০১:৫৮ পি.এম
দক্ষিণ চীন সাগরে দুই দেশের নৌযানের সংঘর্ষের ঘটনার পর চীন মঙ্গলবার ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে। এ সংঘর্ষ ঘটেছে বিতর্কিত সেকেন্ড থমাস শোল এলাকায়, যা সোমবার (২০ জুন) সংঘটিত হয়। এ ঘটনার পর চীন ও ফিলিপাইনের মধ্যে দোষারোপের পালা শুরু হয়েছে।
ফিলিপাইন দাবি করেছে, তাদের নৌবাহিনীর এক সদস্যের মাথায় আঘাত করা হয়েছে, অন্যদিকে চীন অভিযোগ করেছে, এই সংঘর্ষের জন্য ফিলিপাইনই দায়ী এবং তারা আগে থেকেই উসকানি দিয়েছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, ফিলিপাইন প্রথমে উসকানিমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে এবং পরে ঘটনাকে বিকৃত করে অভিযুক্ত করেছে চীনকে। এদিকে চীন কোস্ট গার্ডের (সিসিজি) দাবী, ফিলিপাইনের যুদ্ধজাহাজ বিআরপি সিয়েরা মাদ্রে থেকে পাঠানো দুটি রাবার বোট একটি চীনা টহল নৌকায় আঘাত করেছে।
ফিলিপাইনের সদস্যরা বৈঠা ও লম্বা লাঠি ব্যবহার করে চীনা কর্মকর্তাদের ওপর হামলা চালায়। পাচারিত অভিযোগে ফিলিপাইন জানিয়েছে, সংঘর্ষের সময় চীনা বাহিনী তাদের এক নৌসদস্যের মাথায় কাঠের লাঠি দিয়ে আঘাত করে এবং তাদের একটি রাবার বোট ক্ষতিগ্রস্ত করে। তবে চীন এই দাবি অস্বীকার করে তাদের আহত ফিলিপিনো কর্মীদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার অনুমতি দেয়ার কথা জানিয়েছে।
আরও পড়ুন: বিএনপি নেতার প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে পিবিআই তদন্ত
চীন কোস্ট গার্ডের মুখপাত্র জিয়াং লু বলেন, সিসিজি ফিলিপাইনের নৌকাগুলোর পরিস্থিতি নজরদারি করেছে এবং পুরো প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বিতর্কিত সেকেন্ড থমাস শোলের আশপাশের জলসীমায় চীন তাদের 'অধিকার রক্ষা ও আইন প্রয়োগ কার্যক্রম' চালিয়ে যাবে।
এছাড়া, ফিলিপাইন দূতাবাস বেইজিংয়ে চীন কোস্ট গার্ড ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্যের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। অন্যদিকে ফিলিপাইনের সামরিক বাহিনী চীনের অভিযোগকে প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, তাদের সদস্যরা কোনো ধরনের সংঘর্ষ বা উসকানিমূলক পদক্ষেপ শুরু করেনি। দক্ষিণ চীন সাগরের ব্যাপারে দীর্ঘদিন ধরে চীন ও ফিলিপাইনের মধ্যে বিরোধ বিদ্যমান। এই ঘটনার পর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
