১১:৫৬ এম
চীনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, শুক্রবার বেইজিং আন্তর্জাতিক নিয়মকানুন মেনে চলা এবং যুক্তরাজ্যে চীনা বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি সমান ও ন্যায্য আচরণ নিশ্চিত করতে লন্ডনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
জিংয়ে জানায়, ২০২০ সালে চীনা প্রতিষ্ঠানটি ব্রিটিশ স্টিল কিনে নেয়। তবে কোম্পানিটি যেহেতু আর্থিক সংকটে রয়েছে, সেহেতু গত বছর যুক্তরাজ্য সরকার হস্তক্ষেপ করলে প্রতিষ্ঠানটি নিয়ন্ত্রণ হারায়।
সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, জিংয়ে জানায়, উত্তর ইংল্যান্ডের স্কানথর্পে অবস্থিত কারখানাটি আর লাভজনকভাবে চালানোর উপায় নেই। এর ফলে ব্রিটেনের কাঁচামাল থেকে সম্পূর্ণ ইস্পাত (স্টিল) উৎপাদনে সক্ষম এই কারখানাটি বন্ধ হওয়ার হুমকিতে পড়েছে।
আরও পড়ুন: পাবনায় মরদেহ চুরির আতঙ্কে কবরস্থানে রাতভর পাহারা দিচ্ছেন স্বজনরা
এই প্রেক্ষাপটে ২০২৫ সালের এপ্রিলে যুক্তরাজ্য সরকার কারখানাটির নিয়ন্ত্রণ নেয়। চলতি বছরের মে মাসে সরকার জানিয়েছে যে, এটিকে জাতীয়করণ করার জন্য তারা আইন প্রণয়ন করতে যাচ্ছে।
বুধবার জাতীয়করণ-সংক্রান্ত আইন কার্যকর হওয়ার পর শুক্রবার চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতিতে যুক্তরাজ্য সরকারের প্রতি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে।
বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, ‘জাতীয় নিরাপত্তার অজুহাতে’ যুক্তরাজ্য সরকার ব্রিটিশ স্টিলের নিয়ন্ত্রণ জোরপূর্বক নিজেদের হাতে নিয়েছে।
সেই সঙ্গে আরো বলা হয়, ‘চীন যুক্তরাজ্য সরকারকে প্রাসঙ্গিক আন্তর্জাতিক নিয়মকানুন মেনে চলার এবং যুক্তরাজ্যে চীনা বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি ন্যায্য আচরণ করার আহ্বান জানাচ্ছে।’
আরও পড়ুন: যুক্তরাজ্যে ভারতীয় নাবিকের কারাদণ্ড নিয়ে বিতর্ক তীব্র
গত জুনে জিংয়ে দাবি করেছে, লন্ডন কারখানাটির পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার আগে প্রতিষ্ঠানটি যে বিনিয়োগ করেছিল, তার ফলে হওয়া ক্ষতির জন্য যুক্তরাজ্য সরকারের কাছে তারা ক্ষতিপূরণ চায়।
জাতীয়করণের ফলে ১৯৮৮ সালের পর এই প্রথমবারের মতো ব্রিটিশ স্টিল আবারও সরকারি মালিকানায় ফিরে এসেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন