০৩:১১ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশটির অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থা (আইসিই)’র পরবর্তী পরিচালক হিসেবে ল্যান্স শ্রয়ারকে মনোনয়ন দিয়েছেন, যিনি ওকলাহোমার সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা।
শনিবার তিনি এ মনোনয়ের ঘোষণা দেন।
ট্রাম্প বলেছেন, ল্যান্স শ্রয়ার একজন সাবেক স্টেট ট্রুপার এবং যুক্তরাষ্ট্রের মেরিন বাহিনীর সদস্য। তিনি ‘সবচেয়ে ভয়ংকর অপরাধীদের গ্রেফতারে’ কয়েক দশকের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।
আরও পড়ুন: জামায়াত ইসলামী দলগুলোর ঐক্য নষ্ট করেছে: পীর সাহেব চরমোনাই
ওয়াশিংটন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবরটি প্রকাশ করেছে।
শ্রয়ার আইসিই’র ভারপ্রাপ্ত পরিচালক টড লায়ন্সের স্থলাভিষিক্ত হবেন। ২০২৫ সালের মার্চ মাসে লায়ন্স এ দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তবে তৎকালীন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি ক্রিস্টি নোয়েমকে বরখাস্ত করার কয়েক সপ্তাহ পরে, গত মে মাসে তিনি পদ ছাড়েন।
কয়েক মাস আগে, যখন ট্রাম্পের গণনির্বাসন অভিযান সবচেয়ে দৃশ্যমান ও বিতর্কিত অবস্থায় ছিল, তখন লায়ন্স, নোয়েম এবং কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার কন্ট্রোলের সাবেক প্রধান গ্রেগরি বোভিনো ছিলেন এর প্রধান মুখ।
নোয়েমের উত্তরসূরি মার্কওয়েন মুলিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া একটি পোস্টে বলেছেন, আইসিই’র প্রস্তাবিত নতুন প্রধান ইতোমধ্যেই এ অভিযান পরিচালনায় কাজ করছেন।
আরও পড়ুন: দেশে ফিরে বিচারের মুখোমুখি হোন, প্রয়োজনে টিকিট দেব: শেখ হাসিনাকে তথ্য প্রতিমন্ত্রী
তিনি এ ব্যাপারে বলেন, ‘ল্যান্স সরাসরি মাঠপর্যায়ের দায়িত্ব থেকে আসছেন। সেখানে তিনি বৃহৎ পরিসরের অভিযান পরিচালনা করেছেন এবং ওকলাহোমা থেকে অবৈধ অভিবাসীদের সরিয়ে দিতে অঙ্গরাজ্য ও ফেডারেল অংশীদারদের সঙ্গে মিলিতভাবে কাজ করেছেন।’
ফেডারেল সংস্থার প্রধান হিসেবে মনোনীত ব্যক্তিদের সাধারণত সিনেটের অনুমোদন নেওয়ার প্রয়োজন হয়। তবে ২০১৭ সালের পর থেকে আইসই’র কোনো পরিচালক সিনেটের অনুমোদন পাননি। এরপর থেকে সংস্থাটির প্রধানরা ভারপ্রাপ্ত পরিচালক হিসেবেই দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
মুলিন এক্স-এ লিখেছেন, ‘হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগে সিনেটের অনুমোদন পাওয়া আইসিই পরিচালক নেই ১১ বছর ধরে। সুতরাং, সিনেটের উচিত দ্রুত ল্যান্স শ্রয়ারকে অনুমোদন দেওয়া।’
অনেক মার্কিন নাগরিক ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসনবিরোধী অভিযানকে অতিরিক্ত কঠোর বলে মনে করেন। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলীয় শহর মিনিয়াপোলিসে অভিযানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের সময় ফেডারেল এজেন্টদের গুলিতে দুই মার্কিন নাগরিক রেনি গুড ও অ্যালেক্স প্রেট্টি নিহত হওয়ার পর এ বিতর্ক আরও তীব্র হয়ে ওঠে।
আরও পড়ুন: সৌদি আরবে নিহত সাবেক বিজিবি সদস্য খোরশেদ আলমের দাফন সম্পন্ন
অভিবাসীদের বহিষ্কার কার্যক্রম এখনও অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন