প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বরগুনার আমতলী সরকারি এ কে হাই স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী জাবেদ ইমন (১৫) হত্যার বিচার এবং হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনের দাবিতে ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ করেছেন এলাকার বাসিন্দা এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এই কারণে মহাসড়কে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়।
রবিবার (১৬ আগস্ট) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত আমতলী পৌর শহরের এ কে স্কুল চৌরাস্তা এলাকায় তারা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। আন্দোলনকারী ওই সময় ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়ে দাবি জানান যে, ইমন হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা এবং তাদের জন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
নিহত জাবেদ ইমন ছিলেন আমতলী উপজেলার আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের পূর্ব আড়পাঙ্গাশিয়া গ্রামের আউয়াল প্যাদার ছেলে। ইমন আমতলী সরকারি এ কে হাই স্কুলের বিজ্ঞান বিভাগের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
অবশ্য, গত ২৯ জুলাই আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের পশুরবুনিয়া স্লুইসগেট এলাকা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় ইমনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধার করার সময় মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে আমতলী থানা পুলিশের প্রচেষ্টায় তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
ইমনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই তার পরিবার, স্বজন, সহপাঠী ও শিক্ষকদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।
মাত্র ১৫ বছর বয়সী এক স্কুলশিক্ষার্থীর এত মর্মান্তিক মৃত্যুতে এলাকায় শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়ে গেছে।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইয়াকুব হুসাইন জানান, স্কুলশিক্ষার্থী ইমন হত্যার মামলাটি নৌ পুলিশ তদন্ত করছে। আমরা তাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করছি। আশা করি, দ্রুত সময়ের মধ্যেই আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন