মোঃ শরীফ উদ্দিন (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
০১:১৪ পি.এম
তালাশ বিডি ডট কম-এর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন মোঃ শরীফ উদ্দিন
ঢাকা, ৩ আগস্ট ২০২৬: ঢাকা থেকে প্রকাশিত জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল তালাশ বিডি ডট কম-এর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি হিসেবে সাংবাদিক মোঃ শরীফ উদ্দিন-কে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
তালাশ বিডি ডট কম কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৩ আগস্ট ২০২৬ থেকে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এ দায়িত্বের আওতায় তিনি জেলার প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, শিক্ষা, সংস্কৃতি, অর্থনীতি, জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা বস্তুনিষ্ঠতা, নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে সংবাদ আকারে পরিবেশন করবেন।
তালাশ বিডি ডট কম কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন প্রান্তের নির্ভরযোগ্য ও সময়োপযোগী সংবাদ পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে তাদের সংবাদ নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় সংবাদ সংগ্রহ ও পরিবেশনের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে সাংবাদিক মোঃ শরীফ উদ্দিনের ওপর।
কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেছে, সাংবাদিক মোঃ শরীফ উদ্দিন তাঁর সততা, দক্ষতা, পেশাগত নৈতিকতা ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ দ্রুত ও নির্ভুলভাবে পাঠকদের কাছে পৌঁছে দিতে সক্ষম হবেন।
এ উপলক্ষে তালাশ বিডি ডট কম পরিবারের পক্ষ থেকে মোঃ শরীফ উদ্দিনকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর সফল সাংবাদিকতা জীবন এবং সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘ ২৩ বছরের বিরতির পর বাংলাদেশ চলতি বছরে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে যাচ্ছে।
তবে এবার তাদের লক্ষ্য শুধুমাত্র প্রতিযোগিতা করা নয়, বরং ভালো ফল নিয়ে দেশে ফিরে আসার প্রত্যাশা নিয়ে সফর করছে টাইগাররা। বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান। তিনি বলেন, ২৩ বছর আগে যে পরিস্থিতির মধ্যে বাংলাদেশ ছিল, বর্তমান সময়ের সাথে তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে।
হাবিবুল বাশার এসময় বলেন, ‘চ্যালেঞ্জ ২৩ বছর আগেও ছিল, এখনো আছে। তবে আগে আমাদের লক্ষ্য ছিল টিকে থাকা, কিন্তু এবার আমরা শুধু সহযোগী হিসেবে যাচ্ছি না, বরং ভালো কিছু করার লক্ষ্য নিয়ে যাচ্ছি।’
অস্ট্রেলিয়ায় খেলার সুযোগ নিয়ে তিনি ক্রিকেটারদের মধ্যে উচ্ছ্বাসের কথা জানিয়ে বলেন, দলের খেলোয়াড়রা এই সফরকে তাদের ক্যারিয়ারের একটি স্মরণীয় অধ্যায় বানাতে চান।
তিনি বলেন, ‘যাদের সঙ্গে কথা বলেছি, তারা সবাই খুব রোমাঞ্চিত। সবাই অস্ট্রেলিয়ায় বিশেষ কিছু করতে চায়। আমরা জানি, চ্যালেঞ্জ অনেক বড়। অস্ট্রেলিয়া একটি শক্তিশালী দল, তবে যদি সুযোগ কাজে লাগাতে পারি, তাহলে ভালো কিছু অর্জন করা সম্ভব।’
অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে কঠিন লড়াইয়ের কথা স্বীকার করলেও বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক জয় সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি। তিনি উদাহরণ হিসেবে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে বাংলাদেশ দলের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ের বিষয়টি উল্লেখ করেন।
হাবিবুল বাশার বলেন, ‘আমরা এর আগে নিউজিল্যান্ডকে তাদের মাটিতে হারিয়েছি। সেটিও ছিল একটি চ্যালেঞ্জিং সফর। সে সময় আমাদের সেরা একাদশও পূর্ণ ছিল না এবং অনেক খেলোয়াড় আহত ছিল। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে কিছুই অসম্ভব নয়।’
অস্ট্রেলিয়া সফরে বাংলাদেশ দুটি টেস্ট ম্যাচ খেলবে। প্রথম টেস্টটি শুরু হবে ১৩ আগস্ট ডারউইনে এবং দ্বিতীয় টেস্টটি মাঠে গড়াবে ২২ আগস্ট ম্যাকাইয়ে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নিয়মিত অভিবাসনের সুযোগ সম্প্রসারণের জন্য, অভিবাসী কর্মীদের অধিকার সুরক্ষার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী বাংলাদেশি কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)-এর সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রবিবার (২ আগস্ট) ঢাকায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)-এর অপারেশনস বিষয়ক উপ-মহাপরিচালক উগোচি ড্যানিয়েলসের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এই সাক্ষাৎকালে প্রতিমন্ত্রী আইওএমের সহযোগিতার আহ্বান জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, নিরাপদ, শৃঙ্খলিত ও নিয়মিত অভিবাসন উৎসাহিত করার পাশাপাশি দেশের উন্নয়ন ও মানবিক অগ্রাধিকারগুলোতে সহযোগিতা প্রদানে আইওএমের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্বের প্রশংসা করেন।
তিনি জিসিএম চ্যাম্পিয়ন দেশ হিসেবে বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে আশা প্রকাশ করেন যে, জিসিএম ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান এই চুক্তির লক্ষ্যগুলো বাস্তবায়নে একটি সমন্বিত এবং কর্মমুখী কাঠামো হিসেবে কাজ করবে।
শামা ওবায়েদ বলেন, বৈধ অভিবাসনের সুযোগ বাড়ানো, অনিয়মিত অভিবাসন রোধ, নৈতিক উপায়ে কর্মী নিয়োগ করা এবং পরিবর্তনশীল আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সম্ভাব্য অভিবাসী কর্মীদের দক্ষতা উন্নত করা জরুরি। তিনি জানান, এজন্য পারস্পরিক সহযোগিতা আরো বাড়ানো প্রয়োজন।
তিনি বিশেষভাবে স্বাস্থ্যসেবা, কেয়ারগিভিং এবং কৃষি খাতে গন্তব্য দেশগুলোর সঙ্গে মেধা অংশীদারিত্ব সহজতর করার মাধ্যমে এবং মেধাভিত্তিক গতিশীলতা বৃদ্ধি করে বাংলাদেশের দক্ষ কর্মীবাহিনীকে বৈশ্বিক চাহিদার সঙ্গে যুক্ত করতে আইওএমের সহযোগিতা কামনা করেন।
অভিবাসী কর্মী, বিশেষ করে নারী শ্রমিকদের অধিকার ও কল্যাণ সুরক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রতিমন্ত্রী জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম আরও বাড়ানোর এবং সহায়তা সেবা জোরদার করার আহ্বান জানান।
সংকটকবলিত দেশগুলো থেকে আটকেপড়া বাংলাদেশিদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনে সাহায্য করার জন্য তিনি আইওএমকে ধন্যবাদ জানান। সেই সঙ্গে, নিরাপদে ফেরা, টেকসই পুনরেকত্রীকরণ, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিবাসন এবং মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান রোধে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের জন্য আইওএমের মানবিক সহায়তারও প্রশংসা করেন প্রতিমন্ত্রী। একই সঙ্গে, তিনি তাদের নিরাপদে, স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই উপায়ে নিজ দেশে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান।
টেকসই অভিবাসন ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে বাংলাদেশের বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন ড্যানিয়েলস। এছাড়া, বৈশ্বিক পর্যায়ে নিরাপদ, শৃঙ্খলিত ও নিয়মিত অভিবাসনে নেতৃত্ব দিতে বাংলাদেশের ভূমিকারও উচ্চ প্রশংসা করেন তিনি।
নিরাপদ, শৃঙ্খলিত ও নিয়মিত অভিবাসন এগিয়ে নেওয়া, অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষা এবং দেশের অভিবাসন ও মানবিক অগ্রাধিকারগুলোতে বাংলাদেশ-আইওএম সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে উভয় পক্ষ তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে।
এই সাক্ষাতে আইওএমের এশিয়া ও প্যাসিফিক অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক ইওরি কাটো এবং বিশেষ উপদেষ্টা প্রিয়া মারওয়াহ ড্যানিয়েলসের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বৈঠকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার বিভাগ রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান, জাতীয় দিবস, সরকারি সভা এবং অন্যান্য প্রটোকলিক আয়োজনে জেলা পরিষদের প্রশাসক ও চেয়ারম্যানদের যথাযথ রাষ্ট্রীয় মর্যাদা নিশ্চিত করতে ‘ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স, ১৯৮৬ (জুলাই ২০২০ পর্যন্ত সংশোধিত)’ কঠোরভাবে অনুসরণের নির্দেশ দিয়েছে।
স্থানীয় সরকারের অধীনে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের জেলা পরিষদ শাখা থেকে গত ৩০ জুলাই এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি দেশের সব জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কাছে পাঠানো হয়েছে।
চিঠির মধ্যে বলা হয়েছে যে, রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান, জাতীয় দিবস, সরকারি সভাসহ বিভিন্ন প্রটোকলিক আয়োজনে আসন বিন্যাস, আনুষ্ঠানিক চিঠিপত্র এবং আমন্ত্রণপত্রে নামের ক্রম নির্ধারণসহ অন্যান্য সব ক্ষেত্রে ‘ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স, ১৯৮৬ (জুলাই ২০২০ পর্যন্ত সংশোধিত)’ অনুসরণ করে জেলা পরিষদের প্রশাসক ও চেয়ারম্যানদের প্রাপ্য মর্যাদা ও সম্মান নিশ্চিত করতে হবে।
নির্দেশনাটি যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
চিঠির অনুলিপি অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিব, সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনার, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব, পুলিশ কমিশনার, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও চেয়ারম্যান, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর একান্ত সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ১১টি দফতরে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্মসচিব খোন্দকার ফরহাদ আহমদ স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সরকারি অনুষ্ঠান ও অন্যান্য প্রটোকলিক কার্যক্রমে রাষ্ট্রীয় অগ্রাধিকার তালিকা যথাযথভাবে অনুসরণ নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।
স্থানীয় সরকার বিভাগ আশা করছে যে, এ নির্দেশনা বাস্তবায়নের ফলে জেলা পর্যায়ের সরকারি অনুষ্ঠানগুলোতে জেলা পরিষদের প্রশাসক ও চেয়ারম্যানরা তাদের প্রাপ্য রাষ্ট্রীয় প্রটোকল ও মর্যাদা যথাযথভাবে পাবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের তিন বিভাগে আগামী ২৪ ঘণ্টায় মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছেন আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সময়ে দেশের বাকি সব বিভাগে কম-বেশি বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে, এমনটিও জানিয়েছে সংস্থা।
প্রসঙ্গত, সোমবার (৩ আগস্ট) সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া পূর্বাভাসের মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গেই রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ ঘটতে পারে।
এছাড়া, এই ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে দিনের এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলেও জানিয়েছেন আবহাওয়া অফিস।
আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থান সম্পর্কে আবহাওয়াবিদদের মধ্যে আলোচনা চলতে থাকে। তাদের মতে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষ ভারতের রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত। বর্তমানে মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ