১২:৩৯ এম
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেছেন, দেশের জনগণ যখন নাগরিক জীবনে লাগামহীন দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, কর্মসংকট ও ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয়ের চাপে দিশেহারা, ঠিক সেই সময় কোনো কার্যকর গণশুনানি ছাড়াই বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি হলে জনগণের ওপর নতুন বোঝা চাপিয়ে দেওয়ার শামিল। এই সিদ্ধান্ত জনস্বার্থবিরোধী এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে তুলবে।
বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে তিনি আরো বলেন, বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব কৃষি, শিল্প, পরিবহন ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে পড়বে, এর ফলে মূল্যস্ফীতি আরও বৃদ্ধি পাবে। যখন জনগণ স্বস্তি চাইলেও বারবার তাদের কাঁধে অতিরিক্ত চাপ চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, জনসেবামূলক খাতগুলোকে জনগণের কল্যাণের পরিবর্তে রাজস্ব আহরণের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের এই বাণিজ্যিকীকরণ দেশের অর্থনীতি ও জনজীবনের জন্য ক্ষতিকর বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আরও পড়ুন: খেলাফত আন্দোলনের আহ্বান: জননিরাপত্তা জোরদার করতে সরকারের কাছে দাবি
তিনি আরো বলেন, দেশের ব্যাংকিং খাতে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বিশেষ করে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশকে ঘিরে সৃষ্ট অস্থিরতা ও গ্রাহকদের উদ্বেগ দ্রুত নিরসন করা প্রয়োজন। সরকারের উচিত আর্থিক খাতে জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা।
মহাসচিব আরো উল্লেখ করেছেন, বিগত আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শাসনের সুবিধাভোগী বিভিন্ন গোষ্ঠী ও দোসরদের অপতৎপরতা নিয়ে জনমনে উদ্বেগ বিরাজ করছে। এসব অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সরকারের দৃশ্যমান পদক্ষেপের অভাব খুবই হতাশাজনক। তিনি সতর্ক করে বলেন, এই ধরনের অপচেষ্টা ও সরকারের নির্লিপ্ততা অব্যাহত থাকলে দেশ যে কোনো সময় অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারে।
তিনি অবিলম্বে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার, জ্বালানি খাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং ব্যাংকিং খাতে জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন: সোনিয়া গান্ধী: আমার সব সময় মনে হতো, এরপরই খুন করা হবে রাজিবকে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন