প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশ্বকাপ প্রতিনিধি অ্যান্ড্রু জুলিয়ানি সেমিফাইনালের আগে এক সাক্ষাৎকারে মন্তব্য করেছিলেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ইংল্যান্ডের হাতে এবারের ট্রফি বিশ্বকাপ দেখতে চায়। তারা জানান, ট্রাম্প নিজেও হ্যারি কেইনের খোঁজখবর রাখতেন। তারা একসঙ্গে একবার গলফও খেলেছেন।
তবে মার্কিন প্রেসিডেন্টের স্বপ্ন ইংল্যান্ডের হাতে ট্রফি দেখতে চাওয়ার পূরণ হয়নি। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড হেরে যায় এবং ১৯৬৬ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয়। ফাইনালে এগিয়ে থেকেও ইংল্যান্ড শেষ দশ মিনিটে দুই গোল খেয়ে বিদায় নিয়েছে। বিশ্লেষকদের অনেকেই ইংল্যান্ড কোচ টমাস টুখেলের রক্ষণাত্মক কৌশলকে এই হারের জন্য দায়ী করছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও মনে করেন তেমনটাই।
ট্রাম্প গতকাল (শুক্রবার) টাওয়ারে আয়োজিত এক সংবর্ধনায় বক্তব্যের সময় বলেন, ‘ইংল্যান্ডে একজন দারুণ খেলোয়াড় আছে, যার সঙ্গে আমি গলফ খেলেছি। সে হলো হ্যারি (কেইন), অসাধারণ একজন ফুটবলার। আমার মনে হয়, তাকে রক্ষণাত্মক খেলোয়াড় বানিয়ে তারা হয়তো ভুল করেছে। ফুটবল সম্পর্কে আমি-ই বা কতটা জানি? তারা এগিয়ে ছিল, আর তখনই তাদের সেরা খেলোয়াড়কে রক্ষণে পাঠিয়ে দিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের (ইংল্যান্ড দলের) তো একটু আক্রমণাত্মক হওয়া উচিত, তাই না? তবে না, আমি কোচিং নিয়ে মন্তব্য করব না। কোচিং সম্পর্কে আমি-ই বা কী জানি? কিন্তু সিদ্ধান্তটা একটু অস্বাভাবিক ছিল।’
এবারের বিশ্বকাপে একটি বড় বিতর্ক ছিল যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্রাইকার ফোলারিন বালোগানের এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া। এ বিষয়ে ফিফা প্রেসিডেন্টকে ট্রাম্পের ফোন করার প্রসঙ্গ সামনে আসলে বিতর্ক আরও চরম আকার ধারণ করে।
এ প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘এটি (বিশ্বকাপ) অন্য যেকোনো টুর্নামেন্টের চেয়ে আলাদা। যেখানে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও অবিস্মরণীয় সব মুহূর্ত ছিল। সম্ভবত সবচেয়ে স্মরণীয় ঘটনাটি ছিল যখন ওই ভদ্রলোককে... ওটা কি লাল কার্ড ছিল? তখন আমি বাধ্য হয়ে জিয়ান্নি (ইনফান্তিনো)–কে ফোন করি। আমি বলেছিলাম, “জিয়ান্নি, আমি একটি সুপারিশ করতে চাই। ছেলেটিকে খেলতে দাও!” না, আমি আসলে সেটা বলিনি। আমি বলেছিলাম, আমি একটি অভিযোগ জানাতে চাই।’
‘আসলে এরপর কী হবে, সে সম্পর্কে আমার কোনো ধারণাই ছিল না। তবে শেষ পর্যন্ত যেভাবে বিষয়টি হলো, সেটিই অনেক ভালো হয়েছে, কারণ এতে আর কোনো বিতর্ক থাকেনি। (বেলজিয়াম) ম্যাচটি জিতেছে এবং আমাদের দলও সব খেলোয়াড়কে নিয়ে খেলেছে। এখন ভেবে দেখলে বলতে হয়, তোমরা আরেকটি দারুণ সিদ্ধান্ত নিয়েছ। তবে এর জন্য তোমরা কখনোই যথাযথ স্বীকৃতি পাবে না।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন