১০:৪৫ পি.এম
কৃষি উৎপাদনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ মিউরিয়েট অব পটাশ (এমওপি) সারের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে রাশিয়া ও কানাডা থেকে মোট ৭৫ হাজার টন সার আমদানির দুটি পৃথক প্রস্তাব সরকারী ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি (সিসিজিপি) অনুমোদন দিয়েছে। অনুমোদনের জন্য মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৩৫১ কোটি ২৬ লাখ টাকা।
আজ রাজধানীর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ২৯তম সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়।
দেশের ক্রমবর্ধমান সারের চাহিদা পূরণে সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) ব্যবস্থায় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) এই সার আমদানি করবে।
আরও পড়ুন: কৃষক বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে: হুইপ দুলুর মন্তব্য
কৃষি মন্ত্রণালয়ের একটি প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে কমিটি রাশিয়ার জেএসসি ফরেন ইকোনমিক কর্পোরেশন (প্রোডইনটর্গ) থেকে ৩৫ হাজার টন এমওপি সার আমদানির অনুমোদন দেয়। প্রতি মেট্রিক টন ৩৮০ মার্কিন ডলার দরে এই সার আমদানি করতে আনুমানিক ১৬৩ কোটি ৯২ লাখ টাকা ব্যয় হবে।
এছাড়া কৃষি মন্ত্রণালয়ের আরেকটি প্রস্তাবের ভিত্তিতে কানাডিয়ান কমার্শিয়াল কর্পোরেশন (সিসিসি) থেকে ৪০ হাজার টন এমওপি সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রতিটি মেট্রিক টনের জন্য ৩৮০ মার্কিন ডলার দাম ধরা হয়েছে এবং এই সার আমদানিতে মোট ব্যয় আনুমানিক ১৮৭ কোটি ৪ লাখ টাকা হবে।
এই দুটি চালানের মাধ্যমে দেশে মোট ৭৫ হাজার টন এমওপি সার আমদানি করা হবে। যা কৃষি উৎপাদনে সহায়তা করবে এবং চাষাবাদের মৌসুমে সারের স্থিতিশীল সরবরাহ নিশ্চিত করবে।
আরও পড়ুন: ফিলিস্তিনি সাংবাদিক আবেদ আবু শেহাদেহ: ‘ভয় পাওয়া চলবে না, আমরা সঠিক পথেই আছি’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন