১০:২৩ এম
সম্প্রতি রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে। এরই মাঝে রুশ নিয়ন্ত্রিত দোনেৎস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলা চালিয়ে ৮ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া, বুধবার (৩ জুন) সেন্ট পিটার্সবার্গে একটি নৌঘাঁটি ও তেল টার্মিনালেও বড় ধরনের ড্রোন হামলা করেছে কিয়েভ। পাল্টা আঘাত হেনেছে রাশিয়াও ইউক্রেনীয় সেনাদের অবস্থান লক্ষ্য করে।
ইউক্রেন সীমান্ত থেকে প্রায় ১১০০ কিলোমিটার ভেতরে ঢুকে রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গের গুরুত্বপূর্ণ তেল টার্মিনাল এবং নৌঘাঁটিতে ভয়াবহ ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। এতে একটি অস্ত্র কারখানায়ও আঘাত হানে কিয়েভের ড্রোন।
একই দিন দোনেৎস্কে ইউক্রেনীয় ড্রোন একটি যাত্রীবাহী বাসে আঘাত হানার ফলে ঘটনাস্থলেই বেশ কয়েকজন নিহত এবং আহত হন।
আরও পড়ুন: মাদারীপুরে কৃষককে কুপিয়ে জখম, প্রধান আসামি জাকির গ্রেফতার
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এই হামলাকে রুশ আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ‘ন্যায়সঙ্গত’ প্রতিশোধ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং আক্রমণের তীব্রতা আরও বাড়ানোর হুঁশিয়ারি দিয়ে থাকেন।
এদিকে, ইউক্রেনের এই আকস্মিক ও বড় ধরনের ড্রোন হামলার প্রতিক্রিয়ায় ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, রাশিয়ার পক্ষ থেকে এর ‘পদ্ধতিগত’ ও কঠোর জবাব দেয়া হবে।
এর আগে, ইউক্রেনজুড়ে রেকর্ড সাড়ে ৬শ’র বেশি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালায় মস্কো। ইউক্রেনীয় সেনাদের লক্ষ্য করে পাল্টা আঘাত হানা অব্যাহত রেখেছে রাশিয়া।
যুদ্ধের ময়দানে জেলেনস্কি বাহিনীকে টার্গেট করে চলছে আক্রমণ। বুধবার দিনভর দু’পক্ষের মধ্যে শতাধিক সম্মুখ লড়াইয়ের খবর পাওয়া গেছে।
আরও পড়ুন: সারজিস আলম: গণহত্যাকারী হাসিনার অলীক ডিসেম্বর বাংলাদেশে আসবে না
যুদ্ধক্ষেত্রে যখন দুই পক্ষই একে অপরকে গুঁড়িয়ে দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে, তখন দীর্ঘ সময়ের অচলাবস্থা ভেঙে আলোচনার সম্ভাবনাও দেখা দিয়েছে।
জার্মান সরকারের উচ্চপদস্থ সূত্রের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যম জানান, ইউরোপীয় পক্ষ এবং রাশিয়ার মধ্যে শিগগিরই যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে আলোচনা শুরু হতে পারে। জার্মানি, ব্রিটেন ও ফ্রান্স—এই তিন পরাশক্তি বা ‘ই-থ্রি’ জোট ইউরোপের পক্ষে এই শান্তি আলোচনার নেতৃত্ব দিতে পারে বলে আভাস পাওয়া গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন