০৬:১৩ পি.এম
জনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর নিকোটিন গ্র্যানুলস এবং নিকোটিন পাউচ আমদানি নিরুৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে নতুন কোড সৃজনপূর্বক ৩৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
আরও পড়ুন: দলের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে: আইনমন্ত্রী
নতুন অর্থবছরের জন্য অর্থমন্ত্রী ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট প্রস্তাব করেন। এটি দেশের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ বাজেট হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বাজেটে তামাক ও তামাকজাত পণ্যের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন মূল্য নির্ধারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
এতে সিগারেটের নূন্যতম খুচরা মূল্য নিম্নস্তরের ক্ষেত্রে প্রতি ১০ শলাকা ৬২ টাকা, মধ্যম স্তরে ৯২ টাকা, উচ্চ স্তরে ১৬০ টাকা এবং অতি উচ্চ স্তরে ২১০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।
এখন দেখা যাচ্ছে, নিম্নস্তরে পিসপ্রতি ১ শলাকা সিগারেটের দাম পড়বে ৬.২ টাকা, মধ্যম স্তরে ৯.২ টাকা, উচ্চ স্তরে ১৬ টাকা এবং অতি উচ্চ স্তরে এক শলাকা সিগারেটের দাম ২১ টাকা পড়বে।
আরও পড়ুন: রাজধানীর পান্থপথ, খিলক্ষেত ও ক্যান্টনমেন্টে ককটেল বিস্ফোরণ
নিকোটিন পাউচ এবং হিটেড টোবাকোর ওপর নিম্নবর্ণিত হারে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ও সম্পূরক শুল্ক নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।
প্রস্তাবিত সম্পূরক শুল্কহার;
নিকোটিন পাউচ ৫০০ টাকা (প্রতি ১০ গ্রাম) ৪০ শতাংশ;
হিটেড টোবাকো ২১০ টাকা (প্রতি ১০ শলাকা) ৬৭ শতাংশ।
আরও পড়ুন: সরকার ৬৪ জেলায় প্রতিবন্ধী স্কুল প্রতিষ্ঠা করবে
এ ছাড়াও অবৈধ তামাক পণ্যের বাণিজ্য প্রতিরোধের লক্ষ্যে তামাকপণ্যের উৎপাদন ও সরবরাহ নিবিড় মনিটর করার জন্য ট্র্যাক এবং ট্রেস পদ্ধতি প্রণয়নের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন