০৫:৪৯ পি.এম
হারারে টেস্টের পঞ্চম দিনে বাংলাদেশের অবস্থান বেশ হতাশাজনক। ব্যাটারদের ব্যর্থতার কারণে বাংলাদেশের ইনিংস মাত্র ১৪০ রানে শেষ হয়। এরপর টাইগার বোলাররাও প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সুবিধা পাচ্ছেন না।
সোমবার, জিম্বাবুয়ে ১ উইকেটে ১৩৬ রানে দ্বিতীয় দিন শুরু করে। দিনের শুরু থেকেই বাংলাদেশের বোলারদের ওপর আক্রমণ হানতে থাকেন অতিথি ব্যাটাররা। ইনোসেন্ট কাইয়া তার ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি অর্জন করেন। অন্য প্রান্তে ব্রায়ান বেনেটও ছিলেন উজ্জ্বল, তিনি আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন। দুটি ব্যাটারই বড় লিডের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন।
তবে লাঞ্চ বিরতির পর মাঠে ফিরে প্রথম উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। ব্রায়ান বেনেটকে আউট করে ১০৭ রানের জুটি ভাঙেন তাইজুল ইসলাম। ৬৭ বলে ৫৯ রান করে সাজঘরে ফেরান বেনেট। তখন জিম্বাবুয়ে ২৫০ রানে তাদের তৃতীয় উইকেট হারায়।
আরও পড়ুন: মঞ্জু: ৫ আগস্টও এনে দিয়েছে ফ্যাসিস্ট শাসন থেকে মুক্তি
তারপর সফরকারী দলের সেঞ্চুরি তুলে নেওয়া ইনোসেন্ট কাইয়াকেও আউট করেন তাইজুল। তিনি ২২৭ বলের মোকাবেলায় ১৪০ রান করেন। পর পর দুই সেটেল ব্যাটসম্যানকে আউট করে জিম্বাবুয়ের গতি কিছুটা রোধ করেন তাইজুল।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত জিম্বাবুয়ে ৪ উইকেট হারিয়ে ২৭৯ রানে পৌঁছেছে।
এর আগে রবিবার প্রথম ইনিংসে খেলার শুরু থেকেই দুর্দান্ত শুরু করে জিম্বাবুয়ের দুই ওপেনার ইনোসেন্ট কাইয়া ও বেন কারান। তাঁরা খেলেন ওয়ানডে মেজাজে। ৮৯ রানে প্রথম উইকেট হারিয়ে যায় জিম্বাবুয়ে। বেন কারান ৫১ বলে ৪২ রান সংগ্রহ করে সাজঘরে ফেরেন। তার আউটের পর দিনটির শেষ পর্যন্ত খেলেন ইনোসেন্ট কাইয়া এবং ব্রেন্ডন টেইলর। জিম্বাবুয়ে প্রথম দিনের শেষে ১ উইকেটে ১৩৬ রানে নিজেদের ইনিংস বন্ধ করে।
রবিবার টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের শুরুটা ছিল খুবই দুর্বল। ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় ১৭ বলে ২ রান করে দলকে দ্রুত উদ্বেগে ফেলেন। মাত্র ৬ রানে বাংলাদেশের প্রথম ধাক্কা আসে।
আরও পড়ুন: পলাতক আওয়ামী ফ্যাসিস্টরা দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে: এমপি রানু
কিন্তু কিছুটা নিজের প্রতিরোধ গড়ে তোলেন সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হক। দু’জন মিলে ৩০ রানের একটি জুটি গঠন করেন তবে দলীয় ৩৬ রানে ২০ রান করে আউট হন সাদমান।
পরে মুমিনুল হক ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ৭৭ রানের একটি গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ার চেষ্টা করেন। তবে, তারা দলের ১১৩ রানে ৮১ বলে ৬০ রান করায় যেভাবে দলকে ফিরিয়ে নিয়ে আসা হয় সেটি সফল হয় না। নিউম্যান নিয়ামহুরির বলে তিনি আউট হন।
এরপর, শান্ত ৭৩ বলে ১৯ রান করে ফিরে যান। অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিমের কাছ থেকে প্রত্যাশা ছিল কিন্তু তিনি রিচার্ড এনগারাভার বল থেকে বোল্ড হয়ে দ্রুত বিদায় নেন।
তার আউটের পর বাংলাদেশের ইনিংসে আর দাঁড়াতে পারেননি কেউ। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে তারা ১৪০ রানে গুটিয়ে যায়। জিম্বাবুয়ের হয়ে নিউম্যান নিয়ামহুরি তুলে নেন ৪ উইকেট।
আরও পড়ুন: সবার আগে বাংলাদেশ, দিল্লি বা পিন্ডি নয়: প্রধানমন্ত্রী
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন