০৯:২৩ পি.এম
দেড় বছর ধরে আলোচনার পর, সিরিয়ায় অবস্থিত রাশিয়ার দুটি সামরিক ঘাঁটির ভবিষ্যৎ নিয়ে একটি সমঝোতা চুক্তিতে পৌঁছেছে উভয় দেশ।
রবিবার (৯ আগস্ট) সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হমেইমিম বিমানবন্দর ও তারতুস বন্দরের বাণিজ্যিক জেটিসহ বেসামরিক স্থাপনাগুলোর পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করবে।
এতে উল্লেখ করা হয়, সেগুলোকে পর্যায়ক্রমে দেশের বেসামরিক প্রশাসনের আওতাভুক্ত করা যাবে।
আরও পড়ুন: মার্কিন সহায়তা বন্ধের পক্ষে এল-সায়েদ, ইসরায়েল ও পাকিস্তানের নাম উল্লেখ
দেশটিতে চলা গৃহযুদ্ধের সময়, ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে সহায়তা করার কাজে এই ঘাঁটিগুলো ব্যবহৃত হয়েছিল।
এতে আরও বলা হয়, সামরিক স্থাপনাগুলোকে উভয় পক্ষের স্বার্থ রক্ষাকারী নতুন ব্যবস্থার অধীনে যৌথ প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন কেন্দ্র হিসেবে রূপান্তর করা হবে।
এই রূপান্তর প্রক্রিয়া তিন মাসের মধ্যে সম্পন্ন হবে।
ভূমধ্যসাগরীয় ও মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে মস্কোর প্রধান সামরিক ঘাঁটি হিসেবে তারতুসের নৌ-স্থাপনা ও হমেইমিম বিমানঘাঁটি দীর্ঘকাল ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
আরও পড়ুন: পাকিস্তান ভেঙে ১২টি নতুন প্রদেশ গঠনের পরিকল্পনা চলছে
২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেই সিরিয়ার নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে এগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা চলছিল।
আলাদা এক বিবৃতিতে সিরিয়ার ‘জেনারেল অথরিটি ফর পোর্টস অ্যান্ড কাস্টমস’ জানিয়েছে, তারতুস বন্দরে আগে রাশিয়ার পরিচালনায় থাকা বাণিজ্যিক এলাকাগুলোর মধ্যে ৪ নম্বর জেটি এবং এর সংলগ্ন গুদাম ও অন্যান্য স্থাপনা অন্তর্ভুক্ত, দায়িত্ব সিরিয়া গ্রহণ করবে।
গত মাসে রয়টার্স জানিয়েছিল, মস্কো তারতুস বন্দরে ৪ নম্বর জেটি ব্যবহার করে একটি বাণিজ্যিক লজিস্টিকস হাব বা কেন্দ্র গড়ে তোলার চেষ্টা করছে।
এটি নৌ-ঘাঁটির বাইরে অবস্থিত একটি সংরক্ষিত এলাকা।
আরও পড়ুন: বিচারকের বিরুদ্ধে প্রেস ব্রিফ: ব্যারিস্টার সারোয়ারকে ২৬ নভেম্বর হাইকোর্টে তলব
ওই সময় উভয় পক্ষ জানিয়েছিল যে, এই কেন্দ্রটি সিরিয়ার নিয়ন্ত্রণেই থাকবে এবং এর যাবতীয় কার্যক্রম সিরিয়ার ‘জেনারেল অথরিটি ফর পোর্টস অ্যান্ড কাস্টমস’-এর অনুমোদনের সাপেক্ষে পরিচালিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন