প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী থানাধীন বারোমারী সাধু লিওর খ্রিস্টান ধর্মপল্লীতে যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও পূর্ণ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে দুই দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী ‘ফাতেমা রাণী মা মারীয়ার তীর্থোৎসব-২০২৬’। জেলা পুলিশের সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত খ্রিষ্টভক্তরা নির্বিঘ্নে তাঁদের প্রার্থনা ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
তীর্থোৎসব উপলক্ষে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা ও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান ও বারোমারী মিশনের ধর্মীয় কার্যক্রম এবং পুরো উৎসব প্রাঙ্গণের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন শেরপুর জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব এ, কে, এম জহিরুল ইসলাম।
পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার মহোদয় তীর্থোৎসব পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত খ্রিষ্টভক্তদের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন। পাশাপাশি তিনি সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন এবং তীর্থযাত্রীরা যাতে নির্বিঘ্নে প্রার্থনা ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে পারেন, সে বিষয়ে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।
ভারতের মেঘালয় সীমান্তঘেঁষা গারো পাহাড়ের সবুজ কোলে, পর্তুগালের ঐতিহাসিক 'ফাতেমা নগর'-এর আদলে ১৯৯৭ সালে গড়ে ওঠে এই বারোমারী খ্রিস্টান ধর্মপল্লী। প্রতি বছর অক্টোবরের শেষ বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দেশ-বিদেশের হাজার হাজার পুণ্যার্থীর ভক্তি আর প্রার্থনায় মুখরিত হয়ে ওঠে প্রকৃতির কোলে ডানা মেলা শান্ত এই পাহাড়ি জনপদ।
এ সময় শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) জনাব মোঃ মিজানুর রহমান ভূঁঞা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ২ এপিবিএন জনাব মান্না দে, সহকারী পুলিশ সুপার (নালিতাবাড়ী সার্কেল) জনাব আফসান আল-আলম, নালিতাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান, রেভারেন্ট ফাদার তরুণ বনোয়ারি, তীর্থোৎসব পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাগণ উপস্থিত ছিলেন।
জেলা পুলিশের পেশাদারিত্ব, সতর্কতা ও সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় তীর্থোৎসব শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে সম্পন্ন হয়। এ ধরনের ধর্মীয় আয়োজনে সকলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নির্বিঘ্নে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনের অনুকূল পরিবেশ বজায় রাখতে জেলা পুলিশ সর্বদা দায়িত্বশীল ও আন্তরিক।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন