০৮:৫৯ পি.এম
দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ইকুয়েডরে মাদক সহিংসতা বৃদ্ধির কারণে ২৪টি প্রদেশের মধ্যে ১০টি প্রদেশে ৬০ দিনের জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার (১৬ জুন) দেশটির প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল নোবোয়া এই জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন।
তিনি জানিয়েছেন, মাদক কার্টেল-সম্পর্কিত সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ডের হঠাৎ বৃদ্ধি মোকাবিলার লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারি আদেশ অনুসারে, ইকুয়েডরের ২৪টি প্রদেশের মধ্যে ১০টিতে এই জরুরি অবস্থা কার্যকর থাকবে এবং প্রয়োজনবোধে এটি আরও ৩০ দিনের জন্য বাড়ানো হতে পারে।
সরকারি পরিসংখ্যান মতে, ২০২৬ সালের ১ মে থেকে ১২ জুনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে ৮৭৯টি হত্যা ঘটনা ঘটেছে, যা দেশটিতে আইনশৃঙ্খলার গুরুতর অবনতির চিত্র তুলে ধরছে।
আরও পড়ুন: মাদারীপুরে কৃষককে কুপিয়ে জখম, প্রধান আসামি জাকির গ্রেফতার
জরুরি অবস্থার আওতায় পড়া প্রদেশগুলোর মধ্যে রয়েছে গুয়ায়াস, মানাবি, সান্তা এলেনা, লস রিওস, এল ওরো, পিচিঞ্চা, এসমেরালদাস, সান্তো দোমিঙ্গো দে লস সাচিলাস, সুকুমবিওস এবং আজুয়াই।
এই অঞ্চলগুলোকে মাদক পাচারের গুরুত্বপূর্ণ করিডর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যেখানে কোকেন উৎপাদন এলাকা থেকে প্রশান্ত মহাসাগরীয় বন্দর দিয়ে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে মাদক পাচার হয়ে থাকে।
নতুন আদেশ অনুসারে, গুরুতর সন্দেহ থাকলে পুলিশ ও সেনাবাহিনী বিচারিক পরোয়ানা ছাড়াই ব্যক্তিগত বাড়িতে প্রবেশ এবং তল্লাশি করতে পারবে। ফলে, বাসার অখণ্ডতার সাংবিধানিক সুরক্ষা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্তটি কয়েক সপ্তাহ আগে প্রেসিডেন্ট নোবোয়ার যে অবস্থান ছিল, সেখানে বড় পরিবর্তনের চিত্র নির্দেশ করে, যখন তিনি জরুরি ক্ষমতার মেয়াদ না বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।
আরও পড়ুন: সারজিস আলম: গণহত্যাকারী হাসিনার অলীক ডিসেম্বর বাংলাদেশে আসবে না
তথ্যসূত্র: ইয়েনিসাফাক
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন