প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ডালাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে, আজ যখন স্পেন এবং ফ্রান্স মুখোমুখি হবে, ফুটবলপ্রেমীরা হয়তো কিলিয়ান এমবাপে অথবা লামিনে ইয়ামালের পায়ের জাদুর দিকে নজর রাখবেন। কিন্তু আসলে পর্দার আড়ালে ফুটবলের একটি অভূতপূর্ব দাবা খেলা জমে উঠবে মাত্র কয়েক সেকেন্ডের একটি অবিশ্বাস্য ছকে। ফুটবল বিশেষজ্ঞরা যাকে বলছেন ‘১১.৬ সেকেন্ডের যুদ্ধ’ বলে।
পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করে দেখা যাচ্ছে, এবারের বিশ্বকাপে বল হারানোর পর তা প্রতিপক্ষের পা থেকে পুনরুদ্ধার করতে স্প্যানিশ ফুটবলারেরা গড়ে মাত্র ১১.৬ সেকেন্ড সময় নিচ্ছেন। এই সময়ে যা অন্য সব দলের তুলনায় অনেক বেশি দ্রুত। অপরদিকে, ফ্রান্সের এই একই কাজটি করতে সময় নেওয়া হচ্ছে গড়ে ১৪.৬ সেকেন্ড। স্পেনের এই দ্রুত কাউন্টার-প্রেসিংয়ের অদৃশ্য দেয়াল আজ ফরাসিদের পরিকল্পনাগুলোকে রুখে দিতে সক্ষম হতে পারে। কিন্তু সেই উত্তরের উল্টো দিকে ভয়টা কিন্তু সেখানে সঞ্চিত।
যখন স্পেন হাই-লাইন ডিফেন্স নিয়ে প্রতিপক্ষের সীমানায় গিয়ে প্রেসিং শুরু করবে, তখন তাদের রক্ষণভাগে বিশাল একটি ফাঁকা জায়গা তৈরি হবে। আর যদি সেই খালি অংশে কিলিয়ান এমবাপে অথবা ওসমানে দেম্বেলে প্রবেশ করেন, তাহলে তারা তাদের গতির মাধ্যমে স্পেনের রক্ষণের কাছে মুহূর্তে খড়কুটোর如 উড়িয়ে দিতে পারেন।
রদ্রি-পেদ্রিদের মাঝমাঠের নিখুঁত পাসিং এবং ১১.৬ সেকেন্ডের সেই ‘কিলার’ প্রেস কি আজ এমবাপেকে বোতলবন্দী করে রাখতে পারবে? নাকি ফরাসিদের গতিময় কাউন্টার ট্র্যাপে পড়ে স্পেনের টানা ৩৬ ম্যাচের অপরাজেয় যাত্রা ভেঙে যাবে?
বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় এই মাঠের লড়াইয়ের মধ্যে এই রোমাঞ্চকর প্রশ্নের উত্তর মিলবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন