ঢাকা শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

১৯ পদে চাকরি দিচ্ছে মহামান্য রাষ্ট্রপতির কার্যালয়


১৯ পদে চাকরি দিচ্ছে মহামান্য রাষ্ট্রপতির কার্যালয়

রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের অধীনে জন বিভাগের রাজস্ব খাতভুক্ত ১৬ ও ২০ গ্রেডের পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। মোট পদসংখ্যা ১৯টি।

আবেদনের শেষ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ জুলাই ২০২৬।

নিয়োগ প্রাপ্ত প্রার্থীরা মাসিক বেতনের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের নিয়ম অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।

আরও পড়ুন: আন্দোলনে জড়িতদের মিলবে না সরকারি চাকরি

১. পদের নাম: অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক

পদসংখ্যা: ৫

শিক্ষাগত যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) অথবা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ; কম্পিউটার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত; কম্পিউটার মুদ্রাক্ষর গতি পরীক্ষায় প্রতি মিনিটে ইংরেজিতে ২০ শব্দ এবং বাংলায় ২০ শব্দের সর্বনিম্ন গতি থাকতে হবে।

বেতন স্কেল: (গ্রেড-১৬) ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা।

আরও পড়ুন: স্কয়ার গ্রুপে আকর্ষণীয় বেতনে চাকরি, কর্মস্থল গাজীপুর

২. পদের নাম: অফিস সহায়ক

পদসংখ্যা: ১৪

শিক্ষাগত যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।

বেতন স্কেল: (গ্রেড-২০) ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা।

আরও পড়ুন: নতুন বেতন কাঠামোয় রবিবার বাড়তি বেতন প্রদান হবে

বয়সসীমা: ১ জুন ২০২৬ তারিখে প্রার্থীর বয়স ১৮-৩২ বছর হতে হবে।

আবেদনের নিয়ম:

পরীক্ষায় অংশগ্রহণে ইচ্ছুক প্রার্থীরা এই ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদনপত্র পূরণ করতে পারবেন।

আবেদন ফি:

আরও পড়ুন: বর্তমান সরকার যুবসমাজকে কেবল চাকুরির সন্ধানে সীমাবদ্ধ রাখতে চায় না: ডা. জাহিদ হোসেন

১ নম্বর পদ: ১১২ টাকা (সার্ভিস চার্জসহ)

২ নম্বর পদ: ৫৬ টাকা (সার্ভিস চার্জসহ)।

আবেদনের সময়সীমা:

আবেদনপত্র পূরণ ও পরীক্ষার ফি জমাদানের শুরুর তারিখ ও সময়: ২১ জুন ২০২৬, সকাল ১০টা।

আরও পড়ুন: মানুষকে জাগিয়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

আবেদনপত্র জমাদানের শেষ তারিখ ও সময়: ৩০ জুলাই ২০২৬, বিকেল ৪টা।

বিস্তারিত তথ্যের জন্য এই ঠিকানায় দেখুন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নড়াইলের গ্রন্থাগারগুলোতে হাজারো বই, পাঠক সমাগম নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৩৭ পি.এম


নড়াইলের গ্রন্থাগারগুলোতে হাজারো বই, পাঠক সমাগম নেই

নড়াইল জেলার সরকারি ও বেসরকারি গ্রন্থাগারগুলোতে এখন থরে থরে সাজানো রয়েছে হাজার হাজার বই। সাহিত্য, ইতিহাস, বিজ্ঞান, রাজনীতি, শিশুতোষ কিংবা জীবনী জ্ঞানের এমন কোনো শাখা নেই, যার সন্ধান মিলছে না এখানকার লাইব্রেরিগুলোতে। বছরের পর বছর ধরে যত্ন করে রাখা হয়েছে অনেক দামি ও পুরাতন মূল্যবান বই। কিন্তু যাদের জন্য এই বিশাল আয়োজন, সেই পাঠকদেরই দেখা মিলছে না। এক সময়ের জ্ঞানপিপাসুদের কোলাহলে মুখরিত লাইব্রেরিগুলো এখন যেন এক একটি নিঃসঙ্গ নীরবতার প্রতীক।

নড়াইল জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগারে একই সাথে বসে দুই শতাধিক পাঠকের জন্য বই পড়ার জন্য মনোরম পরিবেশ ও সুব্যবস্থা রয়েছে। পাঠকদের সুবিধার্থে এখানে আছে আলাদা পুরুষ কর্নার, নারী কর্নার, জব কর্নার এবং পত্রিকা কর্নার। আলমারিগুলোতে থরে থরে সাজানো আছে প্রায় ৪০ হাজার বই। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন সকাল থেকে বিকাল অবধি লাইব্রেরি খোলা থাকলেও, গড়ে মাত্র ৩৫ থেকে ৪০ জনের বেশি পাঠক এখানে আসেন না।

গ্রন্থাগারের শিশু কর্নারটিতে এখনো স্কুলের ফাঁকে সামান্য কয়েকজন ক্ষুদে শিক্ষার্থী আসে। সেখানে হাতেগোনা তিন-চারজন শিশুকে খেলাধুলা ও গল্পের বই পড়ে সময় কাটাতে দেখা যায়। তবে মূল হলরুমের পাঠকক্ষটি প্রায় সময়ই ফাঁকা পড়ে থাকে। জেলার প্রায় ২০ থেকে ২২টি সরকারি-বেসরকারি গ্রন্থাগারের প্রতিটিতেই এখন একই করুণ চিত্র।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আধুনিকতার যুগে মোবাইল, ট্যাব, কম্পিউটার এবং সোশ্যাল মিডিয়ার অতিরিক্ত দৌরাত্ম্যের কারণে বই পড়া থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে নতুন প্রজন্ম। এক সময় লাইব্রেরিগুলোতে বসার জায়গার বা চেয়ার-টেবিলের অভাবে মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করত। আর এখন পর্যাপ্ত আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকা সত্ত্বেও পাঠকের দেখা মিলছে না। মানুষ এখন বইয়ের পৃষ্ঠার চেয়ে ডিজিটাল স্ক্রিনেই বেশি আটকে থাকে। ফলে বইয়ের পাতা খুলে জ্ঞানের আলো খোঁজার ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে বসেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত সেমিনার, পাঠচক্র ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা, স্কুল-কলেজ পর্যায়ে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা, বিভিন্ন উৎসব ও আকর্ষণীয় প্রতিযোগিতার আয়োজন করা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীদের জন্য লাইব্রেরি ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা প্রয়োজন। পাশাপাশি, যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে গ্রন্থাগারগুলোকে আরও আকর্ষণীয় ও যুগোপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে।

আব্দুল হাই ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মনিরুজ্জামান মল্লিক বলেন, ডিজিটাল প্রযুক্তির অপব্যবহার আমাদের নতুন প্রজন্মকে বইয়ের পাতা থেকে দূরে ঠেলে দিচ্ছে। এক সময় শিক্ষার্থীরা লাইব্রেরিতে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা জ্ঞানচর্চা করত, যা তাদের চিন্তাভুবনকে সমৃদ্ধ করত। এখন স্ক্রিন-নির্ভরতর কারণে তরুণদের গভীর মনোযোগ ও সৃজনশীলতা লোপ পাচ্ছে। গ্রন্থাগারগুলোকে শুধু বইয়ের ঘর বানিয়ে রাখলে চলবে না, এগুলোকে সচল করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও পরিবারকে যৌথ ভূমিকা নিতে হবে। প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে অন্তত একটি লাইব্রেরি ক্লাস বাধ্যতামূলক করা এবং তরুণদের রুচি অনুযায়ী নতুন বইয়ের সংগ্রহ বাড়ানো এখন সময়ের দাবি।

জেলা প্রশাসক ড. আব্দুল ছালাম বলেন, লাইব্রেরিগুলোতে পাঠক ফেরাতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে স্কুল-কলেজ পর্যায়ের ছেলেমেয়েদের বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ও উৎসবের মাধ্যমে আবার বইমুখী করার পরিকল্পনা আমাদের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এক বছর পর নিখোঁজ ৯০ বছর বয়সী বাবাকে ফিরে পেলেন ছেলে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪২ পি.এম


এক বছর পর নিখোঁজ ৯০ বছর বয়সী বাবাকে ফিরে পেলেন ছেলে

দিনাজপুরের হাকিমপুর হিলি চারমাথা মোড়ে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে দেওয়া হয় ৯০ বছরের বৃদ্ধ মতিউর রহমানকে। গণমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই বিষয়টি প্রচারের পর, তার পরিবার খুঁজে পান তাকে।

হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসেন এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন নেস্ট-এর সদস্যরা ছেলের হাতে বাবা মতিউর রহমানকে তুলে দেন। ছেলে রহিদুল ইসলাম জানান, এক বছর আগে তার বাবা হারিয়ে যান।

শুক্রবার (১৯ জুন) রাত ৯টার দিকে হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মতিউর রহমানকে ছেলের কাছে তুলে দেওয়া হয়।

এ সময় স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন নেস্ট-এর সভাপতি মো. ফয়সাল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ডা. আ. মালেক, থানার এসআই লক্ষিকান্ত রায় প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

হাসপাতালে ভর্তি রোগী আব্দুর রহিম বলেন, আমি আগে থেকেই হাসপাতালে ভর্তি ছিলাম। গত বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ, সাংবাদিক, নেস্ট-এর ফয়সাল ইসলাম এবং মালেক ভাইসহ অনেকে এই বৃদ্ধকে হাসপাতালে ভর্তি করান। পরে আমি দেখি তার কেউ নেই। আমি নিজে অসুস্থ হয়েও বৃদ্ধ ব্যক্তিকে বাবা মনে করে গোসল করা, খাবার খাওয়া এবং তার পায়খানা পরিষ্কার করেছি।

আমি ছুটি নিয়ে বাড়িতে গিয়েছিলাম। বৃদ্ধ ব্যক্তিকে দেখার জন্য হাসপাতালে এসে দেখি তার ছেলে এসেছে। পরবর্তীকালে এখানকার ওসি এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা বৃদ্ধ মতিউর রহমানকে তার ছেলে রহিদুল ইসলামের হাতে তুলে দেন।

নেস্ট-এর সভাপতি মো. ফয়সাল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক জানান, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে মুঠোফোনে জানতে পারি, হিলি চারমাথা মোড়ে রাস্তার পাশে এক বৃদ্ধ ব্যক্তিকে কেউ ফেলে রেখে গেছে। সংবাদ পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয় ওসিকে বিষয়টি জানাই।

এরপর ওসি জাকির হোসেন দুইজন পুলিশ সদস্যকে পাঠিয়ে দেন। পরে তাদের সঙ্গে নিয়ে মতিউর রহমানকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। আজ হাসপাতাল পৌঁছে ওসি জাকির হোসেনসহ আমরা বৃদ্ধকে তার ছেলে রহিদুল ইসলামের হাতে তুলে দেই।

বৃদ্ধ মতিউর রহমানের ছেলে রহিদুল ইসলাম বলেন, আমার বাড়ি রংপুর জেলার গংগাচড়া উপজেলায়। এক বছর আগে আমার বাবা হারিয়ে যান। তিনি অন্ধ ছিলেন। গতকাল গণমাধ্যমের সংবাদ এবং ফেসবুকে জানতে পারি, হিলি হাসপাতালে আমার বাবা ভর্তি আছে। আজ সকালে এখানে পৌঁছে বাবাকে দেখে আমি খুশি। রাতে ওসি জাকির হোসেন ও নেস্ট স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা আমার বাবাকে হাতে তুলে দেন এবং যাওয়ার খরচ বাবদ ওসি জাকির হোসেন ১৫০০ টাকা দেন।

ওসি মো. জাকির হোসেন জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে জানতে পারি, একজন অন্ধ বৃদ্ধকে হিলি চারমাথা মোড়ে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে গেছে। পরে পুলিশ সদস্যসহ স্থানীয় নেস্ট স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যদের মাধ্যমে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। আজ তার ছেলে রহিদুল ইসলাম হাসপাতালে পৌঁছায়। সংবাদ আমি নিজে পুলিশ নিয়ে হাসপাতালে গিয়ে বৃদ্ধ মতিউর রহমান এবং তার ছেলে রহিদুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলি। পরে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন নেস্ট-এর সদস্যদের উপস্থিতিতে তার ছেলের হাতে বৃদ্ধ বাবাকে তুলে দেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঈশ্বরদীতে রাস্তা মেরামতের দাবিতে সড়কে ধান রোপণ করে অভিনব প্রতিবাদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪৩ পি.এম


ঈশ্বরদীতে রাস্তা মেরামতের দাবিতে সড়কে ধান রোপণ করে অভিনব প্রতিবাদ

 

পাবনার ঈশ্বরদীতে, দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে থাকা একটি সড়ক মেরামতের দাবিতে সড়কের খানাখন্দে ধানের চারা রোপণ করে অভিনব প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের বাবুলচারা গোলচত্বর মোড় থেকে লক্ষ্মীকুন্ডা ইউনিয়নের কামালপুর মোড় পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার সড়কে ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয় যুবসমাজের উদ্যোগে আয়োজিত কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা ‘আমার সোনার বাংলা, বৈষম্যের ঠাঁই নাই; চাঁদা নিলে, চাঁদা নে—রাস্তা পাকা করে দে’ স্লোগানে দ্রুত সড়ক সংস্কারের দাবি জানান।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সড়কটি সাহাপুর ও লক্ষ্মীকুন্ডা ইউনিয়নের অন্তত ১৫ হাজার মানুষের চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ পথ। প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে ভুটভুটি, অটোরিকশা, সিএনজি, ভ্যান, মোটরসাইকেল, ট্রাক্টর, পণ্যবাহী ট্রাক ও সবজি পরিবহণকারী যানবাহন চলাচল করে। সড়কটি ব্যবহার করে দুই ইউনিয়নের মানুষ প্রায় সাত কিলোমিটার পথ সাশ্রয় করতে পারেন।

তারা জানান, দীর্ঘ আন্দোলনের পর ২০১৩ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সড়কটি পাকা করে। তবে ইটভাটায় যাতায়াতকারী অতিরিক্ত ভারী যানবাহনের কারণে নির্মাণের অল্প সময়ের মধ্যেই সড়কটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বর্তমানে সড়কের অধিকাংশ অংশে দুই থেকে তিন ফুট গভীর গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই গর্তগুলো পানিতে ভরে যায় এবং পুরো সড়ক কাদাপানিতে ডুবে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।

প্রতিবাদ কর্মসূচির প্রধান সমন্বয়ক আল আমিন প্রামানিক বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও জনপ্রতিনিধিদের কাছে সড়কটি মেরামতের দাবি জানানো হলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তাই জনদৃষ্টি আকর্ষণের জন্য তারা সড়কের গর্তে ধানের চারা রোপণ করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

কর্মসূচিতে আজিবুল মণ্ডল, রবিন হোসেন, রুবেল হোসেন, সানমুন মণ্ডলসহ কয়েকশ গ্রামবাসী অংশ নেন।

এ বিষয়ে ঈশ্বরদী উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুর রহিম বলেন, সড়কটির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে আমার জানা ছিল না। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শ্রেণিকক্ষে শিক্ষককে কুপিয়ে হত্যা, দুই বছর পর রহস্য উদঘাটন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪৯ পি.এম


শ্রেণিকক্ষে শিক্ষককে কুপিয়ে হত্যা, দুই বছর পর রহস্য উদঘাটন

 

নিহত গোলাম রসুল মজুমদার লিটন এবং ঘাতক সাফায়েত আলী ওরফে সাফু

কুমিল্লায় শ্রেণিকক্ষে মো. গোলাম রসুল মজুমদার লিটন (৪৮) নামে এক মাদরাসা শিক্ষককে কুপিয়ে হত্যা করার ঘটনার রহস্য দুই বছর পর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) উদঘাটন করেছে।

এ মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া সাফায়েত আলী ওরফে সাফুকে (৩৫) রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদের ফলে হত্যার রহস্য বেরিয়ে আসে।

তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। সাফায়েত গ্রেপ্তার হয়ে কুমিল্লা কারাগারে ছিলেন। শুক্রবার বিকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক দিদারুল ফেরদাউস গণমাধ্যমে এসব তথ্য প্রকাশ করেছেন।

নিহত গোলাম রসুল মজুমদার লিটন সদর দক্ষিণ উপজেলার গলিয়ারা দক্ষিণ ইউনিয়নের নলকুড়ি গ্রামের মৃত তফাজ্জল হোসেনের ছেলে। তিনি নলকুড়ি ফোরকানীয়া মাদরাসার শিক্ষক ছিলেন।

মামলার অভিযোগ ও পিবিআই সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৬ মার্চ গোলাম রসুল মজুমদার লিটন মাদরাসার শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করছিলেন। এসময় একই গ্রামের শাহ আলমের ছেলে সাফায়েত আলী শ্রেণিকক্ষে ঢুকে পেছন থেকে ধারাল দা দিয়ে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায়। তবে পরে স্থানীয় জনতা ধাওয়া করে সাফায়েতকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।

এ ঘটনার পর নিহতের স্ত্রী মাহমুদা হেলেন চৌধুরী বাদী হয়ে সাফায়েত আলী ও তার বড় ভাই কেরামত আলীসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

থানা পুলিশ আসামিদের cinco দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলেও সাফায়েত স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেননি। পরে পুলিশ সাফায়েতের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। থানা পুলিশের তদন্তে হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য ও অন্য আসামিদের সম্পৃক্ততা স্পষ্ট না হওয়ায় মামলার বাদী আদালতে নারাজি আবেদন করেন। এর প্রেক্ষিতে ২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর আদালত মামলাটির অধিকতর তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক দিদারুল ফেরদাউস জানান, কারাবন্দি আসামি সাফায়েত আলীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে রিমান্ডের আবেদন করলে আদালত এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

বুধবার, আসামিকে পিবিআই হেফাজতে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর তিনি হত্যাকাণ্ডের রোমহর্ষক বর্ণনা দেন। পরদিন বৃহস্পতিবার, ওই আসামি হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। তিনি জানান, একাই এই হত্যার সঙ্গে জড়িত।

পিবিআই কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. মতিয়ার রহমান বলেন, সাফায়েত আলী মাদকাসক্ত ছিলেন। তিনি প্রবাসে ছিলেন, সেখানে থেকে ফিরে এসে আরো বেপরোয়া হয়ে পড়েন। মাদকের কারণে তার স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে যায়। পরবর্তীতে তিনি নিজের ভাইয়ের কাছে জমি বিক্রি করে সম্পূর্ণ নিঃস্ব ও হতাশ হয়ে পড়েন। এসব পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্থানীয়ভাবে বেশ কয়েকবার সালিস-বিচার করেছিলেন প্রতিবেশী মাদরাসা শিক্ষক গোলাম রসুল মজুমদার লিটন। এসব সামাজিক বিচার ও বিভিন্ন বিষয়ের প্রতি ক্ষোভ থেকেই শিক্ষক লিটনের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে সাফায়েত মাদরাসার শ্রেণিকক্ষে ঢুকে শিক্ষক লিটনকে কুপিয়ে হত্যা করেন। পিবিআই হেফাজতে এনে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় তিনি হত্যাকাণ্ডের রোমহর্ষক বর্ণনা দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২১
ইশা ০৬:৩৩
সূর্যোদয় : ০৬:০৩ সূর্যাস্ত : ০৫:২১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%