০২:০৩ পি.এম
গাজায় একটি মানবিক মিশনে যোগ দেওয়ার পর, তিন ইতালীয় নাগরিককে লিবিয়ায় আটক করা হয়েছিল, কিন্তু তাদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
এই মুক্তির বিষয়টি বুধবার ইতালি নিশ্চিত করেছে। আটককে অভিযোগকারীরা ‘অবৈধ’ বলায় তাদের তীব্র নিন্দা জানানো হয়। খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি-এর।
গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা জানায়, এই তিন জন ২৩০ জন মানবিক মিশন কর্মীর অংশ ছিলেন, যারা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসেছিলেন। তারা যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকায় ওষুধ, ভ্রাম্যমাণ ঘরবাড়ি এবং অন্যান্য সামগ্রী বহনকারী স্থলবহরে অংশ নিয়েছিলেন।
আরও পড়ুন: লরেন্স বিষ্ণোইয়ের সহযোগী হরি বক্সার যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেফতার
গাজায় আরোপিত অবরোধ ভাঙার চেষ্টা করা কর্মীদের প্রতি ইসরাইলের এই আচরণ আন্তর্জাতিকভাবে তীব্র নিন্দার মুখে পড়েছে।
সংগঠনটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মুক্তিপ্রাপ্তরা তিউনিসিয়ায় পৌঁছেছেন এবং তাদের সঙ্গে আরেক তিউনিসীয় নাগরিকও আছেন, তিনিও একইভাবে আটক ছিলেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ সংস্থাটি লিখেছে, ৩০ দিনের ‘অবৈধ আটক’ শেষে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আরও ছয় জন কর্মীকে মুক্তি দেওয়া হতে পারে।
সংগঠনটি অভিযোগ করেছে, স্বেচ্ছাসেবকদের ‘যথেচ্ছভাবে আটক, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ও ক্রমাগত মানসিক চাপের’ শিকার হতে হয়েছে।
আরও পড়ুন: মদিনায় ভারী বৃষ্টিতে আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা
ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তাজানি মুক্তিপ্রাপ্তদের নাম প্রকাশ করেছেন। মুক্তিপ্রাপ্তরা হলেনÑ ডোমেনিকো সেন্ট্রোনে, লিওনার্দা আলবেরিজিয়া ও মাতিয়াস আলভারেজ রদ্রিগেজ, যিনি উরুগুয়ে বংশোদ্ভূত ইতালীয় নাগরিক।
গত মাসে এক ইসরাইলি মন্ত্রী ফ্লোটিলা কর্মীদের হাত-পা বাঁধা অবস্থায় হাঁটু গেড়ে বসতে বাধ্য করার একটি ভিডিও পোস্ট করেন, এর পরে, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি ইসরাইল কর্তৃক আটক কর্মীদের আচরণকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে এটিকে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
ওই ফুটেজটি অস্ট্রেলিয়া, কানাডা এবং স্পেনসহ বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন সরকারের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা জানানো হয়।
গাজার সব প্রবেশপথ ২০০৭ সাল থেকে ইসরাইলের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। গাজা যুদ্ধ চলাকালে সেখানে খাদ্য, ওষুধসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে এবং মাঝে মাঝে ইসরাইল ত্রাণ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়।
আরও পড়ুন: আরাগচির সঙ্গে ১২ দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ৪৮ ঘণ্টার আলোচনা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন