০৫:৪৩ পি.এম
মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রফতানির নামে আট হাজার কোটি টাকা লুটপাটের মামলায়, এবার শতাধিক এজেন্সির বিরুদ্ধে তদন্তে নেমেছে দুদক। এ ঘটনার জন্য আলাদা আলাদা দলের সদস্যরা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছেন। অন্যদিকে, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) দুই প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে জানিয়ে সংস্থাটি আবারও মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট), রাজধানীর সেগুনবাগিচায় অবস্থতি দুর্নীতি দমন কমিশন সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
বাংলাদেশি কর্মীদের কাছে মালয়েশিয়া যেন এক চিরচেনা আস্থার জায়গা। কিন্তু সেই আস্থাকে পুঁজি করে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ১০০টি রিক্রুটিং এজেন্সি সিন্ডিকেট বাণিজ্যে মেতে ওঠে। এসব এজেন্সির বিরুদ্ধে এরইমধ্যে আট হাজার কোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগে ২৩২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক।
আরও পড়ুন: জামায়াতকে পাকিস্তানে পাঠানোর হুঁশিয়ারি দিলেন পাপিয়া
এবার এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে তদন্তে নেমে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে দুদক। এদিন ৫৪ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় ''দি জিএমজি অ্যাসোসিয়েটস'' এর চেয়ারম্যান গোলাম মাওলাসহ দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সংস্থাটি।
পরে দুদক উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম বলেন, সরকারি খরচ ৭৯ হাজার টাকা নির্ধারিত থাকলেও, এজেন্সিগুলো অতিরিক্ত সাড়ে চার থেকে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নিয়েছে।
এদিকে, দুদকের মামলা থাকার পরও বেবিচকের দুই প্রকৌশলী আমিনুল হাসিব ও মইদুর রহমান মওদুদ সম্পর্কে যে কোনো মামলা নেই, এমন ভুল তথ্য ছড়ানোর বিষয়টি সামনে আসলে, দুদকের টনক নড়ে। পরে দুদক জানায়, তাদের নামে মামলা রয়েছে, এই বিষয়টি জানিয়ে মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে সংস্থাটি।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচির উদ্যোক্তা বাছাই শুরু হচ্ছে কাল
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন