১১:২৬ পি.এম
মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ দেশের বিভিন্ন স্থানে নজরদারি জোরদার এবং অভিযান পরিচালনায় গতি আনতে প্রতিটি রাজ্যে ড্রোন ইউনিট গঠনের পরিকল্পনা করেছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানান, দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান।
বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এই ইউনিটগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে চালুর প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে প্রতিটি রাজ্যের প্রয়োগকারী বিভাগে এখন পর্যন্ত দক্ষ ড্রোন অপারেটর প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
২০২১ সালে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও নজরদারির জন্য কয়েকটি ছোট ড্রোন কেনার মাধ্যমে এই প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হয় এবং ২০২৪ সালে ক্রমবর্ধমান অভিযানিক প্রয়োজন মেটানোর জন্য আরো ড্রোন যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
আরও পড়ুন: এল-সায়েদের জয়ে উচ্ছ্বসিত মুসলিমরা, তবে ধর্মের কারণে নয়
বর্তমানে এই ড্রোনগুলো দেশব্যাপী বিভিন্ন অভিযান ও তল্লাশিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ‘ফোর্স মাল্টিপ্লায়ার’ হিসেবে কাজ করছে। এই প্রযুক্তির সাহায্যে কর্মকর্তারা অভিযানের সময় আকাশ থেকে নজরদারি চালানোর পাশাপাশি দুর্গম এলাকার তথ্য সংগ্রহ ও অভিবাসন ডিপো থেকে পালিয়ে যাওয়া আসামিসহ যেকোনো পলাতক সন্দেহভাজনদের অবস্থান সহজে শনাক্ত করতে পারছেন।
এতে একদিকে আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের শারীরিক ঝুঁকির আশঙ্কা কমেছে, অন্যদিকে অভিযানগুলোর সার্বিক কার্যকারিতা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটিয়ে এই ড্রোনগুলোর সক্ষমতা আরো বাড়ানো হবে, যার মাধ্যমে এটি লক্ষ্যবস্তু এলাকার ম্যাপ তৈরির মতো আরও উন্নত কাজ করতে পারবে।
প্রযুক্তিগত এই সুবিধার কারণে যেকোনো অভিযানে অপরাধী আটকের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে সামনে ড্রোন ও প্রশিক্ষিত পাইলটের সংখ্যা বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে।
আরও পড়ুন: দুর্যোগের পর ৮০% শিশু অসুস্থ, ৪৯% স্কুল বন্ধ: সেভ দ্য চিলড্রেন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন