১০:৩৫ এম
বিয়ের বিষয় এবং ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে যে ভিত্তিহীন খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, সে সম্পর্কে কঠোর প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রতিবেদন করেছেন ঢালিউডের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পূজা চেরি। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই বিষয়টি নিয়ে একটি দীর্ঘ স্ট্যাটাসশেয়ার করেছেন।
সোমবার (১৭ আগস্ট) তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে তার বিয়ে এখনও হয়নি। বিয়েকে কেন্দ্র করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে একাধিক সংবাদমাধ্যমে অসত্য তথ্য তৈরি করা হচ্ছে, যা পূজার জন্য অত্যন্ত বিব্রতকর এবং দুঃখজনক বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন। পূজা জানান, সবাইকে তিনি জানিয়ে বিয়ে করবেন।
পরবর্তীতে পূজা জানান, অনুমতি ছাড়া যদি তার সম্পর্কে অসত্য সংবাদ প্রকাশ করা হয়, তাহলে তিনি ব্যক্তিস্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ ও ভিত্তিহীন খবরের প্রচারের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত আছেন।
আরও পড়ুন: তারেক রহমান: বিশ্ববাসী একদিন বাংলাদেশের উদাহরণ দেবে
জনসাধারণের জন্য, চিত্রনায়িকা পূজা চেরির ফেসবুক পোস্টটি তুলে ধরা হলোঃ
"সবাইকে শুভেচ্ছা। আমি দেখতে পাচ্ছি, গত কিছুদিন ধরে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে আমার বিয়ে এবং ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে একের পর এক ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে। কখনো অমুক পেশার কারো সাথে, কখনো অন্য কারো সাথে নাম জড়িয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নিউজ তৈরি করা হচ্ছে—যা অত্যন্ত বিব্রতকর এবং দুঃখজনক।
"আমি আগেই একটি সাক্ষাৎকারে স্পষ্টভাবে বলেছিলাম—আমি এনগেজড এবং পারিবারিকভাবে আমার বিয়ে ঠিক করা হয়েছে। আমি এটাও নিশ্চিত করেছিলাম যে, যখনই আমার বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে আমি নিজেই তা প্রকাশ্যে অত্যন্ত আনন্দের সাথে সবাইকে জানাবো। লুকানোর কিছু নেই। বর্তমানে আমি নিজেকে কিছুটা সময় দিচ্ছি, নতুন কাজের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করছি এবং সেই কারণেই ক্যামেরার সামনে অনুপস্থিত।
"কিন্তু কোনো তথ্য যাচাই না করে বারবার আমাকে জড়িয়ে এভাবে অসত্য সংবাদ প্রকাশ করার পেছনে উদ্দেশ্য কী, তা আমার বোধগম্য নয়। বারবার বলতে চাই—আমার এখনও বিয়ে হয়নি। যখন হবে, আপনারাই প্রথম জানতে পারবেন।
আরও পড়ুন: শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী ধারণায় অর্থায়ন করবে সরকার: মাহদী আমিন
"সবাইকে স্মরণে করিয়ে দিতে চাই, অনুমতি ছাড়া কারো ব্যক্তিস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা এবং কোনো নাগরিককে নিয়ে ভিত্তিহীন বা মিথ্যা তথ্য প্রচার করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। বাংলাদেশের সংবিধানের ৩১ ও ৪৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রত্যেক নাগরিকের আইনি সুরক্ষা এবং তার ব্যক্তিগত জীবনের গোপনীয়তা ও সুনাম রক্ষার পূর্ণ অধিকার রয়েছে।
"সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩-এর ২৫ ধারা অনুযায়ী, ইন্টারনেটে বা ডিজিটাল মাধ্যমে ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে মিথ্যা, অপমানজনক বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আমি সবসময় আপনাদের ভালোবাসা ও গণমাধ্যমের সহযোগিতাকে সম্মান জানিয়ে এসেছি। কিন্তু আমার নীরবতাকে কেউ যদি ভিত্তিহীন সংবাদের সুযোগ বানিয়ে নেয়, তবে আমি নিজের আইনি অধিকার রক্ষায় বাধ্য হবো।
"আশা করি, সাংবাদিক ভাইবোনেরা ও গণমাধ্যমকর্মীরা বস্তুনিষ্ঠ তথ্য পরিবেশন করবেন এবং অসত্য নিউজ প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকবেন। ভালোবাসা ও শুভকামনা সবার জন্য।"
আরও পড়ুন: জামায়াত আমিরের দাবি, মেজর আখতারুজ্জামানের ছেলের ওপর হামলায় জড়িত মাদক কারবারিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন