০৬:৪১ পি.এম
বাঁ-পাশের সাইড স্ট্রেইন গ্রেড-টু ইনজুরির কারণে ছয় থেকে আট সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকতে হবে বাংলাদেশ পেসার নাহিদ রানাকে। এই কারণে আগামী মাসে অস্ট্রেলিয়া সফরে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না তিনি। ইতিমধ্যে রানা ছাড়া সিরিজের প্রথম টেস্টের দলের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
অস্ট্রেলিয়া সিরিজ থেকে নাহিদ রানার ছিটকে যাওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি পেসার ইয়ান বিশপ। তিনি নিজের অফিসিয়াল এক্স অ্যাকাউন্টে একটি পোস্টের মাধ্যমে রানার সম্পর্কে তার হতাশা তুলে ধরেছেন।
ঐ পোস্টে বিশপ লিখেছেন, ‘ক্রিকেট ভক্তদের মতো আমি নিজেও অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে নাহিদ রানার বোলিং দেখার জন্য মুখিয়ে ছিলাম। কিন্তু নাহিদ রানার জন্য সত্যিই খারাপ লাগছে।’
আরও পড়ুন: দলের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে: আইনমন্ত্রী
সাম্প্রতিক জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত তিন ম্যাচের সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ইনজুরিতে পড়েন রানা। স্ক্যান রিপোর্টে গ্রেড-২ সাইড স্ট্রেইন ইনজুরি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
বিসিবির তথ্য অনুযায়ী, টিস্যু বা পেশির এই ইনজুরির পর সুস্থ হয়ে উঠতে রানার প্রায় চার সপ্তাহ সময় লাগবে। এরপর বোলিং বা অন্য ধরনের কাজের চাপ ধীরে ধীরে বাড়ানোর জন্য আরও দুই থেকে চার সপ্তাহ সময় প্রয়োজন হবে। সব মিলিয়ে চোট পাওয়ার দিন থেকে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠতে ছয় থেকে আট সপ্তাহ লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
রানার অনুপস্থিতি বাংলাদেশের জন্য একটি বড় ধাক্কা। কেননা দীর্ঘ ২৩ বছর পর প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট সিরিজ খেলতে যাচ্ছে টাইগাররা। ২০০৩ সালে সর্বশেষ সফরে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে বাংলাদেশ হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল।
২০২৪ সালে টেস্ট ও ওয়ানডে এবং ২০২৫ সালে টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক ঘটে রানার। তার অভিষেক বছরের মধ্যে তিনি ৬ টেস্ট খেলে ২০ উইকেট শিকার করেন। উল্লেখ্য, পাকিস্তানের মাটিতে প্রথমবার বাংলাদেশের টেস্ট সিরিজ জয়ে রানার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। ওই দুই টেস্টে তিনি মোট ৬ উইকেট নেন।
আরও পড়ুন: রাজধানীর পান্থপথ, খিলক্ষেত ও ক্যান্টনমেন্টে ককটেল বিস্ফোরণ
এরপর থেকে বাংলাদেশের পেস আক্রমণের অন্যতম ভরসা হিসেবে নিজেকে প্রতিস্থাপন করেন রানা। এখন পর্যন্ত ১২ টেস্টে ৩৮, ১৫ ওয়ানডেতে ৩২ এবং ৫ টি-টোয়েন্টিতে ৮ উইকেট শিকার করেছেন রানা।
বর্তমানে নির্বাচকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে যে, চলতি বছর ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারীর তালিকায় শীর্ষে রয়েছে রানা। তিনি ১০ ম্যাচে ৪৩৪ রান খরচ করে ২৭ উইকেট শিকার করেছেন। এছাড়া ২ টেস্টে ১১ এবং ৪ টি-টোয়েন্টিতে রানার ঝুলিতে ৬ উইকেট রয়েছে।
চলতি বছরের মে মাসে ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে আবারও বল হাতে উজ্জ্বলতম অবদান রেখেছেন রানা। তখন তিনি দুই ম্যাচে ১১ উইকেট শিকার করে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের ২-০ ব্যবধানে জয়ে যথেষ্ট অবদান রাখেন।
আরও পড়ুন: সরকার ৬৪ জেলায় প্রতিবন্ধী স্কুল প্রতিষ্ঠা করবে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন