০৮:১৭ পি.এম
আগামীকাল (২৪ আগস্ট) রাজধানী ঢাকা শহরের বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে শুরু হতে যাচ্ছে পাঁচ দিন ব্যাপী আয়োজিত উপমহাদেশের অন্যতম বৃহৎ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রতিযোগীতা বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্কোয়াশ ২০২৬।
এই আসরের মধ্যে স্বাগতিক বাংলাদেশসহ বিশ্বের মোট ১১টি দেশের ২৪ জন পেশাদার স্কোয়াশ খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করতে চলেছেন।
অংশগ্রহণকারী দেশগুলো হলো বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, হংকং, সিঙ্গাপুর, ইরান, কুয়েত, বাহরাইন, মিসর, জাপান ও জার্মানি।
আরও পড়ুন: এইচএসসির খাতা পুনর্মূল্যায়ন আবেদনের সময়সীমা বৃদ্ধি, ২ লাখ ৭৮ হাজার ৮৮২ শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন
আন্তর্জাতিক র্যাংকিংধারী এবং পেশাদার খেলোয়াড়দের উপস্থিতিতে এবারের টুর্নামেন্টটি অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এবং আকর্ষণীয় হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
পাকিস্তান, আয়ারল্যান্ড, মালয়েশিয়া সহ মোট ১৬-১৭টি দেশের ৮৪ জন স্কোয়াশ খেলোয়াড় রেজিস্ট্রেশন করলেও পেশাদার স্কোয়াশ অ্যাসোসিয়েশনের বাধ্য-বাধকতা এবং প্রতিযোগিতার ড্র সাইজের কারণে প্রথম সারির ২১ জন বিদেশি খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করবেন।
বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক স্কোয়াশে প্রবেশ এবং যাত্রা শুরু করা শুধুমাত্র একটি অর্জনই নয়, বরং দেশের খেলাধুলার ইতিহাসের জন্য গর্ব করার নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বর্তমানে দেশে বিশ্ব র্যাংকিংধারী ১১ জন পেশাদার স্কোয়াশ খেলোয়াড় বিদ্যমান।
এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের তরুণ প্রতিভারা, যেমন আমিনুল (৬৯৬তম), সাইমন (৭৭৫তম) ও পারভেজ (৮৭৫তম), খেলবেন মিসরের মোহাম্মদ গহর (৯১তম), জাপানের নওকি হারিস (১১৭তম), রবীন্দ্র লক্ষীশ্র (১৪৮তম), আয়ন ভিজালি (১৭৩তম), সিঙ্গাপুরের জেরোম আও (১৮৫তম), বাহরাইনের ইউসুফ থানি (২২৪তম), হংকংয়ের ইউলসন চেন (৩৩৭তম), জার্মানির ইউহোকম বিলিকভ (৩৪১তম), কুয়েতের বদর আলমঘারাবি (৩৫৬তম) ও ইরানের সিপার এতিমাডপোরের মতো খেলোয়াড়দের সঙ্গে।
আরও পড়ুন: টেকনাফে মানবপাচারকারীদের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল যৌথ বাহিনী
শেষ ছয় বছরে নানা প্রতিকূলতা, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে ধারাবাহিক এবং পরিকল্পিত উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশে স্কোয়াশ খেলায় একটি নতুন জাগরণ তৈরি করা সম্ভব হয়েছে।
বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশকে একটি সম্ভাবনাময় এবং আদর্শ ‘স্কোয়াশ ডেস্টিনেশন’ হিসেবে গড়ে তুলতে এই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, স্কোয়াশকে নির্দিষ্ট গণ্ডি থেকে বের করে তৃণমূল এবং সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে ‘ক্লাসরুম স্কোয়াশ’ এবং ‘স্কোয়াশ ও শিক্ষা বৃত্তি’-এর মতো বৈপ্লবিক ও জনবান্ধব প্রকল্প চালু করা হয়েছে।
ফলে একসময় কেবল অভিজাতদের খেলা হিসাবে গণ্য স্কোয়াশ বর্তমানে সাধারণ শিক্ষার্থীদের খেলার মাঠে জায়গা করে নিয়েছে। সীমিত সম্পদের দেশগুলোর জন্য বাংলাদেশের এই সাফল্য ও তৃণমূল উন্নয়ন কার্যক্রম একটি অনুসরণযোগ্য বৈশ্বিক মডেল হতে পারে।
আরও পড়ুন: ধর্মমন্ত্রীর আহ্বান: দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করতে ঐক্যবদ্ধ থাকুন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন