প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান জানিয়েছেন, ফিলিস্তিনকে সমর্থন করা সমগ্র মানবজাতির, বিশেষ করে মুসলিম বিশ্বের, অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তিনি বুধবার (১২ আগস্ট) আঙ্কারার প্রেসিডেন্ট ভবনে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে মন্তব্য করেন।
এরদোয়ান বলেন, তুরস্ক সব প্ল্যাটফর্মে ফিলিস্তিনিদের অধিকার রক্ষায় জোরালো ভূমিকা পালন অব্যাহত রাখবে। তিনি প্রেসিডেন্ট পদ থেকে নেতানিয়াহুর সরকারের দখলীকৃত পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে অবৈধ কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করেন, যা বিশ্বের সামনে সংঘটিত হচ্ছে। এর মাধ্যমে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বাধীনতা ধ্বংসের চেষ্টার কথা জানান।
এছাড়া, এরদোয়ান বলেন, ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে পরামর্শ করে দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের পদ্ধতির ভিত্তিতে ফিলিস্তিনের দাবিকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য তুরস্ক কাজ করবে। তিনি বলেন, দখল, জোরপূর্বক উচ্ছেদ এবং ভূমি দখলের নীতি ক্রমাগত তীব্রতর হচ্ছে। জাতিসংঘের তথ্য উদ্ধৃত করে প্রেসিডেন্ট জানান, ২০২৬ সালে প্রায় ৩ হাজার ৮০০ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এবং প্রায় ১০০ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। তিনি এই অবস্থাকে একটি ‘পরিকল্পিত দখলদারিত্ব’ হিসেবে বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।
তিনি আরো বলেন, নেতানিয়াহু সরকার বিশৃঙ্খলা ও নতুন সংঘাতকে কাজে লাগিয়ে ফিলিস্তিনকে বৈশ্বিক আলোচ্যসূচি থেকে সরিয়ে দিতে চায়, তবে তারা এ বিষয়টি সফল হবে না। আমাদের প্রথম কিবলা আল-আকসা মসজিদ এবং অন্যান্য পবিত্র স্থানগুলোর স্থিতাবস্থা পরিবর্তনের লক্ষ্যে পরিচালিত উসকানির আমরা বিশেষভাবে তীব্র বিরোধিতা করছি।
এরদোয়ান পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন ও অখণ্ড ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের পক্ষে আঙ্কারার অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি গাজার পুনর্গঠন কাজ শুরু করা এবং আল আকসা মসজিদসহ পবিত্র স্থানগুলোর বর্তমান স্থিতি বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তার উপরও জোর দেন। একইসঙ্গে, তিনি ফিলিস্তিনে আইনসভা ও প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন