ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে নতুন করে ২ হাজার ৯৪১ রাজস্ব পদের প্রস্তাব


সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে নতুন করে ২ হাজার ৯৪১ রাজস্ব পদের প্রস্তাব

ঢাকা, ১১ আগস্ট, ২০২৬ : দেশের বিভিন্ন সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে নতুন করে ২ হাজার ৯৪১টি রাজস্ব পদ সৃজনের প্রস্তাব স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ দিয়েছে। পদ সৃজনের এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে আগামীকাল বুধবার সকাল ১০টায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-৪ অধিশাখা থেকে গতকাল (১০ আগস্ট) একটি নোটিশ জারি করা হয়েছে এ সংক্রান্ত। নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হবে মন্ত্রণালয়ের ভবন নম্বর-০৩-এর ৩৩১ নম্বর কক্ষে। সভায় দেশের নয়টি সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে নতুন পদ সৃজনের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে।

আলোচ্যসূচির মধ্যে প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের জন্য ১ হাজার ১৯৬টি এবং ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজির জন্য ১ হাজার ৮টি পদ সৃজনের প্রস্তাব।

আরও পড়ুন: জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে ইবি ইউট্যাবের শ্রদ্ধা নিবেদন

এছাড়া ১০০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল- নরসিংদীতে ৩৮৮টি, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতাল- চুয়াডাঙ্গায় ৫৩টি, ৫০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, পেকুয়া, কক্সবাজারে ৬৫টি এবং ১০০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ভৈরব, কিশোরগঞ্জে ৭২টি পদ সৃজনের প্রস্তাব করা হয়েছে।

অন্যদিকে ৫০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কুলিয়ারচর, কিশোরগঞ্জে ৬৫টি, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতাল, ফেনীতে ৫৩টি এবং ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল, মহেশপুর, ঝিনাইদহে ৪১টি পদ সৃজনের প্রস্তাব রয়েছে। সব মিলিয়ে সবগুলো প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাবিত পদ মিলে ২ হাজার ৯৪১টি নতুন রাজস্ব পদ সৃজনের প্রস্তাব করা হয়েছে।

নোটিশ অনুযায়ী, সভায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য প্রস্তাবিত নতুন রাজস্ব পদ সৃজনের বিষয়টি পর্যালোচনা ও আলোচনা করা হবে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, তথ্য-উপাত্ত ও সংশ্লিষ্ট নথি উপস্থাপনের মাধ্যমে পদ সৃজনের যৌক্তিকতা যাচাই করা হবে। স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিতব্য সভায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন। সভায় আলোচনা শেষে এসব প্রতিষ্ঠানে প্রস্তাবিত পদগুলো সৃজনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব সজীব আহমেদ স্বাক্ষরিত নোটিশে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ নির্ধারিত সময় ও স্থানে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: মানব পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে: শামা ওবায়েদ

সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে নতুন রাজস্ব পদ সৃজন হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর জনবল সংকট কমানোর পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবার পরিধি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে বিশেষায়িত হাসপাতাল, জেলা সদর হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীর চাপের তুলনায় প্রয়োজনীয় জনবল না থাকলে চিকিৎসাসেবা ও অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

নতুন পদ সৃজনের পর নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে চিকিৎসক, নার্স, টেকনোলজিস্ট, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের জনবল বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে। এর ফলে সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে সেবার সক্ষমতা বাড়তে পারে। তবে সভায় প্রস্তাবিত ২ হাজার ৯৪১টি পদ চূড়ান্তভাবে অনুমোদিত হবে কি না, তা সভার সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে কোনো পদ অপরিবর্তিত রাখা, সংশোধন করা কিংবা সংখ্যা কম-বেশি করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হতে পারে।

স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো সম্প্রসারণের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রয়োজনীয় জনবল নিশ্চিত করা জরুরি। এই কারণে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চাহিদা ও সেবার পরিধি বিবেচনায় নিয়ে পর্যায়ক্রমে নতুন রাজস্ব পদ সৃজনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

আগামীকাল সভায় প্রস্তাবগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। সভার সিদ্ধান্তের পর প্রস্তাবিত পদগুলোর পরবর্তী প্রশাসনিক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: জামালগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুলিয়ারচরে দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মুহাম্মদ কাইসার হামিদ, কুলিয়ারচর (কিশোরগঞ্জ) সংবাদদাতা

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৫৯ পি.এম


কুলিয়ারচরে দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে তারুণ্যের একতা, গড়বে আগামীর শুদ্ধতা’ এই প্রতিপাদ্য বিষয়ক সামনে রেখে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে তরুণ প্রজন্মকে সচেতন এবং সক্রিয় করার লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা এবং পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল ১১ টার সময় কুলিয়ারচর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

এতে সহযোগিতার জন্য কিশোরগঞ্জ জেলা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং কুলিয়ারচর উপজেলা প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।

এই সময়ে উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি, কুলিয়ারচর সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মো. ইদ্রিস মিয়ার সভাপতিত্বে এবং উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাবেক প্রধান শিক্ষক মো. নুরুল আলম রাশিদের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. ইয়াছিন খন্দকার।

বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশন কিশোরগঞ্জের সহকারী উপপরিচালক ইসতেহাক আহম্মেদ।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) এস.আর.এম.জি কিবরিয়া, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মাহমুদা সুলতানা, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্যাবৃন্দ আব্দুল কাদির, লীলা রানী সাহা, মো. নাঈমুজ্জামান নাঈম এবং আলি হায়দার শাহিনসহ বিভিন্ন বিদ্যালয় থেকে আগত শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

মডারেটরের দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কুলিয়ারচর সরকারি কলেজের প্রভাষক মো. রফিকুল বাহার।

বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা দুর্নীতির বিভিন্ন কারণ, এর সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব এবং দুর্নীতি প্রতিরোধে ব্যক্তি ও রাষ্ট্রের করণীয় বিষয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরে। প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীদের যুক্তিনির্ভর তথ্য, বক্তব্য এবং সাবলীল উপস্থাপনায় উঠে এসেছে দুর্নীতির ভয়াবহতা এবং একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক সমাজ প্রতিষ্ঠায় তরুণদের করণীয়।

এছাড়া, প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া শিক্ষার্থীরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতে বলেন, দুর্নীতি প্রতিরোধের সূচনা ব্যক্তিগত পর্যায় থেকেই হওয়া উচিত। ঘুষ প্রদান ও গ্রহণ, ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বজনপ্রীতি এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। একইসঙ্গে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন তারা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দুর্নীতি কেবল রাষ্ট্রীয় উন্নয়নের পথে বাধা নয়, এটি সমাজের নৈতিক ভিত্তিকে দুর্বল করে দেয়। দুর্নীতির কারণে রাষ্ট্রের সম্পদের অপচয় হয়, সাধারণ মানুষ তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হন এবং প্রশাসনের প্রতি মানুষের আস্থার সংকট তৈরি হয়। সুতরাং, দুর্নীতি প্রতিরোধে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি মানুষের মধ্যে নৈতিকতা এবং মূল্যবোধের চর্চা বাড়াতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, তরুণ সমাজকে বাদ দিয়ে দুর্নীতিবিরোধী একটি কার্যকর আন্দোলন গড়ে তোলা সম্ভব নয়। কারণ বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত হবে। তাদের মধ্যে সততা, স্বচ্ছতা, দেশপ্রেম এবং দায়িত্ববোধের চর্চা নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী সামাজিক প্রতিরোধ তৈরি হবে।

আয়োজকদের মতে, বিতর্ক প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের শুধু বক্তব্য দেওয়ার দক্ষতা বৃদ্ধি করে না; বরং কোনো সমস্যাকে যুক্তি এবং বিশ্লেষণের মাধ্যমে দেখার সুযোগ তৈরি করে। দুর্নীতির মতো সামাজিক ব্যাধি নিয়ে শিক্ষার্থীদের চিন্তা এবং মতামত প্রকাশের মাধ্যমে তাদের মধ্যে সচেতন নাগরিক হওয়ার মানসিকতা গড়ে উঠছে।

অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেছে। প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার এবং সনদ বিতরণ করা হয়েছে। অতিথিরা বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন এবং তাদেরকে ভবিষ্যতে দুর্নীতিবিরোধী বিভিন্ন কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।

পুরস্কার বিতরণ শেষে আয়োজকরা জানান, একটি বিতর্ক প্রতিযোগিতা হয়তো একদিনে সমাজ থেকে দুর্নীতি দূর করতে পারবে না। তবে, এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের চিন্তার জগতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনছে এবং তাদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে উৎসাহিত করছে। ধারাবাহিকভাবে এই ধরনের কর্মসূচি আয়োজন করা হলে সমাজে দুর্নীতিবিরোধী সচেতনতা আরও বিস্তৃত হবে।

আয়োজকরা জানান, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থী এবং তরুণদের সম্পৃক্ত করে বিভিন্ন কর্মসূচি অব্যাহত রাখা হবে। তাদের প্রত্যাশা, আজকের সচেতন তরুণরাই আগামী দিনের বাংলাদেশকে আরও স্বচ্ছ, ন্যায়ভিত্তিক এবং দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

থাইল্যান্ডে দুর্ঘটনায় আহত অভিনেতা খায়রুল বাসার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:০০ পি.এম


থাইল্যান্ডে দুর্ঘটনায় আহত অভিনেতা খায়রুল বাসার

থাইল্যান্ডে নাটকের শুটিং করতে গিয়ে হতাহতের শিকার হন অভিনেতা খায়রুল বাসার। পাহাড়ের উপর শুটিং সম্পন্ন করার পর যখন নিচে নামছিলেন, তখন তার স্কুটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়ে যান।

স্কুটিটি চালাচ্ছিলেন চিত্রগ্রাহক মেহেদী রনি। দুর্ঘটনায় দুজনই আঘাত পান এবং বর্তমানে তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টার পরে এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।

হাসপাতাল থেকে গণমাধ্যমের কাছে খায়রুল বাসার বলেন, 'আমরা নাটকের শুটিং করতে থাইল্যান্ড এসেছিলাম। কাজটি স্বাভাবিকভাবে এগোচ্ছিল। কিন্তু আমাদের একটি দৃশ্যের শুটিং চলাকালীন কোলান দ্বীপে, কিছুক্ষণ পর আমরা পাহাড়ের উপরে শুটিং করি। শুটিং সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছিল। তবে নামার সময় হঠাৎ আমাদের স্কুটি নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং আমরা পড়ে যাই।'

দুর্ঘটনাটি ঘটে যাওয়ায় প্রথমদিকে তারা কিছুই বুঝতে পারেননি। সেই মুহুর্তে শুটিং দলের অন্যান্য সদস্যরা কিছুটা দূরে অবস্থান করছিলেন। পরে তারা দ্রুত এগিয়ে এসে আহত অভিনেতা ও চিত্রগ্রাহককে উদ্ধার করেন।

দুর্ঘটনার পর নিজের আঘাতের কথা জানিয়ে বাসার বলেন, 'দুর্ঘটনায় আমার বুকে ব্যথা পেয়েছি, হাঁটুতেও আঘাত লেগেছে। হাঁটতে কষ্ট হচ্ছে। বর্তমানে আমরা পাতায়ায় এসেছি। এখানে হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করছি। এই অবস্থায় শুটিং বাতিল করতে হয়েছে। আমার শারীরিক অবস্থার কারণে শুটিং করা সম্ভব নয়।'

অভিনেতা জানান, দুর্ঘটনায় চিত্রগ্রাহক মেহেদী রনির শরীরের বেশ কিছু অংশ ছুলে গেছে এবং তার আঘাত বাসারের চেয়ে গুরুতর।

জানা গেছে যে, থাইল্যান্ডে একাধিক নাটকের শুটিং করতে গেছেন খায়রুল বাসার। ঈদের পর দীর্ঘ বিরতিতে এবারই তিনি বিদেশে শুটিংয়ে অংশ নিচ্ছেন।

দুর্ঘটনার কারণে আপাতত শুটিং বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছেন। চিকিৎসা ও বিশ্রামের পর তার শারীরিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী শুটিংয়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লাইসেন্স পেল বাংলালিংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘নিও পিএসপি লিমিটেড’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:০২ পি.এম


লাইসেন্স পেল বাংলালিংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘নিও পিএসপি লিমিটেড’

বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেডের শতভাগ মালিকানাধীন সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘নিও পিএসপি লিমিটেড’কে বাংলাদেশ ব্যাংক পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি) হিসেবে লাইসেন্স দিয়েছে। এই লাইসেন্সের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি দেশের অভ্যন্তরে অনুমোদিতভাবে পরিশোধ সেবা দিতে সক্ষম হবে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেম ডিপার্টমেন্ট-১-এর পরিচালক আ ন ম মঈনুল কবীর সই করা এক প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পরিশোধ ও নিষ্পত্তি ব্যবস্থা আইন, ২০২৪-এর ৫(৪) ধারার ক্ষমতাবলে নিও পিএসপি লিমিটেডকে লাইসেন্স প্রদান করা হয়েছে। ১১ আগস্ট জারি করা এই পত্রে উল্লিখিত শর্ত সাপেক্ষে লাইসেন্সটি দেওয়া হয়েছে।

নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে ১ হাজার কোটি টাকার তহবিল প্রসঙ্গে আরও জানানো হয়েছে। পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি) হলো এমন প্রতিষ্ঠান, যারা অনলাইনে বা ডিজিটাল মাধ্যমে টাকা লেনদেনের সুবিধা দেয়। সহজ ভাষায়, গ্রাহকের টাকা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ডিজিটালভাবে পৌঁছে দিতে যে প্রতিষ্ঠান সেবা প্রদান করে, সেটিই পিএসপি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন পাওয়ার পর, নিও পিএসপি দেশের পেমেন্ট সেবা খাতে কার্যক্রম পরিচালনার আগ্রহী হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের মালিকানা বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেডের। নিও পিএসপিকে নিয়ে দেশে লাইসেন্সপ্রাপ্ত পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডারের সংখ্যা এখন ১০টিতে দাঁড়িয়েছে। পূর্বে দেশে ৯টি পিএসপি কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল।

বর্তমানে কার্যরত ৯টি পিএসপি হলো-আইপে সিস্টেমস লিমিটেড, ডি মানি বাংলাদেশ লিমিটেড, রিকার্শন ফিনটেক লিমিটেড, গ্রিন অ্যান্ড রেড টেকনোলজিস লিমিটেড, প্রগতি সিস্টেমস লিমিটেড, এবিজি টেকনোলজিস লিমিটেড, ডিজিটাল পেমেন্টস লিমিটেড, শেবা ফিনটেক লিমিটেড এবং সমাধান সার্ভিসেস লিমিটেড।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুষ্টিয়ায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে অগ্নিসংযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:০৩ পি.এম


কুষ্টিয়ায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে অগ্নিসংযোগ

কুষ্টিয়া শহরের শহিদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামের সামনে স্থাপিত জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে দুর্বৃত্তরা অগ্নিকাণ্ড সৃষ্টি করেছে। ধারণা করা হচ্ছে যে, ছাত্রলীগের কিছু সদস্য এই অগ্নিকাণ্ডে জড়িত ছিল।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে ঘটনাটি একটি ভিডিও ক্লিপের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এর আগে, সোমবার (১০ আগস্ট) গভীর রাতে অগ্নিকাণ্ড ঘটনার সূচনা ঘটে।

ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে যে, জ্বালানি তেল ঢেলে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুন লাগানো হচ্ছে। ভিডিওতে একজন পুরুষকে বলতে শোনা যায়, 'ভয় করি না বুলেট বোমা, শেখ হাসিনা আসবে- বাংলাদেশ হাসবে', 'আমার সোনার বাংলায় রাজাকারের ঠাঁই নাই, জয় বাংলা- জয় বঙ্গবন্ধু'। এ ছাড়া, সেখানে হানিফের নামে স্লোগান দেওয়া হয় এবং তারা জুলাইয়ের বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়। শেষে তাদের মন্তব্য ছিল, ‘আমরা শেখ হাসিনাকে ডিসেম্বরে ইনশাআল্লাহ ওয়েলকাম করে নিয়ে আসব।'

এই ঘটনার পর, কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার সরকার, মডেল থানার ওসি কবির হোসেন মাতুব্বরসহ অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তাগণ মঙ্গলবার দুপুরে ঘটনাস্থলে যান। এসময় তারা ব্যক্ত করেন যে, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%