০১:০৪ এম
মাদারীপুর সদর থানায় আনা দুই আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশের দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার অভিযোগে আরও পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার রাতে শহরের পুরাতন বিসিক শিল্পনগরী এলাকা থেকে শহরের বাদামতলা এলাকার সবুজ এবং নতুন মাদারীপুর এলাকার আরিফ চৌকিদারকে আটক করে মাদারীপুর সদর থানা পুলিশ। পুলিশের দাবি, সবুজ একটি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আরিফ চৌকিদারকে আটকের কারণ জানতে চাইলে স্থানীয়রা তাঁর নামে থাকা ওয়ারেন্ট দেখতে চান। এ নিয়ে পুলিশ ও স্থানীয়দের মধ্যে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ছয় গ্রাম পুনর্বহালের দাবিতে কাফনের কাপড় মাথায় রেলপথ-সড়ক অবরোধ, বন্ধ ট্রেন চলাচল
পরে পুলিশ আটক দুই ব্যক্তিকে সদর থানায় নিয়ে আসে। এ সময় পুলিশের পিকআপ ভ্যানে স্বেচ্ছায় আরও চার থেকে পাঁচজন যুবক উঠে বসেন বলে জানা যায়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, থানায় আনার পথে এবং পরবর্তীতে দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার অভিযোগে পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা হলেন— শান্ত ঢালী (২০), সালমান ঢালী (১৯), আবির ঢালী (১৯), আজিম ঢালী (১৮) এবং সাহেব বেপারী (১৭)। তাঁদের সবার বাড়ি নতুন মাদারীপুর এলাকায়।
এদিকে আটক দুই ব্যক্তিকে ছাড়িয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে তাঁদের স্বজন ও সমর্থকরা সদর থানার সামনে জড়ো হওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সদর থানাকে ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পুরো থানা এলাকায় নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তোলা হয়।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। তবে পরিস্থিতি বর্তমানে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
আরও পড়ুন: সাংগঠনিক অবদানের স্বীকৃতি, সম্মাননা পেলেন নাসিরনগর প্রেসক্লাবের সভাপতি-সম্পাদক
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন