বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
১২:০৫ এম
ইয়েমেনে হুথি আন্দোলনকে দুর্বল করার জন্য সৌদি আরব দেশটির উত্তরাঞ্চলে শিয়া জায়দি ও সুন্নি সালাফিদের মধ্যে বিভাজন তৈরির একটি পরিকল্পনা করেছিল। কিছু গোপন নথির বরাতে এমন চাঞ্চল্যকর দাবি করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ড্রপ সাইট নিউজে বলা হয়েছে, ২০১২ সালের জানুয়ারিতে সৌদি আরবের তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী সালমান বিন আবদুল আজিজ একটি গোপন সরকারি কমিটিকে নির্দেশ দিয়েছিলেন ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চলের সংঘাতকে আরও বিস্তৃত করার।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি আরবের ওই পরিকল্পনার লক্ষ্য ছিল আনসারুল্লাহ বা হুথিদের সঙ্গে উত্তর ইয়েমেনের বৃহত্তর জায়দি শিয়া জনগণের মধ্যে দূরত্ব তৈরি করা। একই সঙ্গে, হুথিবিরোধী উপজাতিদের শক্তিশালী করার চেষ্টা করা।
২০১১ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর ইয়েমেনের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে। ৩৩ বছর ক্ষমতায় থাকা প্রেসিডেন্ট আলি আবদুল্লাহ সালেহ ক্ষমতা ছাড়েন। এরপর তার সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট আবদ রাব্বু মনসুর হাদি ক্ষমতায় এলেও, রাজনৈতিক বিভক্তি কাটেনি।
এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে, উত্তর ইয়েমেনের সাদা অঞ্চলে হুথি আন্দোলন শক্তিশালী হয়ে ওঠে। সৌদি আরব উদ্বিগ্ন ছিল, সীমান্তবর্তী এই গোষ্ঠী ভবিষ্যতে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সালমানের পরিকল্পনার দুটি দিক ছিল। প্রথমত, হুথিদের বিরুদ্ধে লড়াইরত ইয়েমেনি উপজাতিদের অস্ত্র ও অর্থ সহায়তা দেওয়া। দ্বিতীয়ত, হুথি নেতৃত্বাধীন আনসারুল্লাহ ও সাধারণ জায়দি জনগণের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা।
নথিতে উল্লেখ রয়েছে, সংঘাতকে সরাসরি সুন্নি-শিয়া যুদ্ধ হিসেবে উপস্থাপন না করার বিষয়ে সতর্কতাও ছিল। কারণ, যদি এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়, তাহলে উত্তর ইয়েমেনের শিয়া জায়দি জনগণের বড় অংশ হুথিদের পাশে দাঁড়াতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, হুথিদের শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক বা সামরিক গোষ্ঠী হিসেবে যুক্ত রাখা ছিল এই কৌশলের লক্ষ্য, যাতে তারা পুরো জায়দি সম্প্রদায়ের রক্ষক হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে না পারে।
তবে, পরবর্তীতে ২০১৫ সালে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট হুথিদের বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক অভিযান শুরু করে। দীর্ঘ আট বছরের যুদ্ধে ইয়েমেন ভয়াবহ মানবিক সংকটে পড়েছে।
ড্রপ সাইট নিউজের দাবি, তাদের হাতে থাকা সৌদি গোপন নথিগুলো ইয়েমেন নীতিতে রিয়াদের দীর্ঘমেয়াদি কৌশল সম্পর্কে নতুন প্রশ্ন তুলেছে। তবে সৌদি সরকার এসব নথি নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কলকাতার সরকারি স্কুলগুলোতে দুপুরের খাবার দেওয়ার দায়িত্ব ইসকনকে দেওয়া হলেও ছাত্র-ছাত্রীদের খাবারে ডিমও দেওয়ার ব্যবস্থা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
পহেলা আগস্ট থেকে কলকাতার সরকারি স্কুলগুলোতে দুপুরের খাবার পরিবেশন করবে ইসকন। সারা দেশে দুপুরের খাবার পরিবেশনের এই ব্যবস্থার নাম ‘মিড-ডে মিল’ হিসেবে পরিচিত।
ইসকন সম্পূর্ণভাবে নিরামিষাশী, ফলে স্কুলের খাবার বিতরণের দায়িত্ব তাদের দেওয়া নিয়ে ছাত্রছাত্রীদের ডিম দেওয়া বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। বিরোধী দল এবং অভিভাবকদের অনেকেই অভিযোগ তুলেছেন যে ছাত্রছাত্রীদের প্রাণীজ প্রোটিন থেকে বঞ্চিত করা হবে, এবং তাদের নিরামিষ খাবার খেতে বাধ্য করা হবে।
দুপুরের খাবারের দায়িত্বে ইসকনকে রেখেও শুভেন্দু অধিকারী বুধবার ঘোষণা করেছেন যে পড়ুয়াদের জন্য ডিম দেওয়ার জন্য আলাদা ব্যবস্থা করা হবে। তিনি বলেছেন, এসএইচজিকে (সেল্ফ হেল্প গ্রুপ বা স্বনির্ভর গোষ্ঠী) মাধ্যমে আমরা সপ্তাহে একদিন বা দু’দিন সেদ্ধ ডিম আলাদাভাবে বিতরণ করব বাচ্চাদের। ইসকন সাত্ত্বিকতা বজায় রেখে খাবার সরবরাহ করবে। এটা ওড়িশাতে প্রচলিত।
ইসকন ভারতের বহু রাজ্যে মিড ডে মিলের খাবার সরবরাহ করে, এবং আমরা সেটি গ্রহণ করেছি। তিনি বলেছেন, ওড়িশার স্কুলে যেভাবে আলাদা করে পড়ুয়াদের মিড ডে মিলে ডিম দেওয়া হয়, পশ্চিমবঙ্গও একই ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
ভারতের স্কুলগুলোতে মিড ডে মিল চালু করার উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং পড়ুয়াদের পুষ্টির দিকে নজর রাখা। অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া বহু পরিবারের শিশুরা মিড ডে মিলের খাবারের উপর অনেকটাই নির্ভর করে।
ইসকনের পক্ষ থেকে দুধ, রাজমা ইত্যাদি খাবার পড়ুয়াদের মিড ডে মিলে থাকার কথা বলা হলেও তা পশ্চিমবঙ্গের মূলত: আমিষভোজী পরিবারের ছাত্রছাত্রীদের কতটা পছন্দ হবে, তা নিয়ে আলোচনা থেমে নেই।
এদিকে, বুধবার এই ঘোষণা করেন শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি, তিনি বলেছেন, মিড ডে মিল নিয়ে যে বৈষম্য ছিল, তা আমরা দূর করেছি। আগে হাইস্কুলে মাথাপিছু মিড ডে মিলে বরাদ্দ ছিল ১০ টাকা, আর প্রাথমিকে ৬ টাকা ৭৮ পয়সা। আমরা প্রাইমারিতেও ১০ টাকা করে বরাদ্দ করেছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ ৩০ জুলাই বৃহস্পতিবার কুমিল্লা প্রেসক্লাব কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এটি ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের জন্য অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আগামী ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কুমিল্লা প্রেসক্লাব ভবনের দ্বিতীয় তলায় একটানা ভোট গ্রহণ চলবে। নির্বাচনে মোট ১৭টি পদে ভোটগ্রহণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ নির্বাচনে ৭০ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার সুযোগ পাবেন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নির্বাচনের দায়িত্বে রয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার শাহ মোহাম্মদ আলমগীর খান। তাঁর সঙ্গে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আবুল হাসানাত বাবুল এবং বদরুল হুদা জেনু।
নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন মোহাম্মদ সহিদ উল্লাহ মিয়াজী, নজরুল ইসলাম দুলাল এবং কাজী এনামুল হক ফারুক। সহ-সভাপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন সাদিক হোসেন মামুন, মাহবুব আলম বাবু, মোতাহার হোসেন মাহবুব, তাওহীদ হোসেন মিঠু এবং মো. রফিকুল ইসলাম। সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থিতা ঘোষণা করেছেন ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু এবং মো. জাহিদ হাসান। সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে বাহার উদ্দিন রায়হান এবং দেলোয়ার হোসাইন আকাইদ প্রার্থী হয়েছেন।
এছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে হুমায়ুন কবির জীবন এবং মো. সেলিম রেজা মুন্সী, অর্থ সম্পাদক হিসেবে সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী এবং শাহ আলম শফি, দপ্তর সম্পাদক হিসেবে ওমর ফারুকী তাপস এবং জাহিদুর রহমান, পাঠাগার সম্পাদক হিসেবে জি এম জামাল উদ্দিন দামাল এবং হাবিবুর রহমান খান, বিজ্ঞান, তথ্য প্রযুক্তি ও গবেষণা সম্পাদক হিসাবে মোঃ নেকবর হোসেন এবং মোঃ আসিফ হোসাইন মান্না, সাহিত্য, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে মনির হোসেন এবং দিলীপ মজুমদার, নির্বাহী সদস্য পদে মোঃ জসিম উদ্দিন কনক, এইচ এম জাকারিয়া মানিক, মোঃ আনোয়ার হোসাইন, মামশাদ কবীর, রফিকুল ইসলাম চৌধুরী খোকন, খালেদ সাইফুল্লাহ, ইয়াসমীন রীমা এবং মোঃ সহিদ উল্লাহ প্রার্থী হয়েছেন।
এ নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করছেন আলহাজ শাহ্ মোহাম্মদ আলমগীর খান। কমিশনের এক কর্মকর্তা বলেছেন, অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ইতিমধ্যে সকল কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। আমরা আশা করি বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ছয়নাী ইউথ ফাউন্ডেশন (Chhayani Youth Foundation) আয়োজন করে আর্ট ও ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতা "Brain Charge-26" এ অংশ নিয়ে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছেন সামিয়া সুলতানা এবং নীলিমা নিজাম। তারা দু'জনই নোয়াখালী সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী এবং NGC Art & Photography Club-এর কৃতী সদস্য।
ফটোগ্রাফি বিভাগের প্রথম স্থান অর্জন করেছেন ক্লাবটির ফাইন্যান্স সেক্রেটারি ও নোসক শিক্ষার্থী সামিয়া সুলতানা। একই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন ক্লাবের জয়েন্ট ক্লাব ডেভেলপমেন্ট সেক্রেটারি ও নোসক শিক্ষার্থী নীলিমা নিজাম।
শিক্ষার্থীদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশের লক্ষ্যে, ছয়ানি ইউথ ক্লাব আয়োজিত আর্ট ও ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতায়, জেলার বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের অসংখ্য প্রতিযোগী শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। সম্প্রতি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের স্থানীয় এক কমিউনিটি সেন্টারে একটি জমকালো আয়োজনের মাধ্যমে পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে অতিথিরা বিজয়ী প্রতিযোগীদের হাতে পুরস্কার, ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেন।
এনজিসি আর্ট এন্ড ফটোগ্রাফি ক্লাবের সভাপতি আবুল হাসনাত রিজভী মন্তব্য করেন, তাদের এই অনন্য অর্জন শুধুমাত্র ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং এটি আমাদের পুরো ক্লাবের জন্য এক গর্ব ও অনুপ্রেরণার বিষয়। এমন কৃতিত্ব পুরো কলেজের জন্যও সম্মানের। আমরা বিশ্বাস করি ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিভিন্ন প্রতিযোগিতাতেও আমাদের সদস্যরা কলেজের জন্য এমন অসাধারণ অর্জন আনতে সক্ষম হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হরমুজ সম্পর্কে ছাড় দিতে ইরান প্রস্তুত নয়। আন্তর্জাতিক ডেস্ক থেকে জানানো হয়েছে।
হরমুজ প্রণালির যৌথ পরিচালনার জন্য ওমান যে প্রস্তাব দিয়েছিল, সেটি ইরান পত্রপাঠ প্রত্যাখ্যান করেছে। এরপর তেহরান নিজেই একটি নতুন প্রস্তাব সামনে এনেছে। এ কারণে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে, ইরানের মূল লক্ষ্য কী?
বিষয়টি হচ্ছে, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইরান কি অর্থনৈতিক লাভের উদ্দেশ্যে আগ্রহী? আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইআইএসএস এর গবেষক সাশা ব্রুকম্যান আল জাজিরাকে জানান, ইরান একা হরমুজ নিয়ন্ত্রণ করতে চায়, যাতে কৌশলগত এবং সামরিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা যায়।
ব্রুকম্যান জানান, ‘হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরানের দাবির ধরন পরিবর্তিত হলেও মূল উদ্দেশ্য অপরিবর্তিত রয়েছে।' শুরুতে ইরান প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজ থেকে টোল আদায়ের কথা বলছিল। পরে সেটি পরিবর্তন করে ‘সেবা ফি’ এবং বর্তমানে ‘স্বেচ্ছামূলক ফি’ বলা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এসব দাবির মূল উদ্দেশ্য হলো হরমুজ প্রণালিতে ইরানের প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা। তিনি আরও বলেন, ওমানের প্রস্তাবিত ৫০-৫০ যৌথ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা ইরান প্রত্যাখ্যান করেছে, কারণ এতে একটি নৌপথ তাদের সরাসরি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে।
ব্রুকম্যানের বিশ্লেষণে উপস্থাপিত দৃষ্টিতে, এটি এমন একটি লেন, যেটি তারা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না। এই বিষয়টি সামরিক ও নিরাপত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত, বৈশ্বিক তেল সরবরাহ নিশ্চিত করার সঙ্গে নয়।
বিশ্লেষকরা বলছেন, হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্ব বহনকারী জ্বালানি পরিবহন পথ। এই নৌপথের ওপর প্রভাব প্রতিষ্ঠা করলে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে ইরান বড় ধরনের কৌশলগত সুবিধা লাভ করতে সক্ষম হবে।
ব্রুকম্যান আরও বলেন, ওয়াশিংটনকে পাশ কাটিয়ে উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে আলাদা সমঝোতায় পৌছানো এবং ধাপে ধাপে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করাই হচ্ছে ইরানের বর্তমান কৌশল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ