শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:১৮ পি.এম
ইসরাইলের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মোশে ইয়ালন দেশটির বিরোধী ব্লগের প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, ইসরাইলের পরবর্তী সরকার গঠনে আরব দলের নেতা মনসুর আব্বাসকে একজন মন্ত্রী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।
দ্য টাইমস অব ইসরাইলের একটি লাইভব্লগ প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
বিরোধী দলগুলোর প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়ে ইয়ালন বলেন, রাজনৈতিক সমীকরণ ও ভবিষ্যতের সরকার পরিচালনার স্বার্থে আরব নাগরিকদের প্রতিনিধিত্বকারী রাম (Ra'am) পার্টির প্রধান মনসুর আব্বাসকে মন্ত্রিসভায় যুক্ত করা অত্যন্ত বিচক্ষণ ও দূরদর্শী সিদ্ধান্ত হবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইসরাইলের রাজনীতিতে আরব দলগুলোর ভূমিকা দিন দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে এবং ইয়ালনের এই মন্তব্য ইসরাইলি রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার ৮ নম্বর বিশকাকুনি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপ্রত্যাশী আলহাজ্ব হাফেজ মোঃ আবু হানিফ। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী নবীন দলের কেন্দ্রীয় কমিটির ধর্মবিষয়ক সম্পাদক ও একজন ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত আবু হানিফ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন। ব্যক্তিগত উদ্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর নানা কর্মকাণ্ডের কারণে স্থানীয় পর্যায়ে তাঁকে নিয়ে আলোচনা রয়েছে বলে দাবি তাঁর।
স্থানীয় মানুষের ভাষ্য ও তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতরে অসহায় মানুষের মধ্যে পোশাক বিতরণ এবং ঈদুল আজহায় আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছেন তিনি। এ ছাড়া এলাকার বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে আর্থিক সহযোগিতা করেছেন।
আবু হানিফের উদ্যোগে নিজ গ্রামে ১৪ শতাংশ জমি কিনে তিনতলা ভবন নির্মাণের উপযোগী ভিত্তির ওপর একতলা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। ইউনিয়নের ৮০টির বেশি মসজিদ ও ২০টির বেশি মাদ্রাসায় আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন বলে জানান তিনি। পাশাপাশি দুটি গ্রামের ঈদগাহ মাঠে নামাজের কাতারের জায়গা পাকা করার কাজে সহযোগিতা করেছেন।
বর্ষা মৌসুমে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়া বিভিন্ন সড়কে বালু ও পাথরের খোয়া ফেলে চলাচলের উপযোগী করার উদ্যোগও নিয়েছেন তিনি। সারিচাতলা বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে নিজ অর্থায়নে দুটি গোলপোস্ট স্থাপন করেছেন। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা এবং শীতকালীন ইসলামি মাহফিলেও আর্থিক সহায়তা দিয়ে থাকেন।
করোনাকালীন সংকটে খাদ্যসামগ্রী বিতরণের পাশাপাশি প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেন আবু হানিফ। তাঁর দাবি, ইউনিয়নের অনেক পক্ষাঘাতগ্রস্ত রোগীর চিকিৎসার জন্যও তিনি সহায়তা করেছেন। এ ছাড়া ব্যক্তিগত অর্থায়নে একটি অ্যাম্বুলেন্স কিনে এলাকার মানুষের বিনা মূল্যে ব্যবহারের জন্য ব্যবস্থা করেছেন বলে জানান তিনি।
২০২৪ সালে সরকার পতনের পর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় দায়িত্ব পালনকারী শিক্ষার্থীদের জন্য দুপুরের খাবার, পানি ও স্যালাইনের ব্যবস্থা করেছিলেন বলেও জানান আবু হানিফ। এ ছাড়া বিভিন্ন স্থানে প্রজেক্টর ও ৩২ ইঞ্চি টেলিভিশনের ব্যবস্থা করে ফুটবল বিশ্বকাপসহ বিভিন্ন খেলা একসঙ্গে দেখার সুযোগ তৈরিতে উদ্যোগী হন তিনি।
আবু হানিফ বলেন, মানুষের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানোকে তিনি নিজের দায়িত্ব মনে করেন। ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কাজ অব্যাহত রাখতে চান। তাঁর কাছে কেউ সাহায্য-সহযোগিতার জন্য এলে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করার চেষ্টা করবেন বলেও আশ্বাস দেন তিনি।
চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন পেলে ইউনিয়নের উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে আরও বেশি কাজ করতে চান আবু হানিফ। তাঁর ভাষ্য, এলাকার মানুষের পাশে থেকে বিশকাকুনি ইউনিয়নকে একটি উন্নত ও বাসযোগ্য জনপদ হিসেবে গড়ে তোলাই তাঁর লক্ষ্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইবাদত-বন্দেগি, জিকির-আজকার এবং দ্বীনি আলোচনার মধ্য দিয়ে নীলফামারী সদর উপজেলার ঐতিহাসিক দারোয়ানী টেক্সটাইল মিল মাঠে অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমা। দ্বীনের দাওয়াত ও ইসলামের সুমহান আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে এই মহাসমাবেশে অংশ নিয়েছেন দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা লাখো ধর্মপ্রাণ মুসল্লি।
একই ছাদের নিচে ঈমানী আবহ সৃষ্টি করতে আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকেও যুক্ত হয়েছেন ধর্মপ্রাণ মেহমানরা। আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, মরক্কো, নাইজেরিয়া, সুদান ও সৌদি আরবসহ বিশ্বের ৬টি দেশের ১২ জন বিদেশি নাগরিক এই আঞ্চলিক ইজতেমায় উপস্থিত থেকে দ্বীনের কাজ পরিচালনা করছেন।
দিনভর ইবাদত ও দ্বীনি বয়ান:
ইজতেমার মূল কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকেই প্রতিদিন ফজর থেকে এশা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলছে মূল মঞ্চের আলোচনা। দেশ-বিদেশের খ্যাতনামা ওলামায়ে কেরামগণ পবিত্র কোরআন ও হাদিসের আলোকে মানবকল্যাণ, আত্মশুদ্ধি, দৈনন্দিন জীবনে ইসলামের নৈতিক মূল্যবোধের চর্চা এবং বিশ্বময় দ্বীনের দাওয়াত ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর বিস্তারিত বয়ান পেশ করছেন।
আজ শুক্রবার জুমার নামাজকে কেন্দ্র করে ইজতেমা ময়দান কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। মূল প্যান্ডেল ছাড়িয়ে মহাসড়ক ও আশেপাশের খোলা মাঠেও পলিথিন ও চাটাই বিছিয়ে নামাজে শরিক হন লাখো মুসল্লি। জুমার খুতবায় ঐক্যবদ্ধ মুসলিম উম্মাহ গড়া ও বিশ্বশান্তির বাণী পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
শনিবার ১১টায় আখেরি মোনাজাত:
জেলা তাবলিগ জামায়াতের পরিচালনা কমিটি সূত্রে জানা গেছে, আগামীকাল ৩১ অক্টোবর (শনিবার) বেলা ১১টায় আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে তিন দিনব্যাপী এই ইজতেমার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটবে। মোনাজাতে দেশ, জাতি ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনার পাশাপাশি বিশ্ব শান্তির জন্য খাস দোয়া করা হবে। আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে শনিবার ভোর থেকেই আশেপাশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে আরও বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগম ঘটবে বলে ধারণা করছেন আয়োজকরা।
নিচ্ছিন্দ্র নিরাপত্তাব্যবস্থা:
ইজতেমা ঘিরে পুরো দারোয়ানী টেক্সটাইল মিল এলাকা ও আশপাশের আঞ্চলিক মহাসড়কে জোরদার করা হয়েছে কঠোর নিরাপত্তাবলয়। নীলফামারীর পুলিশ সুপার মো. ফরহাদ হোসেন খান জানিয়েছেন, মুসল্লিদের নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে যাতায়াত এবং অবস্থান নিশ্চিত করতে পুরো এলাকাকে দুটি বিশেষ সেক্টরে ভাগ করে ১৮৪ জন সশস্ত্র পুলিশ সদস্য নিয়োজিত রাখা হয়েছে।
এছাড়া পোশাকধারী পুলিশের সাথে সার্বক্ষণিক তৎপর রয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি), সাদা পোশাকের নজরদারি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর স্পেশাল টিম। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি বা স্বাস্থ্যসেবার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে মেডিক্যাল টিম ও ফায়ার সার্ভিসের বিশেষ দল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় রাতের আঁধারে এক নারীর বসতঘর ও দোকানঘরসহ তিনটি ঘর ব্যাপকভাবে ভাঙচুর এবং প্রায় ৩৫ লাখ টাকার মালামাল লুটপাটের মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ১ নম্বর আটগাঁও ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামে গত ২৩ অক্টোবরের একটি বিরোধের জের ধরে এ বর্বরোচিত ঘটনাটি ঘটে।
ভুক্তভোগী ফরিদা আক্তার উজ্জ্বলার অভিযোগ, ১০০ থেকে ১৫০ জনের একদল সংঘবদ্ধ দুর্বৃত্ত রাতের আঁধারে তাঁর বাড়িতে হামলা চালিয়ে বসতঘর ও দোকানঘর গুঁড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি স্বর্ণালংকার, নগদ অর্থ ও গবাদিপশু লুট করে নিয়ে গেছে। হামলার সময় তাঁকে এবং তাঁর অন্তঃসত্ত্বা ভাবিকে পিটিয়ে রক্তাক্ত ও আহত করা হয়।
ঘটনাস্থল সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভুক্তভোগী উজ্জ্বলার দোকানঘরসহ তিনটি ঘর এবং শৌচাগার ভেঙে চুরমার করে দেওয়া হয়েছে। চারদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে ভাঙা আসবাবপত্র ও ধ্বংসাবশেষ। একসময়ের শান্ত বসতবাড়িটি এখন পুরোপুরি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে ভুক্তভোগী উজ্জ্বলা বলেন,
“রাত সাড়ে ১০টার দিকে হঠাৎ শতাধিক লোক আমাদের বাড়িতে হামলা চালায়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা ঘরের বাতিগুলো ভেঙে অন্ধকার করে ফেলে। এরপর বসতঘর ও দোকানঘরসহ তিনটি ঘর তছনছ করে দেয়। দুর্বৃত্তরা আমাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে রক্তাক্ত করেছে এবং আমার অন্তঃসত্ত্বা ভাবিকেও ছাড় দেয়নি।”
তিনি আরও জানান, ঘর থেকে আড়াই থেকে তিন ভরি স্বর্ণালংকার, মালামাল, ফ্রিজ, টিভি ও আসবাবপত্রসহ প্রায় ৩৫ লাখ টাকার ক্ষতি করা হয়েছে। এছাড়া ঘরের কয়েকটি গরুও হামলাকারীরা নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
নিজের পরিবারের ঐতিহ্য ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তুলে ধরে ফরিদা আক্তার উজ্জ্বলা বলেন,
“আমার ফুফু ছিলেন বীরাঙ্গনা জমিলা বেগম, দাদা ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন এবং আমার বাবা ছিলেন যুদ্ধাপরাধ মামলার সাক্ষী। মহান মুক্তিযুদ্ধে দেশের জন্য আত্মত্যাগকারী পরিবারের সদস্য হয়েও আজ নিজ ভিটায় আমাকে এভাবে নির্যাতনের শিকার হতে হলো। আমি প্রশাসনের কাছে এর দৃষ্টান্তমূলক সুষ্ঠু বিচার চাই।”
(উল্লেখ্য, ভুক্তভোগীর মুক্তিযুদ্ধসংক্রান্ত এ সকল দাবি সংশ্লিষ্ট সরকারি নথিপত্র থেকে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।)
ঘটনার নেপথ্যের কথা জানিয়ে উজ্জ্বলা অভিযোগ করেন, গত ২৩ অক্টোবর তাঁর দোকানে চুরির ঘটনা ঘটলে তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে শাল্লা থানা পুলিশ তদন্তে যায়। তবে পুলিশ এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার পরপরই সংঘবদ্ধ চক্রটি তাঁদের ওপর এ বর্বরোচিত হামলা চালায়।
তিনি আক্ষেপ করে বলেন, হামলার সময় বারবার স্থানীয় থানায় ফোন করলেও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়নি। পরবর্তীতে তিনি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে পরদিন পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে।
হামলায় অভিযুক্ত হিসেবে তিনি স্থানীয় জালাল মিয়া, হেকিম মিয়া, আজিজুল মিয়া, আইয়ুব আলীর ছেলে শাহীন এবং হেকিম মিয়ার ছেলে শাহীনসহ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে দাবি করেন, তাঁদের নেতৃত্বেই এ লুটপাট ও তাণ্ডব চালানো হয়েছে।
এদিকে, হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত পক্ষ। ১ নম্বর আটগাঁও ইউনিয়নের যুগ্ম আহ্বায়ক জালাল মিয়া, শাল্লা উপজেলা মাদকবিরোধী কমিটির সহসভাপতি শাহীন আল কাউসার ও শাহজালাল মিয়া দাবি করেন, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদকসংক্রান্ত সমস্যা রয়েছে।
তাঁদের দাবি, উজ্জ্বলা বেগম ও তাঁর আত্মীয় হেলাল মিয়া মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং তাঁদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। উজ্জ্বলা সম্প্রতি জেল থেকেও জামিনে বের হয়েছেন বলে তাঁরা জানান। তবে এসব ই
“এলাকার উঠতি বয়সীদের মাদকের হাত থেকে বাঁচাতে আমরা সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করছি। তবে রাতের আঁধারে কারা বাড়িঘর ভাঙচুর বা লুটপাট করেছে, সে বিষয়ে আমরা কিছুই জানি না।
ঘটনার সত্যতা ও সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোহেল জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন,
“কেউ যদি কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকে, তবে তাঁর বিরুদ্ধে আইন ও বিচারব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু মাদক বা যেকোনো অজুহাতে আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাট করার কোনো সুযোগ নেই। এটি সম্পূর্ণ বেআইনি ও অগ্রহণযোগ্য।”
ওসি আরও জানান, ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একদিকে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদ ও বীরাঙ্গনা পরিবারের উত্তরসূরি পরিচয় দেওয়া নারীর বাড়িঘরে তাণ্ডব, অন্যদিকে মাদকবিরোধী আন্দোলনের নামে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার ঘটনায় এলাকায় তীব্র উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন মহল মনে করছেন, কোনো অপরাধের সত্যতা থাকলেও কারোরই আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার নেই। ঘটনার প্রকৃত সত্যতা উদ্ঘাটন, হামলাকারীদের চিহ্নিতকরণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
এই বিষয়ে আর কোনো তথ্যের সংযোগ বা কোনো বিশেষ শিরোনাম পরিবর্তন করতে চাইলে জানাতে পারেন!
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ