প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হিলি রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রাবিরতির অনুমোদন লাভ করেছে নীলসাগর এক্সপ্রেস ও চিলাহাটি এক্সপ্রেস। স্থানীয় ব্যবসায়ী, বাসিন্দা এবং যাত্রীরা রেলপথ মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্তে আনন্দিত হয়েছেন, যা দীর্ঘদিনের দাবি পূরণের ফলস্বরূপ। ট্রেন দুটি হিলি স্টেশনে যাত্রাবিরতি করলে, রাজধানী ঢাকা এবং দেশের অন্যান্য স্থানে যাতায়াত আরও সহজ হয়ে উঠবে। এর পাশাপাশি, হিলি স্থলবন্দর ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যবসা-বাণিজ্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
২৮ অক্টোবর তারিখে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের একটি চিঠিতে জানানো হয়েছে যে, যাত্রীদের চাহিদা এবং রেলের রাজস্ব আদায়ের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ট্রেন দুটি যাত্রাবিরতির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের যাতায়াতের ভোগান্তি কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
বাংলাহিলি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফেরদৌস রহমান মন্তব্য করেন, "হিলি স্থলবন্দর ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের জন্য ট্রেন দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।" তিনি আরও বলেন, "ব্যবসায়ীদের যাতায়াত সহজ হলে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য আরও গতিশীল হবে।" বিশেষ করে ব্যবসায়িক প্রয়োজনে ঢাকায় যাতায়াতের ক্ষেত্রে সময় এবং ভোগান্তি কমবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন বলেন, "হিলি স্টেশনে দুটি ট্রেনের যাত্রাবিরতির অনুমোদনের খবরটি সত্যিই আনন্দের।" তিনি উল্লেখ করেন, "এর আগে ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভসহ নানা কর্মসূচি পালন করেছি। তবে তাতে কোনো সুফল পাইনি।" দীর্ঘদিন পর হলেও এমন খবর পেয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং বর্তমান সরকারের সমাজকল্যাণমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।
হিলি স্থলবন্দর ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে রেল যোগাযোগের ক্ষেত্রে নানা ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে এ এলাকার মানুষকে। বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর হিলি স্থলবন্দরের সড়ক সম্প্রসারণের কাজও এগিয়ে চলছে। এর মধ্যে দুটি ট্রেনের যাত্রাবিরতির অনুমোদন স্থানীয়দের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, ট্রেন দুটি নিয়মিত যাত্রাবিরতি শুরু করলে হিলি ও আশপাশের এলাকার মানুষের যাতায়াত আরও সহজ হবে। একই সঙ্গে চাকরিপ্রত্যাশী এবং চিকিৎসাসেবা নিতে ঢাকায় যাতায়াতকারী মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তিও অনেকটা কমবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন