প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির লেবাননে যুদ্ধবিরতির যেকোনও উদ্যোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি উল্লেখ করেছেন, লেবানন ‘ইসরায়েলের খেলার মাঠ’ হিসেবে ব্যবহৃত হওয়া উচিত।
একই সঙ্গে তিনি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যানের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার কেএএন-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব বক্তব্য তুলে ধরেন তিনি।
উগ্রপন্থি হিসেবে পরিচিত এই মন্ত্রী বলেন, “ইসরায়েল লেবাননে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হতে পারে না।”
তিনি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে অবহিত করেন যে, তিনি যেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে, ইসরায়েল লেবাননে কোনও যুদ্ধবিরতি মেনে নেবে না।
বেন-গভির আরও বলেন, “ট্রাম্প একজন সত্যিকারের বন্ধু। আমাদের তার সঙ্গে সৌজন্যপূর্ণ আচরণ করতে হবে এবং তাকে আলিঙ্গন করতে হবে। কিন্তু একই সঙ্গে তাকে বলতে হবে যে, আমরা লেবাননে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হতে পারি না।”
তিনি আরও যুক্ত করেন, “সিদ্ধান্ত আমরা নিই, আর আমাদের সেনাদের জন্য ভালো ফলও আসছে।”
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া সমঝোতা স্মারক এবং তা লেবানন যুদ্ধের অবসানে কী প্রভাব ফেলবে- এ নিয়ে ইসরায়েলের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা মহলে যখন মতবিরোধ বাড়ছে, তখনই বেন-গভিরের এই মন্তব্য সামনে এসেছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে পঞ্চম দফা সরাসরি আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এই প্রক্রিয়ার আগের চার দফা বৈঠকের লক্ষ্য ছিল লেবাননে ইসরায়েলি যুদ্ধের অবসানের পথ খোঁজা।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় চলা এই আলোচনার মধ্যে, ইরান ও হিজবুল্লাহকে ঘিরে ওয়াশিংটনের কূটনৈতিক তৎপরতা নিয়ে ইসরায়েলের ভেতরে সমালোচনা বাড়ছে।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম আই২৪নিউজ দেশটির কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কোনও চুক্তি হলে তা তেহরান এবং তার আঞ্চলিক মিত্রদের আরও শক্তিশালী করতে পারে বলে তেল আবিব আশঙ্কা করছে।
ওই কর্মকর্তারা দাবি করেন, ট্রাম্প প্রশাসন এবং তাদের আলোচক দল ‘তেহরান ও হিজবুল্লাহর আদর্শিক ভিত্তিকে সঠিকভাবে বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে’। তাদের ভাষায়, ‘ট্রাম্প শিয়া ভাষা বোঝেন না’। এর দ্বারা তারা ইরানের রাজনৈতিক ব্যবস্থা ও হিজবুল্লাহর প্রকৃতি সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের বোঝাবুঝির সমালোচনা করেন। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন