০২:৩৪ পি.এম
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বাদুরগাছা গ্রামের ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণ এবং হত্যা মামলার একমাত্র আসামি আবু তাহেরকে আদালত মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন।
সোমবার (২২ জুন) দুপুরে জেলার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সালেহুজ্জামান এই দণ্ডাদেশ প্রদান করেন। এছাড়াও, ৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের আদেশ এবং অন্য একটি ধারায় ৭ বছরের কারাদণ্ডেও দণ্ডিত করা হয় আবু তাহেরকে।
দণ্ডিত আসামি আবু তাহের, কালীগঞ্জ উপজেলার বাদেডিহি গ্রামের রফিউদ্দিনের ছেলে। তিনি বাদুরগাছা গ্রামে ওই শিশুর বাড়ির পাশে একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।
আরও পড়ুন: সীতাকুণ্ডে কাভার্ড ভ্যানের পেছনে ট্রাকের ধাক্কায় দুইজন নিহত
মামলা সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি কালীগঞ্জের বাদুরগাছা গ্রামের ৫ বছর বয়সী শিশু বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। পরদিন সকালে, পাশের একটি বিদ্যালয়ের সেপটিক ট্যাংক থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় শিশুটির পিতা নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে ওইদিনই অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে কালীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ ২৭ ফেব্রুয়ারি আবু তাহের নামের প্রতিবেশী যুবককে কুষ্টিয়া থেকে গ্রেফতার করে এবং আদালতে প্রেরণ করে। হত্যার দায় স্বীকার করে আবু তাহের আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।
তদন্ত শেষে, পুলিশ ২৬ মে আবু তাহেরকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করে। মাত্র ৫ কার্যদিবসের মধ্যে ১৭ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণের পর, ঘটনার ৪ মাসের মধ্যে মামলার রায় প্রদান করা হয়। রায়ে ধর্ষণ ও হত্যার অপরাধে ফাঁসির আদেশসহ ৫ লাখ টাকা জরিমানা এবং লাশ গুমের অপরাধে ৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আকিদুল ইসলাম বলেন, "দ্রুত সময়ের মধ্যে মাত্র ৫ কার্যদিবসে বিচার কাজ শেষ হয়েছে। আদালত আসামির সর্বোচ্চ রায় ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন। আমরা এই রায়ে সন্তুষ্ট। আমরা চাই এই রায় দ্রুত কার্যকর হোক। তবেই ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে।"
আরও পড়ুন: ৭ নভেম্বরের সিপাহী বিপ্লব বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের টার্নিং পয়েন্ট: ডা. ইরান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন