০৯:১৪ পি.এম
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন বলেছেন, গবেষণার ফলাফল ইম্প্যাক্টফুল হতে হবে। এটি মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন ঘটাতে সক্ষম হওয়া উচিত।
বুধবার (১৭ জুন) মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে 'লাগসই প্রযুক্তির মানোন্নয়নের চ্যালেঞ্জ ও করণীয়' শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানের সময় তিনি এ কথা বলেন।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব উল্লেখ করেন, গবেষণা ফল'কে প্রোটোটাইপ বা নমুনা আকারে শিল্প বা ইন্ডাস্ট্রিতে পৌঁছাতে হবে। সেক্ষেত্রে তারা পাইলটিং এর মাধ্যমে সেবা বা পণ্য আকারে বাজারজাত করতে পারে এবং যার ফলে সমাজে এটির ইম্প্যাক্ট বা ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি হতে পারে।
আরও পড়ুন: মাদারীপুরে কৃষককে কুপিয়ে জখম, প্রধান আসামি জাকির গ্রেফতার
তিনি আরও বলেন, লাগসই প্রযুক্তি মানে হল সস্তা প্রযুক্তি বেছে নেওয়া নয়, বরং এর অর্থ হলো আরো বেশি সময়োপযোগী প্রযুক্তি বেছে নেওয়া। প্রযুক্তি অবশ্যই বাংলাদেশের উপযোগী হওয়া উচিত এবং বাংলাদেশকে প্রযুক্তির উপযোগী হতে বাধ্য করা উচিত নয়।
আনোয়ার হোসেন আরও বলেন, ইম্প্যাক্ট বা প্রভাবহীন উদ্ভাবন তথা এমন গবেষণা যে বাস্তবে মানুষের কোনো কাজে বা পরিবর্তনে ভূমিকা রাখেনা, সে রকম গবেষণা থেকে আমাদের সরে আসা উচিত।
সেমিনারে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি (এনআইবি)-এর মহাপরিচালক ড. মো. ছগীর আহমেদ, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান, বিসিএসআইআর-এর চেয়ারম্যান ড. সামিনা আহমদ সহ অন্যান্য বক্তাদের বক্তব্য ছিল।
এছাড়া সেমিনারে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থার প্রধানবৃন্দ জুম প্লাটফর্মে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন এবং মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আশরাফ আলী ফারুকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: সারজিস আলম: গণহত্যাকারী হাসিনার অলীক ডিসেম্বর বাংলাদেশে আসবে না
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন