০৪:০৩ পি.এম
কাতারের রাজধানী দোহায় বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অনুষ্ঠিতব্য পরবর্তী দফার আলোচনা কেমন হবে, তার অগ্রগতি এখন মূলত ওয়াশিংটনের ওপর নির্ভর করছে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের একজন বিশ্লেষক।
বিশ্লেষকের মতে, তেহরানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের শর্তগুলো বাস্তবায়ন না হলে আলোচনায় উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি তৈরি হবে না।
তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জোহরেহ খারাজমি কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে বলেন, সমঝোতা স্মারকের ধারাগুলো বাস্তবায়ন করা গেলে তবেই ভবিষ্যত পরবর্তী ধাপে যাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে। তিনি বলছেন, “বল এখন আমেরিকার কোর্টে।”
আরও পড়ুন: হায়দরাবাদে মুসলিম নামের কারণে ডেলিভারি বয়কে পেটালো উগ্রবাদীরা
খারাজমির ভাষায়, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী-সংক্রান্ত সমস্যায় বড় ধরনের অগ্রগতি হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম, যদি যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ না করে।
তিনি আরও জানান, ইরান এই দোহার বৈঠকটিকে উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক আলোচনা হিসেবে দেখছে না। এর ফলে, তেহরান থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী নয়, বরং উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদি এই বৈঠকে প্রতিনিধিত্ব করছেন।
তিনি জানাচ্ছেন, বৈঠকের মূল আলোচনা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়। বরং মূলত কারিগরি ও বাস্তবায়ন-সংক্রান্ত বিষয়গুলোর ওপর আলোচনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে বিদেশে জব্দ হওয়া ইরানের সম্পদ, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার প্রভাব, এবং পূর্ববর্তী সমঝোতার বিভিন্ন কারিগরি দিক নিয়ে আলোচনা চলছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্পর্ক কিছুটা সংলাপমুখী হলেও উভয় পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক অবিশ্বাস এখনও কাটেনি। এই কারণে, সমঝোতার বাস্তবায়নের জন্য উভয় পক্ষের আন্তরিকতা ভবিষ্যত আলোচনার সাফল্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
আরও পড়ুন: প্রকাশ্যে জাতীয় সংগীত অবমাননা করলেন পরীমণি, শাস্তি কী হবে?
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন