১০:০০ এম
লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে দীর্ঘদিন আটক থাকার পর ১৭৪ বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরেছেন। বাংলাদেশের দূতাবাসের উদ্যোগ এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায়, বেনগাজীর গ্যানফুদা ডিটেনশন সেন্টার থেকে তাদের নিরাপদ ও মানবিকভাবে দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার ভোর ৬টায়, লিবিয়ার বুরাক এয়ারের ইউজেড-২২২ ফ্লাইটে তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। দেশে ফিরে আসা ব্যক্তিদের মধ্যে ৩ নারী, এক শিশু এবং ১৫ জন অসুস্থ ব্যক্তি রয়েছেন।
জানা গেছে যে, এসব বাংলাদেশি উন্নত জীবনের আশায় অনিয়মিত পথে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তবে সমুদ্রপথে অভিযানের সময় তারা উদ্ধার বা আটক হয়ে যান। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে লিবিয়ার গ্যানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে মানবেতর পরিবেশে বন্দি জীবন কাটাতে হয়েছে তাদের।
আরও পড়ুন: ৬৭ পুলিশ পরিদর্শক এসএসপি পদে পদোন্নতি পেলেন
বাংলাদেশ দূতাবাসের সূত্রে জানা যায়, লিবিয়ায় আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনের জন্য দূতাবাস স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও আইওএমের সঙ্গে নিয়মিতভাবে সমন্বয় করে আসছে। এর ধারাবাহিকতায়, স্থানীয় প্রশাসনের অনুমোদন এবং আইওএমের সার্বিক সহযোগিতার মাধ্যমে সর্বশেষ এই ১৭৪ জনকে দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।
দূতাবাস আরও জানায়, বেনগাজীর গ্যানফুদা ও ত্রিপলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশের নাগরিকদের নিয়মিত সাক্ষাৎকার গ্রহণ, পরিচয় যাচাই এবং প্রত্যাবাসন কার্যক্রম পরিচালনা চলছে। বর্তমানে এসব কেন্দ্রে অবস্থানরত বাকি বাংলাদেশিদেরও ধাপে ধাপে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
এর আগে একই ধরনের পরিস্থিতির শিকার হয়ে গত ৭ আগস্ট লিবিয়া থেকে ৩৪০ বাংলাদেশি দেশে ফিরে এসেছিলেন। সর্বশেষ ১৭৪ জনসহ চলতি মাসে মোট ৫১৪ বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনা হলো।
বাংলাদেশ দূতাবাস সকলকে দালাল ও মানব পাচারকারীদের প্রলোভনে না পড়ে বৈধ ও নিরাপদ অভিবাসনপথ অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি, বিদেশে কর্মসংস্থান বা অভিবাসনের ক্ষেত্রে সরকারি অনুমোদিত এবং আইনসম্মত পদ্ধতি অনুসরণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
আরও পড়ুন: বিশ্বজয়ে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা ও শিল্প-সংস্কৃতিতে দক্ষ হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন