়।"
আশিক খান নামের একজন লিখেছেন, "রাত ৩টা বাজে, সারাদিনের ক্লান্ত শরীরগুলো ঘুমাচ্ছে, বিদ্যুৎ বন্ধ করে দিসে। গভীর রাতে ঘুম থেকে উঠে পাঙ্খা দিয়া বাতাস করতাছি আর ভাবতাছি এ কোন পাপের ফল? এ কোন সোনার বাংলায় জন্ম নিলাম যেখানে নাগরিক ঘুমাইয়াও শান্তি পায় না।"
সিফাত আরিয়ান লিখেছেন, "সকালে বেরিয়ে সারাদিন দৌড়ঝাঁপ করে রাত সোয়া ১১ টায় আমি যখন বাসায় আসলাম, তখন বিদ্যুৎ চলে গেল।"
এদিকে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির তথ্য অনুযায়ী, ১২ আগস্ট রাত ৯টায় (সন্ধ্যা পিক) বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে ১৬ হাজার ৯৩ মেগাওয়াট। আর দুপুর ১২টায় (ডে পিক) বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে ১৪ হাজার ৬৩৫ মেগাওয়াট।
যাহোক, ডে পিকে আদানি থেকে ৯৩১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ এলেও সন্ধ্যা পিকে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৩০ মেগাওয়াটে। সামগ্রিকভাবে সারাদেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৮ হাজার মেগাওয়াটের বেশি। সেই হিসাবে রাতেও ২ হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ লোডশেডিং দিতে হয়েছে।
এতদিন গ্রাম ও মফস্বল এলাকায় লোডশেডিংয়ের মাত্রা বেশি থাকলেও এবার রাজধানীতেও এর বিস্তৃতি নগরবাসীর মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে। তীব্র গরমের মধ্যে ঢাকায়ও ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় জনজীবনে দুর্ভোগ বেড়েছে।
তবে ঢাকার DESCO ও DPDC এলাকায় জাতীয় ঘাটতির প্রভাব তুলনামূলক কম হলেও ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বুধবার থেকে দীর্ঘ লোডশেডিংয়ের খবর পাওয়া যাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খাগড়াছড়ি শহরের চেঙ্গী স্কয়ার এলাকা থেকে পাঁচবস্তা গুইসাপসহ প্রেমরাছো মারমা (৪৭) নামে এক নারীকে আটক করা হয়েছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার সময় শহরের চেঙ্গী স্কয়ার এলাকায় তাকে আটক করা হয়।
আটক প্রেমরাছো মারমা খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার কুরাদিয়াছড়া গ্রামের অংগিও মারমার স্ত্রী।
আটক নারী জানিয়েছেন, তিনি চট্টগ্রামের বারইয়ারহাট থেকে ২২ হাজার টাকা দিয়ে গুইসাপগুলো কিনেছিলেন এবং সেগুলো বিক্রির জন্য খাগড়াছড়িতে নিয়ে এসেছিলেন। স্থানীয় বাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে এগুলো আনা হয়েছিল। প্রতি কেজি গুইসাপের দাম প্রায় ৪০০ টাকা বলে তিনি জানান।
খাগড়াছড়ি বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. ফরিদ মিঞা জানিয়েছেন, পাঁচ বস্তায় মোট ২৪টি গুইসাপ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১০টি জীবিত এবং ১৪টি মৃত্যুতে প্রকৃতে ছিল। জীবিত গুঁইসাপগুলো আলুটিলার প্রাকৃতিক বনে অবমুক্ত করা হয়েছে। মৃত গুঁইসাপগুলোকে মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে।
বন বিভাগের সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বন্যপ্রাণী ধরা, পরিবহন ও বিক্রির মতো কর্মকাণ্ড জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
দুর্জয় গোস্বামী জানিয়েছেন, আটক প্রেমরাছো মারমাকে খাগড়াছড়ি সদর থানায় পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বর্তমানে অপারেশনাল কাজে অনুপযুক্ত র্যাবের ডগ স্কোয়াডের প্রশিক্ষিত আটটি কুকুর নিলামে বিক্রি করা হয়েছে। এই নিলামে একটি কুকুরের সর্বোচ্চ দাম উঠেছে ২৬ হাজার টাকা।
বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে মিরপুর-১৪ পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত উন্মুক্ত নিলামে এসব কুকুরের সর্বনিম্ন দাম উঠেছে ৫ হাজার টাকা, আর সর্বোচ্চ দাম উঠেছে ২৬ হাজার টাকা।
বিক্রি হওয়া আটটি কুকুরের মধ্যে পাঁচটি ল্যাবরেডর ও তিনটি জার্মান শেফার্ড জাতের। যার মধ্যে পাঁচটি পুরুষ কুকুর ও তিনটি মেয়ে কুকুর রয়েছে।
র্যাবের মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী জানিয়েছেন, এক একটি কুকুরের সর্বনিম্ন ৫ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ২৬ হাজার টাকা পর্যন্ত বিড ছিল। সঙ্গে বিক্রয় মূল্যের ওপর শতকরা ১০ ভাগ আয়কর এবং ১৫ ভাগ ভ্যাট যুক্ত হবে। এ হিসাব অনুযায়ী, ৫ হাজার টাকার বিড ওঠা কুকুরের দাম হবে ৬ হাজার ২৫০ টাকা এবং ২৬ হাজার টাকা বিড ওঠা কুকুরের জন্য ক্রেতাকে দিতে হবে ৩২ হাজার ৫০০ টাকা।
তিনি আরও জানান, ইতোমধ্যে আটটি কুকুর নিলামের মাধ্যমে বিক্রি হয়ে গেছে। কুকুরগুলোর বয়সজনিত কারণে তাদের অনুসন্ধান সক্ষমতা হ্রাস পাওয়ায় এবং র্যাবের ডগ স্কোয়াডের অভিজাতিক সক্ষমতা অক্ষুণ্ন রাখার জন্যই এই নিলামের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, নিলামে বিক্রি হয়ে যাওয়া প্রতিটি কুকুরের নাম রয়েছে। ল্যাবরেডর জাতের তিনটি পুরুষ কুকুরের নাম ডিলন, ডিগবি, ইভান; একই জাতের দুটি মেয়ে কুকুরের নাম ডন এবং হেইডি জুনিয়র। জার্মান শেফার্ড জাতের দুটি পুরুষ কুকুরের নাম উইংক এবং নেরো; একই জাতের একমাত্র মেয়ে কুকুরটির নাম এলমা। জার্মান শেফার্ড উইংক এই আটটি কুকুরের মধ্যে সবচেয়ে ছোট, তার বয়স ৬ বছর ৭ মাস ১১ দিন। অন্যদিকে, এই দলের সবচেয়ে বয়স্ক কুকুর ল্যাবরেডর ডিলন, যার বয়স ৮ বছর ৩ মাস ২৭ দিন।
এসব কুকুরের ক্রেতা কারা ছিলেন, সে বিষয়ে র্যাবের পক্ষ থেকে কোনো তথ্য প্রদান করা হয়নি। তবে নিলামে বিক্রি শেষ হলেও ক্রেতাদের আগামী তিনদিনের মধ্যে আয়কর এবং ভ্যাট পরিশোধ করে কুকুরগুলো নিয়ে যেতে বলা হয়েছে, এ তথ্য প্রদান করেছেন ইন্তেখাব চৌধুরী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ