০৯:৪৭ এম
দক্ষিণ আফ্রিকায় একটি বৈধ খনির বর্জ্য ফেলার স্থান ধসে অন্তত ১৪ জন অবৈধ খনি শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে এবং এতে আহত হয়েছেন আরো ৮ জন।
ঘটনার পর দক্ষিণ আফ্রিকার পুলিশ আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও অজ্ঞাত সংখ্যক মানুষ আটক থাকতে পারেন, যাদের উদ্ধার করতে তল্লাশি অভিযান চলানো হচ্ছে।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার (১০ আগস্ট) রাতে। একটি স্থানীয় প্ল্যাটিনাম ও অন্যান্য ধাতু উত্তোলনকারী কম্পানির অনুমোদিত বর্জ্যের স্তূপে অবৈধভাবে খননকাজ চালানোর সময় বর্জ্যের বিশালাকার প্রাচীর শ্রমিকদের ওপর ধসে পড়ে।
আরও পড়ুন: তুরস্কের আফিয়নকারাহিসারে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ৮, আহত ১
নিহত ও আহতদের অধিকাংশই প্রতিবেশী দেশ লেসোথো থেকে আসা নথিপত্রহীন অভিবাসী। চিকিৎসাধীন আহতদের মধ্যে তিনজনকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্রের পর আটক করেছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে অবৈধ খননকাজ চালানো এবং অনধিকার প্রবেশের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হচ্ছে।
আঞ্চলিক পুলিশ প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল আর্থার অ্যাডামস দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে জানান, উদ্ধার অভিযান চলার কারণে বর্তমানে ওই এলাকায় সব ধরনের খননকাজ স্থগিত রাখা হয়েছে।
দক্ষিণ আফ্রিকায় অবৈধ খনি শ্রমিকরা স্থানীয় জুলু ভাষায় ‘জামা জামা’ (যার অর্থ—যারা ভাগ্য পরীক্ষা করে) নামে পরিচিত। বহুজাতিক খনি কম্পানিগুলো কাজ গুটিয়ে নেওয়ায় বন্ধ বা পরিত্যক্ত খনি ও বর্জ্যের স্তূপগুলোতে ভাগ্য অন্বেষণে নেমে পড়েন বহু বেকার ও নথিপত্রহীন মানুষ। সুরক্ষাহীন এসব পরিত্যক্ত স্থানে প্রায়শই এমন মারাত্মক ধস ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এর আগে গত বছরের জানুয়ারি মাসেও দেশটির স্টিলফন্টেইনের একটি পরিত্যক্ত খনি খাদ থেকে ৭৮টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।
আরও পড়ুন: মাইশার মৃত্যুর পর সীতাকুণ্ডে ২০ স্পিডব্রেকার, যানজট বেড়েছে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন